সিকৃবি যুগান্তর প্রতিনিধিকে হেনস্তা ছাত্রদলের

AI-classifiedconfidence 90%

Why this classification

ঘটনাটি ছাত্রদলের (BNP-এর ছাত্র সংগঠন) সদস্যদের দ্বারা সংঘটিত হয়েছে এবং সাংবাদিককে হেনস্তা ও হুমকি দেওয়া হয়েছে। এটি রাজনৈতিক দলের সাথে জড়িত সহিংসতা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

Reported by:JugantorSingle source
29/09/26•সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (সিকৃবি) টিএসসি

Killed

0

Injured

0

Summary

সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিকৃবি) ছাত্রদলের দুই গ্রুপের বাগ্বিতণ্ডা ও ধাক্কাধাক্কির ঘটনার ছবি তুলতে চাইলে যুগান্তর প্রতিনিধি আইনুল হককে হেনস্তা, হুমকি ও পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়া হয়। মঙ্গলবার বিকাল সোয়া ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসির সামনে এ ঘটনা ঘটে।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

90% · severity 3

Perpetrator side

BNP

Victim side

Locals

Other actors

জাহিদ হাসান ফাহাদআনাম সরকার মুনরাজেশ বাছাড়সানাউল হোসেন সনি

Tags

Party ClashSexual Harassment

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: BNP

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 29/09/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Jugantor · 30/09/26open original ↗

সিকৃবি যুগান্তর প্রতিনিধিকে হেনস্তা ছাত্রদলের

সিকৃবি যুগান্তর প্রতিনিধিকে হেনস্তা ছাত্রদলের সিলেট ব্যুরো ও সিকৃবি প্রতিনিধি প্রকাশ: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিকৃবি) ছাত্রদলের হাতে হেনস্তার শিকার হয়েছেন যুগান্তর প্রতিনিধি আইনুল হক। উপাচার্যকে অভ্যর্থনা দেওয়াকে কেন্দ্র করে ছাত্রদলের দুই গ্রুপের বাগ্বিতণ্ডা ও এক নেতাকে ধাক্কাধাক্কির ঘটনার ছবি তুলতে চাইলে আইনুলকে হেনস্তা, হুমকি ও পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়া হয়। মঙ্গলবার বিকাল সোয়া ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসির সামনে এ ঘটনা ঘটে। সিকৃবি সাংবাদিক সমিতির অর্থ সম্পাদক ও ভুক্তভোগী সাংবাদিক আইনুল বলেন, সংঘর্ষের আশঙ্কার খবর পেয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে যান। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে তিনি ছবি, ভিডিও ও তথ্য সংগ্রহ করছিলেন। এ সময় ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক জাহিদ হাসান ফাহাদ, আনাম সরকার মুন, সদস্য রাজেশ বাছাড়সহ কয়েকজন তার দিকে আক্রমণাত্মকভাবে তেড়ে আসেন। একপর্যায়ে জোর করে মোবাইল ফোন থেকে ভিডিও মুছে ফেলতে বাধ্য করেন। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সানাউল হোসেন সনি যুগান্তরকে বলেন, আমি এই মুহূর্তে ব্যস্ত। অভিযোগটি হোয়াটসঅ্যাপে পাঠালে একটা বক্তব্য পাঠাব। তবে রাতে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তিনি কোনো বক্তব্য পাঠাননি।