ভাঙ্গায় কিশোরীর ইজ্জতের মূল্য ২০ হাজার টাকা!
Why this classification
This article reports a specific, recent incident: on the night of 25 April 2026, a garage mechanic allegedly forced his way into a 12-year-old girl's room and tried to sexually assault her, and she was rescued after screaming. It is not a court verdict or a general report, since the main event is a new violent act, and the village fine that followed is treated as part of the same case.
Killed
0
Injured
0
Summary
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার মুনসুরাবাদ গুচ্ছগ্রামে ২৫ এপ্রিল রাতে গ্যারেজ মিস্ত্রি দেলোয়ার ভ্যানচালকের ৬ষ্ঠ শ্রেণির কিশোরীর ঘরে ঢুকে জোরপূর্বক খারাপ কাজের চেষ্টা করেন, চিৎকারে স্থানীয়রা এসে কিশোরীকে উদ্ধার করেন। পরে গত রোববার (৩ মে ২০২৬) রাতে স্থানীয় মাদবররা সালিশে তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।
AI analysis
Category
Gender-Based Violence
Confidence
80% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 25/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
ভাঙ্গায় কিশোরীর ইজ্জতের মূল্য ২০ হাজার টাকা!
ভাঙ্গায় কিশোরীর ইজ্জতের মূল্য ২০ হাজার টাকা! Advertisement ভাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৫ মে ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ ভাঙ্গায় এক কিশোরীকে শ্লীলতাহানির ঘটনার মূল্য ২০ হাজার টাকা ধার্য করে রায় দিয়েছেন স্থানীয় মাদবররা। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার মুনসুরাবাদ গুচ্ছগ্রামে ভ্যানচালকের ৬ষ্ঠ শ্রেণির কিশোরী মেয়ের সঙ্গে। এ ঘটনায় রোববার রাত ৯টার দিকে অভিযুক্ত গ্যারেজ মিস্ত্রি দেলোয়ারকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন মাদবররা। এদিকে শ্লীলতাহানিকে পুঁজি করে স্থানীয় কাশেম মাদবরসহ বিভিন্ন লোকজন অভিযুক্ত দেলোয়ারের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে কিশোরী জানায়, গুচ্ছগ্রামের বাবাকে নিয়ে ওই ঘরে থাকি। এ সুযোগে রাতে দেলোয়ার প্রায়ই আমার ঘরে ঢুকে কুপ্রস্তাব দেয় ও আমার সঙ্গে খারাপ কাজ করতে বিভিন্ন প্রলোভন দেখায়। ঘটনার দিন ২৫ এপ্রিল রাত অনুমান ১০টার দিকে বাবা আসবে বিধায় দরজা খুলে ঘুমিয়ে পড়ি। তখন দেলোয়ার আমার ঘরে ঢুকে জোরপূর্বক খারাপ কাজ করার চেষ্টা করে। আমি চিৎকার দিলে আশপাশের লোকজন এসে আমাকে উদ্ধার করে। রোববার রাত ৯টার দিকে আমাদের ডেকে স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিয়ে ১০ হাজার টাকা ধরিয়ে দেয় এবং আরও ১০ হাজার টাকা দেবে বলে জানায়। অভিযুক্ত দেলোয়ার বলেন, আমাকে ফাঁসানো হয়েছে। আমি ষড়যন্ত্রের শিকার। আমি এ ঘটনার বিচার চাই। এ বিষয় মুনসুরাবাদ গুচ্ছগ্রামের সভাপতি কাসেম মিয়া বলেন, রাতে আমরা স্থানীয় লোকজন বসে সালিশ করে দেলোয়ারকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করি। তখন মেয়েটির দাদি, বাবা, চাচা সবাই উপস্থিত ছিল। তখন দরবার মেনে নিয়ে এখন বলছে সালিশ মানি না। ওসি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
