অধ্যক্ষের যোগদানে ছাত্রদলের হট্টগোল, নিয়োগ বাতিলের দাবি
Why this classification
The incident involved political protesters attempting to block an official's joining and engaging in verbal altercations and commotion, which constitutes minor political unrest.
Killed
0
Injured
0
Summary
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের নবনিযুক্ত অধ্যক্ষের যোগদানকালে ছাত্রদল কর্মীদের বিক্ষোভ ও হট্টগোলের ঘটনা ঘটে। তারা অধ্যক্ষের নিয়োগ বাতিলের দাবিতে এবং তাকে আওয়ামী লীগের দোসর আখ্যা দিয়ে প্রতিবাদ জানান।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
85% · severity 2
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Awami League
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 11/08/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
অধ্যক্ষের যোগদানে ছাত্রদলের হট্টগোল, নিয়োগ বাতিলের দাবি
ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের নবনিযুক্ত অধ্যক্ষকে ‘আওয়ামী লীগের দোসর’ আখ্যায়িত করে যোগদানে বাধা দেওয়ার চেষ্টা ও হট্টগোলের অভিযোগ উঠেছে ছাত্রদলের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুরে কলেজটির প্রশাসনিক শাখার অধ্যক্ষের কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। পরে অধ্যক্ষের কার্যালয়ের সামনে‘ফ্যাসিবাদের দোসর, স্বাচিপের সক্রিয় সদস্য’ লেখা সংবলিত একটি ব্যানারে অধ্যক্ষের নিয়োগ বাতিলের দাবি জানানো হয়। জানা যায়, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজে অধ্যক্ষ হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির অর্থোপেডিক সার্জারি বিভাগের অধ্যাপক সৈয়দ আসিফ-উল আলমকে নিয়োগ দেওয়া হয়। গতকাল সোমবার (১০ আগস্ট) উপ-সচিব দূর-রে-শাহওয়াজ স্বাক্ষরিত ওই প্রজ্ঞাপনে আগামী ১৬ আগস্টের মধ্যে যোগ দিতে বলা হয়। ওই প্রজ্ঞাপন জারির পরের দিন আজ মঙ্গলবার দুপুরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে যোগদান করেন সৈয়দ আসিফ-উল আলম। তার যোগদানের খবর পেয়ে কলেজ শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মো. মুস্তাকীম কবিরের নেতৃত্বে সাত থেকে আটজন নেতাকর্মী অধ্যক্ষের কার্যালয়ে যান। তাদের মধ্যে কয়েকজন কলেজ শাখার বর্তমান কমিটিতে থাকলেও সকলেই প্রাক্তন শিক্ষার্থী। এ সময় যোগদানে বাধা দেওয়ার চেষ্টা চালান তারা। তখন শিক্ষকদের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়িয়েও পড়েন। খবর পেয়ে সেখানে ছুটে যায় কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ (ওসি) পুলিশ সদস্যরা। একপর্যায়ে দুপুর পৌনে ১২টার দিকে সাবেক অধ্যক্ষ দিলরুবা জেবা দায়িত্ব হস্তান্তর করেন এবং নতুন অধ্যক্ষ হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করেন সৈয়দ আসিফ-উল আলম। পরে তাকে কলেজটির ছাত্রদলের কর্মী পরিচয়ে একটি পক্ষ ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। এরপর শিক্ষক-কর্মচারীসহ অন্যরা শুভেচ্ছা জানান। তখন ওই কক্ষ থেকে বের হয়ে যান প্রতিবাদকারী ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ এবং কার্যালয়ের সামনে ব্যানার নিয়ে দাঁড়িয়ে নিয়োগ বাতিলের দাবি জানান। এ সময় সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক মো. মুস্তাকীম কবির বলেন, ফ্যাসিবাদের পতনের দীর্ঘ দুই বছর পরেও আওয়ামী লীগ-সংশ্লিষ্ট একজনকে অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি স্বাচিপের সদস্য হিসেবে রয়েছেন এবং আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে সখ্যতা রয়েছে তার। এর মধ্যে গত ২৬ জুলাই তাকে ড্যাবের ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ শাখার আহ্বায়ক করা হলেও দুই দিনের মধ্যে ওই কমিটি বাতিল করা হয়। এরপর নতুন করে তাকে কীভাবে অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। আমরা দ্রুত তার নিয়োগ বাতিলের দাবি জানাই এবং ফ্যাসিবাদীদের পুনর্বাসন বন্ধ করতে হবে। এসময় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ছাত্রদলের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি ইয়ামিন রেজা বর্ণ, সহ-সভাপতি সাজ্জাদুল ইসলাম, ছাত্রদল কর্মী ও ২০তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ডা. শাওন, বর্তমান শিক্ষার্থী সাফায়েত শিমুল। তারা দাবি করেন, নবনিযুক্ত অধ্যক্ষের নিয়োগ বাতিল করে জাতীয়তাবাদী শক্তির কোনো শিক্ষককে অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হোক। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেন নবনিযুক্ত অধ্যক্ষ ডা. সৈয়দ আসিফ-উল আলম। এছাড়া কোনো হট্টগোল ও কেউ বাধা দেয়নি বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, যোগদান সুষ্ঠুভাবে সম্পূর্ণ হয়েছে। এজন্য পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম ও ফরিদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য চৌধুরী নায়াব ইউসুফ আহমেদকে ধন্যবাদ জানাই। এছাড়া কৃতজ্ঞতা জানাই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে। উনি আমাকে যে পদ দিয়েছেন, আমি যেন তার মান-সম্মান রক্ষা করতে পারি। ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের নবাগত অধ্যক্ষের যোগদান অনুষ্ঠানে বিশৃঙ্খলার কথা শুনে আমিসহ আমার ফোর্স গিয়েছিল। তবে সেখানে বড় ধরনের কোনো বিশৃঙ্খলা হয়নি। পরে শান্তিপূর্ণভাবে নতুন অধ্যক্ষ দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। জহির হোসেন/এসএইচএ
