মনিরামপুরে মাটি বিক্রির টাকা নিয়ে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে আহত ২০
Why this classification
This incident is classified as political violence because a clash involving members of the BNP, Jamaat, Chhatra Dal, and Shibir occurred in Monirampur Bazar, Jashore. The confrontation, which included the vandalism of a Jamaat office, resulted in 20 injuries. While the specific perpetrator and victim sides are not recorded, the involvement of these political entities justifies the classification. The report is based on one corroborating source.
Killed
0
Injured
20
Summary
যশোরের মনিরামপুরে হরিহর নদ খননের মাটি বিক্রির টাকা ভাগাভাগি নিয়ে বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। ২০২৬ সালের ৩০ এপ্রিল সন্ধ্যায় এই সংঘর্ষের সময় উপজেলা জামায়াত কার্যালয় ভাঙচুর এবং পরবর্তীতে ছাত্রদল ও শিবিরের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটে।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
74% · severity 5
Parties involved
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 20
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 30/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
নিলামের মাটির টাকা ভাগাভাগি নিয়ে দ্বন্দ্ব, মনিরামপুরে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে আহত ২০
যশোরের মনিরামপুরে নিলামে কেনা মাটি বিক্রির টাকা ভাগাভাগি নিয়ে বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মনিরামপুর বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ সময় উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হরিহর নদ খননের উত্তোলিত মাটি নিলামে কেনার পর তা বেশি দামে বিক্রি করে অর্জিত অর্থ ভাগাভাগি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধের জেরে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।ঘটনার পর জামায়াতে ইসলামীর সমর্থিত স্থানীয় সংসদ সদস্য গাজী এনামুল হক ফেসবুক পোস্টে উদ্বেগ প্রকাশ করে হামলার নিন্দা জানান। তিনি অভিযোগ করেন, মাগরিবের নামাজ শেষে মনিরামপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ থেকে বের হওয়ার সময় যশোর জেলা জামায়াতের শুরা সদস্য মাওলানা মহিউল ইসলাম, উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক আহসান হাবিব লিটনসহ নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা চালানো হয়। আহত জামায়াত নেতা আহসান হাবিব লিটন বলেন, ‘নামাজ শেষে দলীয় কার্যালয়ের সামনে অবস্থানকালে বিএনপির নেতা-কর্মীরা অতর্কিত হামলা চালায়।’অন্যদিকে, মনিরামপুর থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান মিন্টু দাবি করেন, জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা আগে তরকারি বাজারে হামলা চালিয়ে ছাত্রদলের সালিমুন হোসেন ও আল মামুনকে আহত করেন। পরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং সংঘর্ষে তাঁদের দলের আরও ৮-১০ জন আহত হন। এদিকে সংঘর্ষের জেরে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার চালকিডাঙ্গা বাজারে ছাত্রদল কর্মী আসাদুজ্জামান সবুজের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। একই সময়ে বাধাঘাটা এলাকায় আনাস নামে এক শিবিরের কর্মী হামলায় আহত হন।মনিরামপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) বদরুজ্জামান বলেন, পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখনো কোনো পক্ষ থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়নি।সূত্র জানায়, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহির দায়ান আমিন বৃহস্পতিবার চারটি পয়েন্টে নিলামের মাধ্যমে হরিহর নদ খননের মাটি বিক্রি করেন। পরে সেই মাটি বেশি দামে বিক্রি করে অর্জিত অর্থ ভাগাভাগি নিয়ে বিএনপি ও জামায়াতের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে।
