অ্যাম্বুলেন্সে নিথর রোগী রেখে চিকিৎসক-কর্মীদের পলায়ন
Why this classification
This is a valid, recent incident in Bangladesh in which relatives of a woman who died after childbirth vandalised a private hospital twice, on the night of Saturday 4 April and on Sunday morning. The reported damage (smashed ECG room and doctors' rooms) is a destructive act, while the alleged murder by doctors is an unverified accusation and is not counted as a casualty of the attack.
Killed
0
Injured
0
Summary
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে (৪ এপ্রিল ২০২৬) মধ্যরাতে আহমেদ প্রাইভেট হাসপাতালে প্রসূতি রাকিবা আক্তারের মৃত্যুর পর স্বজনরা চিকিৎসক ও কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ তুলে রাতে ও রোববার সকালে দুই দফায় হাসপাতালে ভাঙচুর চালান। স্বজনদের অভিযোগ, অ্যাম্বুলেন্সে তোলার সময় চিকিৎসক ও কর্মীরা দ্রুত সটকে পড়েন।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
85% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Hospital Staff
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 04/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
অ্যাম্বুলেন্সে নিথর রোগী রেখে চিকিৎসক-কর্মীদের পলায়ন
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর অ্যাম্বুলেন্সে নিথর রোগী রেখে চিকিৎসক-কর্মীদের পলায়ন ছবি: সংগৃহীত নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৬ এপ্রিল ২০২৬ | ০৭:৫১ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে এক প্রসূতির মৃত্যুর পর স্বজনরা বেসরকারি হাসপাতালে ভাঙচুর চালিয়েছেন। তারা চিকিৎসক ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ওই নারীকে হত্যার অভিযোগ তুলেছেন। গত শনিবার মধ্যরাতে নবীনগর উপজেলা সদরের আহমেদ প্রাইভেট হাসপাতালে রাকিবা আক্তার (২২) নামের ওই গৃহবধূর মৃত্যু হয়। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে গতকাল রোববার ময়নাতদন্তের জন্য জেলা মর্গে পাঠিয়েছে। স্বজনের অভিযোগ, রাকিবাকে অ্যাম্বুলেন্সে তোলার পর হাসপাতালের চিকিৎসক ও কর্মচারীরা দ্রুত সটকে পড়েন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে তারা রাতে ও রোববার সকালে দুই দফায় হাসপাতালে ভাঙচুর চালান। মৃত রাকিবা আক্তার (২২) উপজেলার বাঙ্গরা গ্রামের মিজান মিয়ার মেয়ে। তাঁর স্বামী একই উপজেলার লাউর ফতেহপুর গ্রামের শফিকুল ইসলাম প্রবাসে কর্মরত। স্বজনরা জানায়, শনিবার রাতে সাড়ে ১২টার দিকে রাকিবার প্রসব ব্যথা উঠে। এ সময় তারা নবীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কাছাকাছি এলাকার আহমেদ প্রাইভেট হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে কর্মরত গাইনি চিকিৎসক সৈয়দ কামরুজ্জামানের তত্ত্বাবধানে সিজারিয়ান অপারেশন হয়। সেখানে ছেলে সন্তানের জন্ম দেন রাকিবা। রাত আড়াইটার দিকে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। কিন্তু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি স্বজনদের স্পষ্টভাবে না জানিয়ে দ্রুত অ্যাম্বুলেন্স ডেকে রাকিবাকে অন্য জায়গায় পাঠানোর উদ্যোগ নেয়। রাকিবার মা রেহেনা আক্তার বলেন, ‘মেয়েকে অ্যাম্বুলেন্সে তোলার সময় সন্দেহ হলে কাছে গিয়ে দেখি, তাঁর কোনো শ্বাসপ্রশ্বাস নেই। তখনই বুঝতে পারি, অপারেশনের পরই তাঁর মৃত্যু হয়েছে।’ রেহেনা আক্তারের ভাষ্য, তাঁর মেয়ের শারীরিক অবস্থা সম্পূর্ণ স্বাভাবিক ছিল। গর্ভবতীর যে ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও চেকআপ প্রয়োজন সবই করা হয়েছে। সব রিপোর্টে প্রসূতি ও তাঁর গর্ভস্থ সন্তান ভালো থাকার তথ্য ছিল। তিনি অভিযোগ করেন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অদক্ষ ডাক্তারের মাধ্যমে অপারেশন করিয়ে তাঁর মেয়েকে হত্যা করেছে। তিনি এ হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি করেন। এ বিষয়ে ডা. সৈয়দ কামরুজ্জামানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও বক্তব্য পাওয়া যায়নি। হাসপাতালের মালিক ফরিদ উদ্দিন আহমেদের মোবাইল ফোনে বারবার কল দিলেও ধরেননি। ক্ষুদে বার্তা পাঠালেও জবাব দেননি। প্রতিষ্ঠানের কর্মী শাহাদাত হোসেনের ভাষ্য, রাতেও রোগীর স্বজনরা হাসপাতালে হামলা চালান। রোববার সকালে একজনের মধ্যস্থতায় সমঝোতার জন্য দুই পক্ষের আলোচনা চলছিল। এরই মধ্যে মৃতের স্বজনরা হাসপাতালের ইসিজি রুম ও চিকিৎসকদের কক্ষসহ নানা জায়গায় আবারও ভাঙচুর চালিয়েছেন। নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাজীব কান্তি নাথ বলেন, সংবাদ পেয়ে তারা হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন। সেখানে কর্তব্যরত কাউকে পাওয়া যায়নি। এ ঘটনার পর তারা পলাতক। স্বজনের অভিযোগের ভিত্তিতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। রোগীর স্বজনরা মৃত্যুর জন্য অদক্ষ ডাক্তার দিয়ে অস্ত্রোপচার ও কর্তৃপক্ষের অবহেলাকে দায়ী করেছেন। বিষয়টি জানার পর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছেন বলে জানান নবীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. হাবিবুর রহমান। তিনি বলেন, এ ঘটনায় গাইনি কনসালট্যান্ট ডা. দেলোয়ার হোসেনকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। তাদের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী হাসপাতালের বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি। - বিষয় : - ব্রাহ্মণবাড়িয়া
