থানায় ভিডিও করার সময় সাংবাদিকের মোবাইল কেড়ে ফেলে দিলেন আসামি

AI-classifiedconfidence 85%

Why this classification

A kidnapping suspect inside Hakimpur police station grabbed a journalist's phone, threw it to the ground, and smashed it while police were present. This is a concrete, recent act of physical destruction against a person, so it qualifies as vandalism. No injuries or deaths were reported.

Reported by:JugantorSamakalCorroborated · 2 sources
13/04/26•Hakimpur Police Station (হাকিমপুর থানা)

Killed

0

Injured

0

Summary

দিনাজপুরের হাকিমপুর থানায় ১৩ এপ্রিল ২০২৬ (সোমবার) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে অপহরণ মামলার আসামি ইমন ভিডিও ধারণের সময় সাংবাদিক মো. মোয়াজ্জেমের হাত থেকে মোবাইল ছিনিয়ে মাটিতে আছড়ে ভেঙে ফেলেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত পুলিশ সদস্যরা কোনো প্রতিবাদ করেননি বলে অভিযোগ রয়েছে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

85% · severity 3

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

ইমন (অপহরণ মামলার আসামি)সাংবাদিক মো. মোকছেদুল মমিন মোয়াজ্জেম (দৈনিক প্রতিদিনের বাংলাদেশ, হাকিমপুর)ডিউটি অফিসার এসআই নাজনীন সুলতানা

Affected infrastructure

সাংবাদিকের মোবাইল ফোন

Tags

Vandalism

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 13/04/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Samakal · 13/04/26open original ↗

রোগীর মৃত্যু ঘিরে উত্তেজনা, ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি

দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল রোগীর মৃত্যু ঘিরে উত্তেজনা, ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের প্রধান ফটকের তালা লাগিয়ে কর্মবিরতি পালন করেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা দিনাজপুর প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৩ এপ্রিল ২০২৬ | ১৭:২৬ দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এক রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে স্বজনদের সঙ্গে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের বাগ্বিতণ্ডা ও ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার জেরে নিরাপত্তার দাবিতে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা প্রায় সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা কর্মবিরতি পালন করেন। সোমবার ভোর সাড়ে ৪টা থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত ইন্টার্ন চিকিৎসকরা সব ধরনের চিকিৎসাসেবা বন্ধ রেখে জরুরি বিভাগের প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে কর্মবিরতি পালন করেন। এতে সাধারণ রোগীরা চিকিৎসাসেবা পেতে ভোগান্তিতে পড়েন। পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, রোববার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে দিনাজপুর শহরের মৃত ইদ্রীস আলীর ছেলে আব্দুস সামাদ (৬৫) বুকে ব্যথা নিয়ে হাসপাতালের দ্বিতীয় তলার সিসিইউ-২ ইউনিটের ৩ নম্বর বেডে ভর্তি হন। রাত দেড়টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। মৃত্যুর খবর পেয়ে স্বজনরা হাসপাতালে ভিড় করেন এবং ভুল চিকিৎসার অভিযোগ তোলেন। একপর্যায়ে তাদের সঙ্গে কর্তব্যরত ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে কোতোয়ালি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে রাত সাড়ে ৩টার দিকে স্বজনরা মরদেহ নিয়ে বাড়িতে চলে যান। এ ঘটনায় শহরের পাটুয়াপাড়া এলাকার নাহিদুর রহমান (৪০) নামে একজনকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ঘটনার পর নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ও জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা কর্মবিরতি শুরু করেন। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে সকাল ১০টার দিকে জরুরি বিভাগের প্রধান ফটকের তালা খুলে চিকিৎসাসেবা পুনরায় চালু করা হয়। দিনাজপুর কোতোয়ালি থানার ওসি নূর নবী জানান, ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং হাসপাতালে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। হাসপাতালের পরিচালক ডা. ফজলুর রহমান বলেন, রোগীটি গুরুতর অবস্থায় ভর্তি হয়েছিলেন এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তিনি অভিযোগ করেন, মৃত্যুর পর রোগীর স্বজনরা চিকিৎসকদের ওপর হামলা চালিয়ে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। তিনি আরও বলেন, ‘প্রতিটি মৃত্যুই দুঃখজনক। তবুও চিকিৎসকরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেন। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে রোগীর মৃত্যু হলেই চিকিৎসকদের ওপর হামলার প্রবণতা বাড়ছে।’ হাসপাতালের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতে সবার সহযোগিতা চেয়েছেন হাসপাতালের এই কর্মকর্তা।

Source 2: Jugantor · 13/04/26open original ↗

থানায় ভিডিও করার সময় সাংবাদিকের মোবাইল কেড়ে ফেলে দিলেন আসামি

থানায় ভিডিও করার সময় সাংবাদিকের মোবাইল কেড়ে ফেলে দিলেন আসামি Advertisement হাকিমপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৪২ পিএম দিনাজপুরের হাকিমপুর থানার ভেতরে ভিডিও ধারণের সময় এক সাংবাদিকের মোবাইল ফোন ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে অপহরণ মামলার আসামি ইমনের বিরুদ্ধে। পুলিশের উপস্থিতিতেই তিনি সাংবাদিকের হাত থেকে মোবাইল ছিনিয়ে নিয়ে ভেঙে ফেলেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। সোমবার (১৩ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে হাকিমপুর থানায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দৈনিক প্রতিদিনের বাংলাদেশের হাকিমপুর উপজেলা প্রতিনিধি মো. মোকছেদুল মমিন মোয়াজ্জেম, সময় টেলিভিশনের হিলি প্রতিনিধি শফিকুল ইসলাম এবং রাইজিংবিডির দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি মোসলেম উদ্দিনসহ কয়েকজন সাংবাদিক থানায় যান। সেখানে হাজতখানা থেকে অপহরণ মামলার আসামি ইমনকে মিডিয়ার সামনে আনার সময় পুলিশের অনুমতি নিয়ে ভিডিও ধারণ শুরু করেন তারা। এ সময় আসামি ইমন হঠাৎ ক্ষিপ্ত হয়ে সাংবাদিক মোয়াজ্জেমের হাত থেকে মোবাইল ফোনটি ছিনিয়ে নেন এবং মাটিতে আছড়ে ফেলে ভাঙচুর করেন। ঘটনাস্থলে উপস্থিত ডিউটি অফিসারসহ অন্যান্য পুলিশ সদস্যরা কোনো প্রতিবাদ করেননি বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ঘটনার পর স্থানীয় সাংবাদিকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। তারা অভিযুক্ত ইমনের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। এ বিষয়ে হাকিমপুর প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মুরাদ ইমাম কবির বলেন, থানার ভেতরে সাংবাদিকের সঙ্গে এমন ঘটনা অত্যন্ত অনাকাঙ্ক্ষিত। একজন সাংবাদিক তথ্য সংগ্রহ ও ভিডিও ধারণ করবেই। আসামির এ ধরনের আচরণ কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। আমরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। পরে সাংবাদিকরা থানায় গিয়ে ওসিকে না পেয়ে ডিউটি অফিসার এসআই নাজনীন সুলতানার সঙ্গে কথা বলতে গেলে তার বিরুদ্ধেও অসহযোগিতার অভিযোগ ওঠে। এরপর তারা থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই মাহফুজুর রহমানকে মৌখিক অভিযোগ জানান। এসআই মাহফুজুর রহমান বলেন, ওসি সাহেব থানার বাইরে রয়েছেন। বিষয়টি তাকে জানানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে থানার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ৩১ মার্চ রাতে হাকিমপুর উপজেলার দক্ষিণ বাসুদেবপুর গ্রামের বাসিন্দা মেহের আলীকে কয়েক কোটি টাকার সম্পত্তির লোভে তার তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রী, ছেলে-মেয়ে ও জামাই ইমন অপহরণ করেন। এ ঘটনায় মেহের আলীর বর্তমান স্ত্রী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পরে গত ১১ এপ্রিল পুলিশ বগুড়া থেকে মেহের আলীকে উদ্ধার করে এবং রোববার রাতে বাংলাহিলি বাজার এলাকা থেকে অভিযুক্ত ইমনকে গ্রেফতার করে। সোমবার দুপুরে তাকে দিনাজপুর আদালতে পাঠানো হয়েছে।