কমিটি বিলুপ্ত করে নিজেকে চেয়ারম্যান ঘোষণা এমপির

AI-classifiedconfidence 70%

Why this classification

BNP leaders who came with the MP harassed the hospital trust board chairman, pressed him to resign, called him a 'fascist's collaborator', and charged at him several times, creating a mob scene. This is a politically motivated physical intimidation incident with no reported injuries, and the event occurred on 13 April 2026, within the 14-day window.

Reported by:SamakalSingle source
13/04/26•শিরোমনি, বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতাল

Killed

0

Injured

0

Summary

১৩ এপ্রিল ২০২৬ (সোমবার) খুলনার বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতালে খুলনা-৫ আসনের এমপি মোহাম্মদ আলী আসগারের সঙ্গে থাকা বিএনপি নেতারা ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ডা. রফিকুল হক বাবলুকে পদত্যাগে চাপ দিয়ে হেনস্তা করেন এবং কয়েক দফা তেড়ে যান। পরিস্থিতির অবনতিতে এমপি ট্রাস্টি বোর্ড বিলুপ্ত ঘোষণা করেন এবং নিজেকে চেয়ারম্যান ঘোষণা করেন।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

70% · severity 3

Perpetrator side

BNP

Victim side

BNP

Other actors

মোহাম্মদ আলী আসগার (খুলনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য)ডা. রফিকুল হক বাবলু (ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান)এস এ রহমান বাবুল (ট্রাস্টি বোর্ডের পরিচালক)এমপির সঙ্গে থাকা বিএনপি নেতারা

Tags

Party Clash

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: BNP

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: BNP

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 13/04/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Samakal · 14/04/26open original ↗

কমিটি বিলুপ্ত করে নিজেকে চেয়ারম্যান ঘোষণা এমপির

খুলনার বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতালে হট্টগোল কমিটি বিলুপ্ত করে নিজেকে চেয়ারম্যান ঘোষণা এমপির ছবি: সমকাল খুলনা ব্যুরো প্রকাশ: ১৩ এপ্রিল ২০২৬ | ২১:৫৫ খুলনার বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে ট্রাস্টি বোর্ডের কমিটি বিলুপ্ত করেছেন খুলনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য ও মহানগর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক মোহাম্মদ আলী আসগার। এ সময় তাঁর সঙ্গে আসা বিএনপির কিছু নেতা ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং বিএনপি সমর্থিত চিকিৎসকদের সংগঠন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) জেলা কমিটির সাবেক সভাপতি ডা. রফিকুল হক বাবলুকে হেনস্তা করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, সংসদ সদস্যের সঙ্গে থাকা বিএনপি নেতারা ডা. বাবলুকে পদত্যাগের জন্য চাপ দেন এবং তাঁকে ‘ফ্যাসিস্টের দোসর’ আখ্যা দেন। কয়েকজন তাঁর দিকে কয়েক দফা তেড়ে যান। পরে আলী আসগার কমিটি ভেঙে দিয়ে নিজেকে চেয়ারম্যান ঘোষণা করেন এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে নতুন কমিটি তৈরি হবে বলে জানান। আজ সোমবার দুপুর ১২টার দিকে নগরীর শিরোমনিতে অবস্থিত বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে। বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতাল একটি অলাভজনক স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান। ১৯৭৬ সাল থেকে উন্নত চিকিৎসার মাধ্যমে চোখের আলো ফেরাতে কাজ করছে হাসপাতালটি। এ হাসপাতাল পরিচালিত হয় ট্রাস্টি বোর্ডের মাধ্যমে। একসময় দেশের প্রখ্যাত চিকিৎসকরা ট্রাস্টি বোর্ডে থাকতেন। পরে এটি দলীয়করণের মুখে পড়ে। চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের আগে ২০১৯ সালে হাসপাতালের সর্বশেষ ট্রাস্টি বোর্ড গঠন করা হয়। তখন চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নেন মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি তালুকদার আবদুল খালেক। অভ্যুত্থানের পর তাদের অনেকেই আত্মগোপনে চলে যান। ২০২৪ সালের ২৪ অক্টোবর নতুন ট্রাস্টি বোর্ড গঠন করা হয়। এর চেয়ারম্যান করা হয় বিএনপি সমর্থিত চিকিৎসক নেতা ডা. বাবলুকে। ভাইস চেয়ারম্যান হন জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মুন্সি মাইনুল ইসলাম। ১১ সদস্যের বোর্ডের সাতজন বিএনপি সমর্থিত, দুজন জামায়াত, একজন ছাত্র প্রতিনিধি এবং একজন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি ছিলেন। এ বোর্ডের মেয়াদ ছিল ২০৩০ সাল পর্যন্ত। ডা. রফিকুল হক বাবলু বলেন, ‘সোমবার এমপির হাসপাতাল পরিদর্শনে আসার কথা ছিল। সেভাবে আমরা ফুল নিয়ে তৈরি ছিলাম। তিনি আমার কক্ষে এসে বসার কিছু সময় পরই তাঁর সঙ্গে থাকা ব্যক্তিরা আমাকে উদ্দেশ করে নানা অভিযোগ করতে থাকেন। এ পর্যায়ে মব তৈরি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এমপি কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করেন। আমিও সিদ্ধান্ত মেনে তাঁকে সব দায়িত্ব দিয়েছি। এখন তিনিই পরবর্তী কমিটি গঠন করবেন।’ হাসপাতালের ট্রাস্টি বোর্ডের পরিচালক ও জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি এস এ রহমান বাবুল বলেন, ‘সব স্বাভাবিকই ছিল। হঠাৎ সবাই উত্তেজিত হয়ে পরিবেশ পাল্টে দিল। এরপর কমিটি ভেঙে যায়।’ এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘ট্রাস্টি বোর্ডের মেয়াদ ছয় বছর। মুখের কথায় এভাবে কমিটি ভাঙা যায় কিনা, তা এমপিই ভালো বলতে পারবেন।’ জানতে চাইলে এমপি আলী আসগার বলেন, ‘হাসপাতাল সম্পর্কে অনেকেই নানা অনিয়মের অভিযোগ করছিলেন। ভুক্তভোগী কয়েকজন সেখানে উপস্থিত ছিলেন। অনিয়ম নিয়ে নেতারা ক্ষুব্ধ ছিলেন। তাৎক্ষণিক পরিবেশ শান্ত করতে কমিটি বিলুপ্ত করা হয়। এখন এলাকার মানুষ, চিকিৎসকসহ অভিজ্ঞদের নিয়ে নতুন বোর্ড গঠন হবে। সবাই মিলে হাসপাতাল পরিচালনা করা হবে।’