মারতে মারতে বাংলাদেশি যুবককে ধরে নিয়ে গেল বিএসএফ
Why this classification
The article reports a physical attack (beating) on a Bangladeshi youth by BSF personnel at the Darshana border on 13 June 2026, which meets the definition of violence and falls within the 14‑day recency window.
Killed
0
Injured
1
Summary
১৩ জুন সন্ধ্যায় চুয়াডাঙ্গা জেলার দর্শনা-গেদে সীমান্তে ২২ বছর বয়সী জুলফিকারকে বিএসএফ সদস্যরা আটক করে মারধর করে ভারতীয় ভূখণ্ডে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ জানিয়েছে, জুলফিকারকে রেলপথের নিরাপত্তা বেষ্টনী খুলতে গিয়ে আটক করা হয়েছে এবং তাকে ভারতীয় থানায় সোপর্দ করা হতে পারে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
92% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Law Enforcement
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 13/06/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
মারতে মারতে বাংলাদেশি যুবককে ধরে নিয়ে গেল বিএসএফ
চুয়াডাঙ্গার দর্শনা সীমান্তে জুলফিকার (২২) নামে এক বাংলাদেশি যুবককে আটক করে মারধর করতে করতে ভারতীয় সীমান্তে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)-এর বিরুদ্ধে। শনিবার (১৩ জুন) সন্ধ্যার আগ মুহূর্তে দর্শনা-গেদে আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট সংলগ্ন সীমান্ত এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে সীমান্ত এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। আটক জুলফিকার চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা জয়নগর গ্রামের কালো মৌলভীর ছেলে। তিনি দর্শনা পৌর এলাকার রামনগর বিস্কুট ফ্যাক্টরিতে কর্মরত বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। স্থানীয়দের দাবি, শনিবার সন্ধ্যার আগে কয়েকজন সঙ্গীকে নিয়ে সীমান্তবর্তী এলাকায় খড়ি কুড়াতে যান জুলফিকার। এ সময় দর্শনা-গেদে চেকপোস্টের মাঝামাঝি এলাকায় অবস্থানকালে গেদে বিএসএফ ক্যাম্পের সদস্যরা তাদের ধাওয়া করে। সঙ্গে থাকা দুই থেকে তিনজন পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও জুলফিকারকে আটক করে বিএসএফ সদস্যরা। পরে তাকে মারধর করতে করতে ভারতীয় ভূখণ্ডে নিয়ে যাওয়া হয় বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। তবে ঘটনার বিষয়ে ভিন্ন তথ্য দিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়নের (৬ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নাজমুল হাসান জানান, প্রাথমিকভাবে পাওয়া তথ্যে জানা গেছে, জয়নগর গ্রামের কয়েকজন যুবক জিরো পয়েন্ট এলাকায় গিয়ে দর্শনা-গেদে রেলপথের নিরাপত্তা বেষ্টনীর কিছু অংশ খোলার চেষ্টা করছিলেন। এ সময় বিএসএফ সদস্যরা অভিযান চালিয়ে জুলফিকারকে আটক করে। অন্যরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। তিনি আরও জানান, আটক যুবককে ভারতীয় থানায় সোপর্দ করা হতে পারে বলে তারা জানতে পেরেছেন। বিষয়টি নিয়ে বিজিবি প্রয়োজনীয় যোগাযোগ ও পর্যবেক্ষণ অব্যাহত রেখেছে। আফজালুল হক/ডিএ
অপহরণের ৭ দিন পর কিশোরের খণ্ডিত লাশ উদ্ধার
অপহরণের ৭ দিন পর কিশোরের খণ্ডিত লাশ উদ্ধার চুয়াডাঙ্গায় আটক ৩ Advertisement চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ চুয়াডাঙ্গায় অপহরণের সাত দিনের মাথায় রাফিন আহমেদ নামে এক কিশোরের খণ্ডবিখণ্ড ও অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার হয়েছে। শনিবার সদর উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের অর্জুন খালের একটি স্থান থেকে পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে। নিহত রাফিন সদর উপজেলার চিলাভালকি গ্রামের প্রবাসী আকতার আলীর ছেলে। সে পেশায় একজন ভ্যানচালক ছিল। ৫ জুন বিকাল থেকে রাফিন নিখোঁজ ছিল। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তাকে টুকরো টুকরো করে হত্যা করা হয়েছে। এর আগে কয়েক দিন ধরে তার পরিবারের কাছে মোবাইল ফোনে মুক্তিপণ চেয়ে আসছিল অপহরণকারীরা। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ তিনজনকে আটক করেছে। জানা গেছে, ভ্যানচালক রাফিন আহমেদ সামান্য শারীরিক প্রতিবন্ধী ছিল। ৫ জুন বিকালে অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তিরা মোবাইল ফোনে তাকে ডেকে নেয়। এরপর সে নিখোঁজ হয়। পরদিন শনিবার থেকে তারা টানা চার দিন মুক্তিপণ হিসাবে ১২ লাখ টাকা দাবি করে রাফিনের চাচা সাগর আহমেদের কাছে। এরই মধ্যে আলমডাঙ্গা থানায় জিডি করা হয়। পরে অপহরণকারীরা ১২ লাখ থেকে নেমে শেষমেশ ৮ লাখে নামে। রাফিনের পরিবারের লোকজন ওই টাকা জোগাড় ও তাকে মুক্ত করার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠেন। এরপর কেটে যায় আট দিন। পুলিশ তাকে জীবিত উদ্ধারে ব্যর্থ হয়। শুক্রবার বেলা ৫টার দিকে কয়েকজন রাখাল গরু চরাতে গিয়ে অর্জুন খালের একটি ছোট্ট আপার মধ্যে একজনের লাশ দেখতে পায়। পরে সদর থানা পুলিশকে জানালে তারা রাতে ঘটনাস্থলে গেলেও লাশ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। শেষমেশ শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সদর থানা পুলিশ অর্ধগলিত ও খণ্ডবিখণ্ড লাশ উদ্ধার করে সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। স্থানীয় কুতুবপুর ক্যাম্প পুলিশের ইনচার্জ এবি সিদ্দিক বলেন, এ ঘটনায় পুলিশ আগে থেকেই কাজ শুরু করেছে। অপরাধীদের খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে।
