দর্শনায় ‘সর্বহারা পার্টি’র চিঠি

AI-classifiedconfidence 95%

Why this classification

The incident involves a criminal extortion demand of 90 lakh taka sent via letters by a faction identifying as the Sarbahara Party to local businesses, causing panic without direct physical clashes or casualties.

Reported by:JugantorSingle source
21/08/26•Hijolgarhi Bazar, Darsana

Killed

0

Injured

0

Summary

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনার হিজলগাড়ী বাজারের তিনটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের কাছে চিঠির মাধ্যমে ৯০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়েছে। বাংলাদেশ সর্বহারা পার্টির পরিচয়ে পাঠানো এই চিঠিতে টাকা আঞ্চলিক কোষাধ্যক্ষ সাবির আহমেদ শিমুলের কাছে জমা দিতে বলা হয়েছে, যিনি পরে থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

95% · severity 2

Perpetrator side

Bangladesh Sarbahara Party

Victim side

Business Owners

Other actors

সাবির আহমেদ শিমুলমোখলেসুর রহমানমো. নুর উল্লাহ

Affected infrastructure

মালিতা ট্রেডার্সফাতেমা ডায়াগনস্টিক সেন্টাররাসেল স্টোর

Tags

Extortion

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Bangladesh Sarbahara Party

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Business Owners

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 21/08/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Jugantor · 21/08/26open original ↗

দর্শনায় ‘সর্বহারা পার্টি’র চিঠি

দর্শনায় ‘সর্বহারা পার্টি’র চিঠি তিন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ৯০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি Advertisement দামুড়হুদা (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২১ আগস্ট ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ একসময় চরমপন্থিদের রক্তাক্ত তৎপরতায় আতঙ্কের জনপদ হিসাবে পরিচিত চুয়াডাঙ্গায় আবারও আলোচনায় এসেছে ‘সর্বহারা পার্টি’। এবার অস্ত্র কিংবা প্রকাশ্য সন্ত্রাস নয়, ডাকযোগে পাঠানো চিঠিতে জেলার দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা থানার হিজলগাড়ী বাজারের তিন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের কাছে মোট ৯০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়েছে। চিঠিতে নিজেদের ‘বাংলাদেশ সর্বহারা পার্টি’ পরিচয় দিয়ে বলা হয়েছে, সংগঠনটি নির্বাচন কমিশন থেকে নিবন্ধিত হতে যাচ্ছে। সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য অর্থের প্রয়োজন দেখিয়ে এ টাকা চাওয়া হয়েছে। এতে ব্যবসায়ী ও স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। হিজলগাড়ী বাজারের মালিতা ট্রেডার্সের কাছে ৫০ লাখ, ফাতেমা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কাছে ২০ লাখ এবং রাসেল স্টোরের কাছে ২০ লাখ টাকা চাওয়া হয়েছে। চিঠিতে ‘বাংলাদেশ সর্বহারা পার্টি, কেন্দ্রীয় কার্যালয়, ঢাকা’ উল্লেখ করে টাকা সংগঠনের আঞ্চলিক কোষাধ্যক্ষ সাবির আহমেদ শিমুলের কাছে জমা দিতে বলা হয়েছে। চিঠিতে যার নাম ও মোবাইল নম্বর ব্যবহার করা হয়েছে, সেই সাবির আহমেদ শিমুল বিষয়টি নিয়ে দর্শনা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। জিডিতে তিনি বলেন, হিজলগাড়ী বাজারে তার একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। তার নাম ও মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে সর্বহারা পার্টির নামে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চিঠি পাঠানো হচ্ছে। এ বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না। তার নাম ব্যবহার করে তাকে বিপাকে ফেলার চেষ্টা হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। স্থানীয়দের প্রশ্ন, চাঁদা দাবির চিঠির নেপথ্যে কারা? কেন সাবির আহমেদ শিমুলের নাম ও মোবাইল নম্বর ব্যবহার করা হয়েছে? চিঠির সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা আছে কি না, এসব বিষয় এখন তদন্তের কেন্দ্রে। চিঠিগুলো সত্যিই নিষিদ্ধ ঘোষিত কোনো সর্বহারা সংগঠনের পক্ষ থেকে পাঠানো হয়েছে, নাকি পুরোনো কোনো নিষিদ্ধ সংগঠনের নাম ব্যবহার করে কোনো চক্র চাঁদাবাজির চেষ্টা করছে, তা এখনো নিশ্চিত নয়। আশির দশকের শেষভাগ থেকে নব্বইয়ের দশক এবং পরবর্তী সময়ে চুয়াডাঙ্গা-মেহেরপুরসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় সর্বহারা, পূর্ববাংলা কমিউনিস্ট পার্টি, জনযুদ্ধসহ বিভিন্ন চরমপন্থি সংগঠনের তৎপরতা ছিল। আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এসব গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘাত, হত্যা, অপহরণ, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের ঘটনা ঘটত। ফলে ‘সর্বহারা’ নামটি দীর্ঘদিন এ অঞ্চলের মানুষের কাছে আতঙ্কের প্রতীক হয়ে ছিল। দর্শনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) মোখলেসুর রহমান বলেন, বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। দামুড়হুদা-জীবননগর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. নুর উল্লাহ বলেন, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে।