‘লাইন ক্লিয়ার’ সংকেতে ছোটেন চোরাকারবারিরা
Why this classification
This is a single, concrete incident on 8 May 2026 at the Pathariyadwar border in Kasba, where gunfire from the Indian border force killed two smugglers returning with illegal goods. The rest of the article is general background and seizure statistics, so it was used only for this specific shooting.
Killed
2
Injured
0
Summary
৮ মে ২০২৬ রাতে কসবা উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নের পাথারিয়াদ্বার সীমান্তে চোরাচালানের মালামাল নিয়ে ভারত থেকে ফেরার সময় বিএসএফের গুলিতে দুজন নিহত হন। এ ঘটনায় দুই পরিবারে শোক ও আহাজারি চলছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
75% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 2
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Law Enforcement
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 08/05/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (3 sources)
সীমান্তের তিন গ্রামজুড়ে নিস্তব্ধতা
বিএসএফের গুলিতে দুই মৃত্যু সীমান্তের তিন গ্রামজুড়ে নিস্তব্ধতা ছবি: ফাইল মো. সোলেমান খান, কসবা (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রকাশ: ১১ মে ২০২৬ | ০৭:৩৩ ‘গ্রামের অধিকাংশ ছেলে রাতের আঁধারে মালপত্র টানতে চলে যায়। বড় বড় চোরাকারবারিরা ছেলেদেরকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেয়। পুলিশ, বিজিবি, বিএসএফ সবাই মিলেই চোরাকারবারিদের সুযোগ করে দেয়। তাহলে কেন আবার জীবন কেড়ে নেয়?’ ক্ষোভের সুরে কথাগুলো বলছিলেন কসবার ধ্বজনগর গ্রামের সাইফুল মিয়ার স্ত্রী রিনা বেগম। এই গ্রামের হেবজু মিয়ার ছেলে মোরছালিন ও মানিক্যমুড়ি গ্রামের নবীর হোসেন শুক্রবার গভীর রাতে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে নিহত হন। এদিন বেশ কয়েকজন আহত হয়েছিলেন। নিহত দুজনের মরদেহ শনিবার বিকেলে হস্তান্তরের পর এদিন রাতেই নিজ নিজ গ্রামে দাফন হয়েছে। গতকাল রোববার উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নের তিনটি গ্রামে গিয়ে জানা গেছে, আহত ব্যক্তিরা অন্য জায়গায় লুকিয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। নবীর হোসেনের (৫৫) মা জাহেরা বেগম (৯০) পুত্র শোকে কাতর। বুক চাপড়িয়ে তিনি বলছিলেন, ছেলের আগে কেন তাঁর মৃত্যু হলো না? কলেজছাত্র মোরছালিনের বাবা হেবজু মিয়া ঘরের দরজায় বসে ছোট ছেলের কবরের দিকে তাকিয়ে ছিলেন। তাঁকে সান্ত্বনা দিতে এসেছিলেন মোরছালিনের সহপাঠী হৃদয় ও জাহিদ হাসান। বন্ধুর কবর জিয়ারত করে ফুপিয়ে ফুপিয়ে কাঁদছিলেন তারা। ছেলের বন্ধুদের বুকে জড়িয়ে ধরে হেবজু মিয়া ফরিয়াদ করেন, যারা তাঁর ছেলেকে আঁধারে ডেকে নিয়েছে, ছেলেকে কুপথে নিয়েছে- আল্লাহ যেন তাদের বিচার করেন। হেবজু মিয়ার ভাষ্য, পাশের বাড়ির সাইফুল মিয়ার ছেলে তোফাজ্জল ও রিয়াজুল শুক্রবার রাতে তাঁর ছেলেকে ডেকে নিয়ে যান। সাইফুলের বাড়িতে গিয়ে কথা হয় তাঁর স্ত্রী রিনা বেগমের সঙ্গে। তিনি চোরাকারবারের সুযোগ তৈরি করে দেওয়ার জন্য পুলিশ-বিজিবি-বিএসএফকে দায়ী করেন। একই ঘটনায় গুলিবিদ্ধ ধ্বজনগর গ্রামের মুক্তার হোসেনের বাড়িতে গিয়ে পাওয়া যায় বৃদ্ধ বাবা মুলুক হোসেনকে। তিনি বলেন, শুক্রবার রাত থেকেই ছেলে বাড়িতে নাই। তিনি জানতে পেরেছেন বিএসএফের গুলিতে সে আহত হয়েছে। তবে কোথায় চিকিৎসা করছে তিনি জানেন না। একই কথা জানালেন পাথরিয়াদ্বার গ্রামের নেহারা বেগম। তাঁর ছেলে জুবায়ের হোসেন বাবুও একই রাতে আহত হয়েছে বলে শুনেছেন। তবে কোথায় চিকিৎসা করছে জানেন না। ছেলের সঙ্গে যোগাযোগও হয়নি। নেহারা বেগম বলেন, ‘এলাকার অনেক ছেলেই রাতের বেলা মালপত্র টানে। লোভ সামলাতে পারে না। সন্ধ্যার পর ছেলেদের ঘরে রাখা যায় না। ৫০০ টাকা, ৭০০ টাকার লোভ করে জীবন শেষ।’ মানিক্যমুড়ি গ্রামের বাহার উদ্দিন (৪০) গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তবে তিনি কোথায় চিকিৎসা নিচ্ছেন সে তথ্য জানা নেই স্ত্রী মোমেনা বেগমের। তাঁর স্বামী শুক্রবার আসরের নামাজের পর বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন জানিয়ে বলেন, কোথায় আছে কিছুই জানেন না। ধ্বজনগর, পাথরিয়াদ্বার, মানিক্যমুড়ি গ্রামগুলো পাশাপাশি। সীমান্ত ঘেঁষা এসব গ্রামের তিনটি পয়েন্টে নানা পণ্য চোরাচালান হয়। ধ্বজনগরের উজ্জল মিয়া বলেন, অধিকাংশ মানুষই প্রত্যক্ষ-পরোক্ষভাবে চোরাচালানে জড়িত। শুক্রবার রাতে দুটি গ্রুপের ৩৫-৪০ জন মাছের পোনা আনতে গিয়েছিল। এদের মধ্যে দুজন মারা গেল। তিন-চারজন আহত হলো। বাকি মানুষগুলো কোথায় হদিস পাওয়া যাচ্ছে না। অভিযানে আটক ২ এদিকে গতকাল গোপীনাথপুর ইউনিয়ন এলাকা থেকে দুই চোরাকারবারিকে আটক করেছে পুলিশ। তারা হলেন– মালু মিয়া (৩৮) ও মনির হোসেন (৩৫)। কসবা থানার ওসি নাজনীন সুলতানা বলেন, সীমান্তে অবৈধ কার্যক্রম রোধে পুলিশের অভিযান চলছে। সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে। - বিষয় : - ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সংঘর্ষ
সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত ২ বাংলাদেশির মরদেহ ফেরত দিল ভারত
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার ধজনগর সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে নিহত দুই বাংলাদেশির মরদেহ বিজিবির কাছে হস্তান্তর করেছে ভারত। শনিবার (৯ মে) বিকেলে কসবা উপজেলার ক্ষিরনাল সীমান্তের মেইন পিলার ২০৩৬ এলাকায় ব্যাটালিয়ন পর্যায়ের পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে মরদেহ দুটি বাংলাদেশে ফেরত দেওয়া হয়। নিহতরা হলেন- উপজেলার ধজনগর গ্রামের হেবযু মিয়ার ছেলে মো. মুরসালিন এবং মধুপুর গ্রামের মকরম আলীর ছেলে নবীর হোসেন। এর আগে শুক্রবার দিবাগত রাত ১টার দিকে ধজনগর-পাথারিয়াদ্বার সীমান্ত এলাকায় বিএসএফের গুলিতে তারা নিহত হন। এ ঘটনায় আরও ১৫ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গভীর রাতে সীমান্ত এলাকায় একদল ব্যক্তি অবস্থানকালে বিএসএফ সদস্যরা তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এতে মুরসালিন ও নবীর হোসেনসহ কয়েকজন গুলিবিদ্ধ হন। পরে ভারতের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই দুইজনের মৃত্যু হয় বলে বিএসএফ কর্তৃপক্ষ বিজিবিকে জানায়। এদিকে বিজিবির পক্ষ থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করা হয়, প্রায় ১৫ জন বাংলাদেশি চোরাকারবারি ভারতীয় চোরাকারবারিদের সহায়তায় চোরাচালানের উদ্দেশে প্রায় ২০০ গজ ভারতের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে। পরে বিএসএফের বাধার মুখে উভয় পক্ষের মধ্যে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে বিএসএফ সদস্যরা দুই রাউন্ড ছররা গুলি ছোড়ে। মরদেহ হস্তান্তরের সময় বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দেন ৬০ বিজিবি ব্যাটালিয়নের (সুলতানপুর) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস. এম. শরিফুল ইসলাম এবং কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজনীন সুলতানা। ভারতের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন বিএসএফ ৪৯ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল অজিত কুমার সিং ও বিশালঘর থানার একাধিক অফিসার। বিজিবি জানায়, এ ঘটনায় বিএসএফকে প্রটেস্ট নোট (প্রতিবাদলিপি) দেওয়া হয়েছে। সীমান্ত পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে। আরএআর
‘লাইন ক্লিয়ার’ সংকেতে ছোটেন চোরাকারবারিরা
আখাউড়া, কসবা ও বিজয়নগর সীমান্ত ‘লাইন ক্লিয়ার’ সংকেতে ছোটেন চোরাকারবারিরা Advertisement মহিউদ্দিন মিশু, আখাউড়া (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রকাশ: ১৬ মে ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যঘেঁষা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া, কসবা ও বিজয়নগর উপজেলা এখন মাদক ও চোরাচালানের অন্যতম প্রধান ট্রানজিট পয়েন্টে পরিণত হয়েছে। সন্ধ্যা নামলেই এখানে সক্রিয় হয়ে ওঠেন চোরাকারবারিরা। বিজিবি ও পুলিশের নজরদারি সত্ত্বে ১৩৬ কিলোমিটার সীমান্ত দিয়ে দেদার ঢুকছে গাঁজা, মদ, ফেনসিডিল, স্কফ, ইয়াবাসহ বিভিন্ন নিষিদ্ধ পণ্য। শুধু বিজয়নগরের এক ইউনিয়নেই মিলেছে ৬১টি মাদক স্পট। পুলিশ জানিয়েছে, চোরাকারবারি ও মাদক ব্যবসায়ীদের তালিকা তৈরি করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। সীমান্ত এলাকা ঘুরে জানা যায়, আখাউড়া, কসবা ও বিজয়নগর সীমান্তে মাদক ও চোরাকারবারিদের একটি চক্র গড়ে উঠেছে। তারা নানা কৌশলে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে অবৈধ পণ্য নিয়ে আসে। সন্ধ্যার পর চোরাকারবারি দল প্রস্তুত হয়ে থাকে। সীমান্ত অঞ্চলে তাদের ‘লাইনম্যান’ রয়েছে। সুযোগ বুঝে তারা চোরাকারবারিদের মোবাইল ফোনে সংকেত দেয়-‘লাইন ক্লিয়ার’। এরপর সীমান্তের দিকে এগোতে থাকে কারবারিরা। তারা কাঁটাতারের বেড়া কেটে, খাল কিংবা সীমান্তের কালভার্টের ভেতরে হামাগুড়ি দিয়ে শূন্যরেখা পার হয়ে ভারতে প্রবেশ করে। সেখানে তাদের অপেক্ষায় থাকে ভারতীয় চোরাকারবারিরা। এরপর দ্রুত মালামাল সংগ্রহ করে ফিরে আসে তারা। ৮ মে রাতে কসবা উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নের পাথারিয়াদ্বার সীমান্ত দিয়ে মাদকসহ অবৈধ চোরাচালান আনতে ভারতে প্রবেশ করে অন্তত ১৫ জন। অবৈধ পণ্য নিয়ে ফেরার সময় বিএসএফ-এর গুলিতে দুজন নিহত হন। এ ঘটনায় দুই পরিবারে আহাজারি এখনো থামেনি। জানা যায়, ত্রিপুরা রাজ্যঘেঁষা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সুলতানপুর ব্যাটালিয়নের (৬০ বিজিবি) অধীনে ৭৯ কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে। এছাড়া সরাইল বিজিবির (২৫ ব্যাটালিয়ন) অধীনে ৫৭ কিলোমিটার সীমান্ত। সুলতানপুর বিজিবি জানুয়ারি থেকে ১০ মে ৮৮ কোটি ৬২ লাখ ৫৭ হাজার ৪৬০ টাকা মূল্যের নিষিদ্ধ পণ্যসহ মাদকদ্রব্য জব্দ করে। ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফট্যানেন্ট কর্নেল শরিফুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, সীমান্ত নিরাপত্তা ও মাদক চোরাচালানি বন্ধে বিজিবির জওয়ানরা সতর্ক রয়েছে। একই সময়ে সরাইল বিজিবি ৩৩ কোটি ৩৪ লাখ ৩৮ হাজার ৩০৯ টাকা মূল্যের নিষিদ্ধ পণ্যসহ মাদকদ্রব্য জব্দ করে। ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফট্যানেন্ট কর্নেল জাব্বার আহমেদ যুগান্তরকে বলেন, মাদক চোরাচালানিসহ অবৈধ অনুপ্রবেশ কিংবা সীমান্ত হত্যা বন্ধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা হয়েছে। সীমান্তজুড়ে অতিরিক্ত বিজিবি জওয়ান মোতায়েন করা হয়েছে। জানা যায়, আখাউড়া উপজেলার সেনারবাদী সীমান্তে চোরাকারবারিতে সক্রিয় রয়েছে ফেন্সি কালো, ইদন, সোহাগ ও জনি। বাউতলা সীমান্তে বাউতলা পশ্চিমপাড়ার আলামিন খন্দকার, শফিকুল ইসলাম শুভা, ইয়ার মোহাম্মদ, রবিউল ইসলাম রবি, হারুন ও সাত্তার। জয়নগর ও ছয়ঘরিয়া সীমান্তে পিয়ারুন ও ইদন (হুন্ডি), রতন, শামীম, বশির, উমেদপুরের সুমন, মৃণাল এবং সেলিম ও তার ভাই ফারুক। মনিয়ন্দ কর্নেলবাজার সীমান্তে লাক্সু, খুলিল, খারকোটের হাসান, বাশার ও সজিব। হীরাপুর সীমান্তে হেবজুর ছেলে আলামিন, ধলেশ্বর গ্রামের কিবরিয়া এবং আজমপুর সীমান্তে সক্রিয় চোরাকারবারি মিন্টু চৌধুরী, সেলিম ভূঁইয়া ও রমজান ভূঁইয়া। কসবা উপজেলা সীমান্তবর্তী গোপীনাথপুর, কাইয়্যুমপুর ও বায়েক ইউনিয়নের চিহ্নিত মাদক চোরাকারবারিরা হলেন জেটুয়ামোড়ার নাইম, সিরাজ, জালাল, খিরনাল গ্রামের জমির, নোয়াগাঁওয়ের মালু, মানিক্যুমুরি এলাকার জামাই সুহেল ও বাহার, সীমাঘেঁষা ধজনগর গ্রামের সোর্স স্বপন, তোফাজ্জল, রিয়াজুল মুক্তো, শরিফ, মোশাররফ, হানিফ, নাজিব, হাসান ও রাসেল। বিজয়নগর উপজেলার পাহাড়পুর, বিষ্ণুপুর ও সিঙ্গারবিল-এই তিনটি সীমান্তঘেঁষা ইউনিয়ন মাদকের সবচেয়ে বড় ট্রানজিট পয়েন্ট। এ সীমান্তে মাদকচক্রে জড়িতরা হলেন-জুয়াড়ি মানিক, মতু মিয়া ওরফে মিস্টু, রহমান ওরফে কালু, ফরিদা বেগম ওরফে মদিনা, নিলুফা, ফজলুর রহমান ওরফে বজলু, জয়, রুমেল রুনু, শাহ পরাণ, জুনায়েদ, সজল ও বাছেদ। সম্প্রতি জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশ সুপার শাহ মো. আবদুর রউফ বলেন, মাদক ব্যবসায়ীদের তালিকা করতে গিয়ে জেলার সীমান্তবর্তী বিজয়নগর উপজেলার শুধু সিঙ্গারবিল ইউনিয়নের একটি অংশে ৬১টি মাদক স্পট পাওয়া গেছে। যেখানে হাত বাড়ালেই মদ, গাঁজা, ফেনসিডিল ও ইয়াবার মতো মাদক পাওয়া যায়। তিনি বলেন, মাদক চোরাকারবারি প্রতিরোধে আখাউড়া, কসবা ও বিজয়নগর উপজেলার গ্রাম ও পাড়া-মহল্লাভিত্তিক মাদক ব্যবসায়ী ও অপরাধীদের তালিকা করা হচ্ছে।
