টিকটকে পরিচয়, বিয়ের আশ্বাসে তরুণীকে ডেকে এনে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ
Why this classification
This incident was classified as gender-based violence in Rajbari. Parties reported: Akash Mondal, Jamal Mondal. Reported casualties: 0 killed and 1 injured. Reported by 2 sources.
Killed
0
Injured
1
Summary
২০২৬ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি রাজবাড়ীর পাংশায় বিয়ের প্রলোভনে ডেকে এনে এক তরুণীকে সরকারি আশ্রয়ণ কেন্দ্রে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়। এ ঘটনায় দুই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে এবং পুলিশ তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে।
AI analysis
Category
Gender-Based Violence
Confidence
90% · severity 6
Parties involved
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 27/02/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (4 sources)
প্রেমিকের সন্ধানে রাজবাড়ীতে এসে দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার তরুণী
প্রেমিকের সন্ধানে রাজবাড়ীতে এসে দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার তরুণী প্রতীকী ছবি রাজবাড়ী প্রতিনিধি প্রকাশ: ০১ মার্চ ২০২৬ | ১৮:৫৮ | আপডেট: ০১ মার্চ ২০২৬ | ২১:৫৭ রাজবাড়ীর পাংশায় কথিত প্রেমিকের সন্ধানে এসে দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ময়মনসিংহের এক তরুণী। শুক্রবারের ঘটনায় আজ রোববার তিনি পাংশা থানায় দুজনের নামে মামলা করেছেন। তারা হলেন– উপজেলার সরিষা ইউনিয়নের বাজেয়াপ্ত বাঙ্গালী গ্রামের আকাশ মণ্ডল (২৯) ও সরিষা গ্রামের জামাল মণ্ডল (২২)। মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেন, সাত মাস আগে টিকটকের মাধ্যমে তাঁর পরিচয় হয় পাংশার সজল নামে এক যুবকের সঙ্গে। গত ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে সজল তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করছিলেন না। এজন্য গত ২৭ ফেব্রুয়ারি সজলের সঙ্গে দেখা করতে তিনি ময়মনসিংহ থেকে পাংশায় আসেন। ওই তরুণীর অভিযোগ, সজলের সঙ্গে দেখা করিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে আকাশ মণ্ডল ও জামাল মণ্ডল তাঁকে সরিষা ইউনিয়নের বহলাডাঙ্গা এলাকায় নিয়ে যায়। পরে একটি মাদ্রাসার উত্তর পাশে অবস্থিত সরকারি আশ্রয়কেন্দ্রের কক্ষে নিয়ে যায়। তিনি সজলের বাড়িতে নেওয়ার কথা বললে দুজন সকালে নিয়ে যাওয়ার আশ্বাস দিয়ে রাতে ওই কক্ষে থাকতে বাধ্য করে। এ সময় বাইরে থেকে দরজা বন্ধ করে রেখে যায়। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে আকাশ ও সজল কক্ষে ঢুকে ভয় দেখিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। এমনকি ঘটনাটি কাউকে জানালে প্রাণনাশের হুমকিও দেয় তারা। পাংশা মডেল থানার ওসি শেখ মঈনুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় থানায় ধর্ষণের মামলা হয়েছে। রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে ভুক্তভোগী তরুণীর ডাক্তারি পরীক্ষা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে। - বিষয় : - রাজবাড়ী - দলবদ্ধ ধর্ষণ - মামলা
রাজবাড়ীতে তরুণীকে ডেকে এনে দলবদ্ধ ধর্ষণ মামলায় দুই আসামি গ্রেপ্তার
রাজবাড়ীর পাংশায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টিকটকে পরিচয় সূত্রে এক তরুণীকে ডেকে এনে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলায় দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাতে ঢাকা জেলার ধামরাই থানার ইসলামপুর এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। আজ বুধবার (৪ মার্চ) দুপুরে পাংশা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মঈনুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। গ্রেপ্তার আসামিরা হলেন সরিষা ইউনিয়নের বহলাডাঙ্গা গ্রামের মকবুল মণ্ডলের ছেলে আকাশ মণ্ডল (২৯) ও বাজেয়াপ্ত বাগলী গ্রামের আরশেদ মণ্ডলের ছেলে জামাল মণ্ডল (২৩)। আকাশের বিরুদ্ধে ছয়টি ও জামাল মণ্ডলের নামে চারটি মামলা রয়েছে।জানা গেছে, ওই তরুণী বাদী হয়ে পাংশা মডেল থানায় ১ মার্চ আকাশ মণ্ডল ও জামাল মণ্ডলকে আসামি করে মামলা করেছিলেন। মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, উপজেলার সরিষা ইউনিয়নের জয়নাল শেখের ছেলে সজলের সঙ্গে ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার বাসিন্দা ওই তরুণীর প্রায় সাত মাস আগে টিকটকের মাধ্যমে পরিচয় হয়। পরে তাঁদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত ১৪ ফেব্রুয়ারি তাঁদের সম্পর্ক ভেঙে যায়। পরে সজলের বন্ধু আকাশ মণ্ডল ফোন করে তাঁকে পাংশায় আসতে বলেন এবং সজলের সঙ্গে বিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দেন। রাজবাড়ীতে তরুণীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, থানায় মামলা ২৭ ফেব্রুয়ারি তরুণী গাজীপুর থেকে পাংশায় আসেন। পরে তাঁকে বহলাডাঙ্গা গ্রামের সরকারি আশ্রয়ণকেন্দ্রের একটি কক্ষে নিয়ে আকাশ মণ্ডল ও জামাল মণ্ডল ধর্ষণ করেন। এ সময় ওই তরুণীর কাছে থাকা ১০ হাজার টাকা ও সোনার দুল নেওয়া হয় বলে মামলায় উল্লেখ রয়েছে।পাংশা মডেল থানার ওসি শেখ মঈনুল ইসলাম জানান, গ্রেপ্তার দুই আসামিকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তাঁরা ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন আসামিদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। শেখ মঈনুল ইসলাম আরও জানান, আসামি আকাশ মণ্ডলের নামে পাংশা থানায় ছয়টি মামলা এবং জামাল মণ্ডলের নামে অস্ত্র, দস্যুতাসহ বিভিন্ন অভিযোগে চারটি মামলা রয়েছে।
টিকটকে পরিচয়, বিয়ের আশ্বাসে তরুণীকে ডেকে এনে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ
সারাদেশ রাজবাড়ী টিকটকে পরিচয়, বিয়ের আশ্বাসে তরুণীকে ডেকে এনে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ জেলা প্রতিনিধি রাজবাড়ী ১ মার্চ ২০২৬, ২২:৪৮ অ+ অ- রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার বিয়ের আশ্বাসে গাজীপুর থেকে ২২ বছর বয়সী এক তরুণীকে ডেকে এনে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ওই তরুণী পাংশা মডেল থানায় মামলা করেছেন। গত বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টার দিকে পাংশা থানার সরিষা ইউনিয়নের বহলাডাঙ্গা গ্রামের সরকারি আশ্রয়ণ কেন্দ্রের একটি কক্ষে ওই তরুণীকে ধর্ষণ করা হয়। অভিযুক্তরা হলেন- পাংশা উপজেলার সরিষা ইউনিয়নের বহলাডাঙ্গা গ্রামের মকবুল মণ্ডলের ছেলে আকাশ মণ্ডল ও একই ইউনিয়নের বাজেয়াপ্ত বাগলী গ্রামের মো. আরশেদ মণ্ডলের ছেলে জামাল মণ্ডল। ভুক্তভোগী ওই তরুণী ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইল উপজেলা এলাকার বাসিন্দা। বর্তমানে তিনি গাজীপুর মহানগর এলাকায় বসবাস করেন। অভিযোগ ও ভুক্তভোগীর ভাষ্য অনুযায়ী, পাংশা উপজেলার সরিষা ইউনিয়নের জয়নাল শেখের ছেলে সজলের (২৩) সঙ্গে প্রায় সাত মাস আগে টিকটকের মাধ্যমে তার পরিচয় হয়। পরবর্তীতে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত ১৪ ফেব্রুয়ারি সজলের সঙ্গে তার সম্পর্কের অবসান ঘটে। পরে সজলের বন্ধু আকাশ মণ্ডল তাকে ফোন করে পাংশায় এনে সজলের সঙ্গে বিয়ের ব্যবস্থা করে দেওয়ার আশ্বাস দেয়। এর প্রেক্ষিতে ভুক্তভোগী গাজীপুর থেকে পাংশায় আসেন। পরে তাকে সরিষা ইউনিয়নের বহলাডাঙ্গা গ্রামের সরকারি আশ্রয়ণ কেন্দ্রের একটি কক্ষে নিয়ে গিয়ে আকাশ মণ্ডল ও জামাল মণ্ডল পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। এ সময় তার কাছে থাকা নগদ ১০ হাজার টাকা ও স্বর্ণের কানের দুল নিয়ে নেওয়া হয়। এ বিষয়ে পাংশা মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মঈনুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় পাংশা মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(৩) ধারায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মীর সামসুজ্জামান সৌরভ/আরএআর
টিকটকে পরিচয়, দেখা করতে এসে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার তরুণী
টিকটকে পরিচয়, দেখা করতে এসে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার তরুণী Advertisement রাজবাড়ী প্রতিনিধি প্রকাশ: ০১ মার্চ ২০২৬, ০৯:৪৩ পিএম সোশ্যাল মিডিয়া টিকটকের মাধ্যমে পরিচয়ের পর বিয়ের আশ্বাসে রাজবাড়ীর পাংশায় প্রেমিকের সঙ্গে দেখা করতে এসে এক তরুণী (২২) সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ওই তরুণী শনিবার দিবাগত মধ্যরাতে পাংশা মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। বিষয়টি রোববার (১ মার্চ) দুপুরে যুগান্তরকে নিশ্চিত করেছেন পাংশা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ মঈনুল ইসলাম। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টার দিকে রাজবাড়ীর পাাংশার সরিষা ইউনিয়নের বহলাডাঙ্গায় একটি আশ্রয়ণের ঘরে ঘটনাটি ঘটে। অভিযুক্তরা হলেন- পাংশার সরিষা ইউনিয়নের বাজেয়াপ্ত বাগলী গ্রামের মোগবুল মন্ডলের ছেলে আকাশ মন্ডল (২৯), একই ইউনিয়নের আরশেদ মন্ডলের ছেলে জামাল মন্ডল (২২)। মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার বাসিন্দা ২২ বছর বয়সী এক তরুণীর সঙ্গে রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার সরিষা ইউনিয়নের এক যুবকের প্রায় সাত মাস ধরে টিকটকের মাধ্যমে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তবে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি তাদের সম্পর্কের অবসান ঘটে। ভুক্তভোগীর দাবি, ওই যুবকের বন্ধু আকাশ মণ্ডল তাকে আশ্বাস দেন, পাংশায় এলে তার সঙ্গে সাবেক প্রেমিকের বিয়ে সম্পন্ন করে দেওয়া হবে। ওই আশ্বাসে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ৮টার দিকে ওই তরুণী পাংশা মৈশালা বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছেন। পরে আকাশ মণ্ডলের নির্দেশনা অনুযায়ী মোটরসাইকেলে করে সরিষা ইউনিয়নের বহলাডাঙ্গা এলাকায় যান তিনি। অভিযোগে আরও বলা হয়, আকাশ মণ্ডল পরে ওই তরুণীকে সরকারি আশ্রয়কেন্দ্রের একটি কক্ষে নিয়ে যায়, যেখানে আগে থেকেই উপস্থিত ছিল জামাল মণ্ডল (২২) নামের আরেক ব্যক্তি। সেখানে রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে আকাশ ও জামাল ভয়ভীতি দেখিয়ে ওই তরুণীকে ধর্ষণ করে। ঘটনাটি কাউকে জানালে ভুক্তভোগীকে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। ভুক্তভোগী তরুণী মামলার অভিযোগে জানান, আকাশ ও জামাল তার কানে থাকা স্বর্ণের দুল, ব্যাগে থাকা নগদ অর্থ এবং মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। এ বিষয়ে পাংশা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ মঈনুল ইসলাম বলেন, ধর্ষনের এ ঘটনায় পাংশা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন। তবে ওই তরুণীর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারের প্রক্রিয়া অব্যাহত আছে।
