মানব পাচার: লিবিয়ায় আটকে মুক্তিপণ দাবি, এক গ্রেপ্তার

AI-classifiedconfidence 85%

Why this classification

ঘটনাটি মানব পাচার ও মুক্তিপণ আদায়ের একটি অপরাধমূলক কার্যক্রম। এতে কোনো রাজনৈতিক দল বা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য জড়িত নেই, তাই এটি রাজনৈতিক সহিংসতা নয়।

Reported by:Dhaka PostSingle source
29/09/26•কাড়িহাতা গ্রাম, কাপাসিয়া থানা

Killed

0

Injured

0

Summary

ইতালি পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে ২৫ লাখ ৯৫ হাজার টাকা নিয়ে লিবিয়ায় পাঠিয়ে আটকে রেখে আরও ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি ও নির্যাতনের অভিযোগে সিআইডি মো. আবুল হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে। ২০২৬ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর গাজীপুরের কাপাসিয়ায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

85% · severity 6

Perpetrator side

Human Trafficking Ring

Victim side

Victim

Other actors

মো. আবুল হোসেনসিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মো. ছুফি উল্লাহ

Tags

Human TraffickingExtortionRansom

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Human Trafficking Ring

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Victim

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 29/09/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Dhaka Post · 30/09/26open original ↗

২৬ লাখে ইতালি পাঠিয়ে নারীকে জিম্মি-নির্যাতনে আরও ১০ লাখ টাকা দাবি

ইতালি পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে ২৫ লাখ ৯৫ হাজার টাকা নেওয়ার পরে লিবিয়ায় পাঠিয়ে আটকে রেখে আরও ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি ও নির্যাতনের অভিযোগে মো. আবুল হোসেন (৬৯) নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) মো. ছুফি উল্লাহ এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাত ৭টার দিকে গাজীপুরের কাপাসিয়া থানাধীন কাড়িহাতা গ্রামে অভিযান চালিয়ে মামলার এজাহারনামীয় আসামি মো. আবুল হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি ওই গ্রামের বান্দুমিয়ার ছেলে। সিআইডি জানায়, মামলার বাদীকে ইতালি পাঠানোর কথা বলে আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে বিভিন্ন সময়ে তার কাছ থেকে মোট ২৫ লাখ ৯৫ হাজার টাকা নেন। পরে ২০২৪ সালের ১২ জুন তাকে লিবিয়ায় পাঠানো হয় বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। লিবিয়ায় পৌঁছানোর পর মানব পাচার চক্রের সহযোগীরা তাকে একটি স্থানে আটকে রেখে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ সময় তার পরিবারের কাছে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। মুক্তিপণের টাকা দিতে না পারায় তাকে আরও নির্যাতন করা হয় বলে বাদিনী অভিযোগ করেছেন। একপর্যায়ে সুযোগ বুঝে ওই স্থান থেকে পালিয়ে অন্যত্র আশ্রয় নেন তিনি। পরে লিবিয়া পুলিশ তাকে আটক করে এবং ২০২৪ সালের ১৬ অক্টোবর বাংলাদেশে ফেরত পাঠায়। এ ঘটনায় ২০২৫ সালের ২১ সেপ্টেম্বর ঢাকার মিরপুর মডেল থানায় মামলা করেন ভুক্তভোগী। মামলাটি মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২-এর ৭, ৮, ৯ ও ১০ ধারায় করা হয়। সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মো. ছুফি উল্লাহ বলেন, মামলার তদন্তভার পাওয়ার পর প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্ত যাচাই-বাছাই করে মানব পাচারের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত শুরু করে সিআইডি। তদন্তের প্রাথমিক পর্যায়ে গ্রেপ্তার আবুল হোসেনের ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া যায়। পরে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তার অবস্থান শনাক্ত করে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সিআইডি আরও জানায়, গ্রেপ্তার আবুল হোসেনের বিরুদ্ধে মিরপুর থানায় মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনের একই ধারায় আরও একটি মামলা রয়েছে। ২০২৫ সালের ২ অক্টোবর করা ওই মামলাতেও তিনি এজাহারনামীয় আসামি। গ্রেপ্তার আবুল হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদনসহ আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলাটির তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। জেইউ/এসএএস