যুবদল নেতাকে রাতে ডেকে নেওয়ার পর নিখোঁজ, মাছের ঘেরে মিলল লাশ
Why this classification
This incident was classified as criminal violence in Noakhali. Parties reported: Jubo Dal, Jubo League. Reported casualties: 1 killed and 0 injured. Reported by 1 source.
Killed
1
Injured
0
Summary
নোয়াখালীর কবিরহাটে নিখোঁজ হওয়ার পর মাছের ঘের থেকে মো. আজাদ নামে এক যুবদল নেতার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ প্রাথমিকভাবে এটি হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করছে এবং তদন্ত শুরু করেছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
74% · severity 7
Parties involved
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 07/08/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
যুবদল নেতাকে রাতে ডেকে নেওয়ার পর নিখোঁজ, মাছের ঘেরে মিলল লাশ
মো. আজাদছবি: সংগৃহীত নোয়াখালীর কবিরহাটে এক যুবদল নেতার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁর নাম মো. আজাদ (২৫)। তিনি কবিরহাট পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের প্রচার সম্পাদক। গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। আজ শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে স্থানীয় লোকজনের তথ্যের ভিত্তিতে বাড়ির পেছনে একটি মাছের ঘেরে তাঁর লাশ পাওয়া যায়। নিহত আজাদ কবিরহাট পৌরসভার দক্ষিণ আলীপুর গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর বাবার নাম মৃত ফজল হক। তিনি চা–দোকানি ছিলেন। পুলিশ ও স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গতকাল রাত একটার দিকে আজাদকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর তিনি আর বাড়িতে ফেরেননি। সকালে পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর সন্ধান পাননি। পরে আজ বিকেলে বাড়ির পেছনে একটি মাছের ঘেরের পানিতে আজাদের লাশ ভাসতে দেখে স্থানীয় লোকজন পুলিশে খবর দেন। কবিরহাট পৌরসভা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, আজাদ তাঁর চাচাতো ভাই নিজাম ও ফারুকের সঙ্গে নিয়মিত চলাফেরা করতেন। নিজাম ও ফারুক পেশায় রাজমিস্ত্রি। তাঁদের বিরুদ্ধে মাদক সেবনের অভিযোগ রয়েছে। আজাদ নিখোঁজ হওয়ার পর সকাল থেকেই ফারুকের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। পরে পরিবারের লোকজন নিজামকে আজাদের বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তিনি অসংলগ্ন ও আক্রমণাত্মক আচরণ করেন। দুপুর বা বিকেলের দিকে নিজামও এলাকা ছেড়ে চলে যান। বর্তমানে দুই ভাই পলাতক। মোস্তাফিজুর রহমান আরও বলেন, ফারুকের বড় ভাই রফিক ৮ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক। আজাদের চা–দোকানের পাশেই রফিকেরও একটি চা–দোকান রয়েছে। রফিক ও তাঁর দুই ভাই যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। রাজনৈতিক কারণে অতীতে আজাদ হামলার শিকার হলেও সাম্প্রতিক সময়ে তাঁদের মধ্যে কোনো সরাসরি বিরোধ ছিল না। তবে মাদক সেবনে বাধা দেওয়া বা আড্ডাকে কেন্দ্র করে এ হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে বলে তাঁর ধারণা। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িত ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। এ ঘটনায় সন্দেহভাজন একই বাড়ির বাসিন্দারা আত্মগোপনে থাকায় তাঁদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। কবিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রোমেল বড়ুয়া প্রথম আলোকে বলেন, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনার কারণ অনুসন্ধান এবং জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশ কাজ শুরু করেছে। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন নোয়াখালীযুবদলঅপরাধচট্টগ্রাম বিভাগহত্যা
