ভোটকেন্দ্রে প্রকাশ্যে ভোট দেওয়ার ঘটনায় প্রিসাইডিং কর্মকর্তাসহ ৩ জন প্রত্যাহার
Why this classification
The article reports that six agents of an independent candidate were allegedly beaten and forced out of a polling centre by BNP-symbol supporters on polling day, which is a concrete, recent physical attack. The presiding officer denies the allegation, so the report is unverified, but the event is specific and election-related.
Killed
0
Injured
0
Summary
ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) আসনের কংশেরকুল উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে (১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) ধানের শীষ প্রতীকের সমর্থকেরা স্বতন্ত্র প্রার্থীর ছয়জন এজেন্টকে মারধর করে কেন্দ্র থেকে বের করে দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া প্রকাশ্যে ভোট দেওয়ার ঘটনায় প্রিসাইডিং কর্মকর্তাসহ তিনজনকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
60% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Independent Candidate
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 12/02/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
ভোটকেন্দ্রে প্রকাশ্যে ভোট দেওয়ার ঘটনায় প্রিসাইডিং কর্মকর্তাসহ ৩ জন প্রত্যাহার
ভোটকেন্দ্রে প্রকাশ্যে ভোট দেওয়ার ঘটনায় প্রিসাইডিং কর্মকর্তাসহ ৩ জন প্রত্যাহার ভালুকার কংশেরকুল উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে দুজনকে প্রকাশ্যে ভোট দিতে দেখা যায়। সমকাল প্রতিবেদক প্রকাশ: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ১৬:৫৬ | আপডেট: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ১৯:০৫ ময়মনসিংহ–১১ (ভালুকা) আসনের একটি ভোটকেন্দ্রে প্রকাশ্যে ভোট দেওয়ার ঘটনায় প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ও দুই পোলিং কর্মকর্তাকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বেলা দেড়টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ভালুকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফিরোজ হোসেন। উপজেলার বিরুনিয়া ইউনিয়নের কংশেরকুল উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে অভিযোগ ওঠে, সকাল থেকে ভোটারদের গোপন কক্ষে না গিয়ে প্রকাশ্যেই ব্যালটে সিল মেরে বাক্সে ফেলতে বাধ্য করা হচ্ছিল। সংশ্লিষ্টদের দাবি, কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা বিষয়টি ঠেকাতে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেননি। দীপালি আক্তার নামের এক নারী ভোটার অভিযোগ করেন, নির্দিষ্ট প্রতীকে ভোট না দিলে বাড়িঘর ভাঙচুরের হুমকি দেওয়া হয়েছে। তাঁর ভাষ্য, “তাঁরা দেখতেছে, আমরা ভোট কই দেই। তাইলে এখানে গোপনে ক্যারে; পর্দা দিছে কেরে—ভোট দোহায়া দিবার লাইগ্যা? যার যেহান ইচ্ছা, হেইনে ভোট দিব।” এই কেন্দ্রে মোট ছয়টি বুথে ২ হাজার ৮৭৬ জন ভোটার রয়েছেন, নারী ও পুরুষ সমানসংখ্যক—১ হাজার ৪৩৮ জন করে। সকাল সাড়ে ৭টা থেকে সাড়ে ৯টা পর্যন্ত প্রথম দুই ঘণ্টায় পড়ে ৪৩০টি ভোট। পরে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত ভোট পড়ে ৯২০টি। কেন্দ্রে সব প্রার্থীর এজেন্ট উপস্থিত ছিলেন না। বিএনপি ও গণ অধিকার পরিষদের এজেন্টরা সব বুথে থাকলেও দুটি বুথে এনসিপি এবং একটি বুথে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী মুহাম্মদ মোর্শেদ আলমের এজেন্ট ছিলেন। স্বতন্ত্র প্রার্থীর এজেন্ট এশফাকুর রহমান অভিযোগ করেন, সকালে কেন্দ্রে গেলে ধানের শীষ প্রতীকের সমর্থকেরা তাঁদের ছয় এজেন্টকে মারধর করে বের করে দেন। পরে সেনাবাহিনীর সহায়তায় কেন্দ্রে ঢুকলেও বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তাঁকে আবার বেরিয়ে যেতে বাধ্য করা হয়। তবে কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা মজিবুর রহমান এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, ভোট শুরুর সময় ধানের শীষ ও ট্রাক প্রতীকের এজেন্ট ছিলেন, পরে স্বতন্ত্র প্রার্থী ও এনসিপির এজেন্ট যোগ দেন। এজেন্টদের বের করে দেওয়ার বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না বলেও দাবি করেন। প্রকাশ্যে ভোট দেওয়ার ঘটনাও তাঁর চোখে পড়েনি বলে জানান। ইউএনও ফিরোজ হোসেন বলেন, ভোট অবশ্যই গোপনে দেওয়ার নিয়ম। কিন্তু প্রকাশ্যে ভোট দেওয়ার ঘটনায় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা ব্যবস্থা না নেওয়ায় তাঁদের সরিয়ে নতুন কর্মকর্তাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যেই উপজেলার ভালুকা সরকারি কলেজ কেন্দ্রে সকাল থেকেই ভোটারদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। ৭০ বছর বয়সী আজিজুর রহমান বলেন, “১৭ বছর ভোট দিতে পারিনি। এবার সুযোগ এসেছে, তাই দেরি করিনি। একসঙ্গে দুইটা ভোট দিতে পেরে ভালো লাগছে।” সকাল সাড়ে ৭টায় ভোটগ্রহণ শুরুর আগেই ওই কেন্দ্রে নারী ভোটারদের লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। তহুরা খাতুন নামের এক ভোটার জানান, তিনি পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়েছেন এবং গণভোটে ‘হ্যাঁ’ দিয়েছেন। তাঁর মতে, পরিবেশ ভালো, শান্তিতে ভোট দিতে পারছেন। ঝামেলা এড়াতে সকালে ভোট দিতে আসেন কাউসার মাহমুদ। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত পরিবেশ ভালো, সবাই শান্তিপূর্ণ ভোট আশা করছেন। ২০২২ সালে ভোটার হওয়া হাফেজ আহমেদ প্রথমবার ভোট দিয়ে আনন্দ প্রকাশ করে বলেন, “দুইটা ভোট দিতে কষ্ট হবে ভাবছিলাম, কিন্তু সহজেই দিতে পারলাম”—এ আনন্দকে তিনি ইদের সঙ্গে তুলনা করেন। সারাদেশের মতোই বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ময়মনসিংহে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে, চলবে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। দীর্ঘদিন পর অংশগ্রহণমূলক এই নির্বাচনে নারী-পুরুষের পাশাপাশি নতুন ভোটারদের উপস্থিতিও উল্লেখযোগ্য। জেলায় ৫৮৩টি ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রের মধ্যে ১০৮টিকে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে প্রশাসন। তবে সকাল থেকে এখন পর্যন্ত জেলার কোথাও বড় ধরনের গোলযোগের খবর পাওয়া যায়নি। এবার ময়মনসিংহের ১১টি সংসদীয় আসনের ১ হাজার ৩৬৫টি ভোটকেন্দ্রে ৪৭ লাখ ৬৪ হাজার ৯৯ জন ভোটার তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন। এর মধ্যে পুরুষ ২৪ লাখ ৬ হাজার ৮৯২ জন, নারী ২৩ লাখ ৫৭ হাজার ১৬৬ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৪১ জন। জেলায় নতুন ভোটার যুক্ত হয়েছেন ২ লাখ ৫৩ হাজার। - বিষয় : - ময়মনসিংহ - ভালুকা - ভোটকেন্দ্র - অব্যাহতি
