মধ্যরাতে ঢাকা পলিটেকনিকে ছাত্রদল–ছাত্রশিবির সংঘর্ষ, আহত ১০

AI-classifiedconfidence 92%

Why this classification

This is a single, concrete incident that happened in the early hours of 3 March 2026 at a hostel of Dhaka Polytechnic Institute. Rival student groups fought, attackers entered a room with machetes and local weapons, and at least 10 people were injured, four seriously, so it qualifies as violence.

Reported by:JugantorSamakalCorroborated · 2 sources
03/03/26•লতিফ ছাত্রাবাস, ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল

Killed

0

Injured

10

Summary

৩ মার্চ ২০২৬ ভোর একটার দিকে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চলের ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের লতিফ ছাত্রাবাসে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হন, যাদের মধ্যে চারজনের আঘাত গুরুতর। সংঘর্ষের সময় দেশি অস্ত্র ও রামদা নিয়ে ছাত্রাবাসের কক্ষে ঢুকে হামলার অভিযোগ উঠেছে, যা নিয়ে দুই পক্ষ একে অপরকে দোষারোপ করছে।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

92% · severity 6

Perpetrator side

BNPJamaat

Victim side

BNPJamaat

Other actors

Chhatra Dal (student wing of BNP) activistsChhatra Shibir (student wing of Jamaat) activistsRakibul Islam, Central President, Chhatra DalAbu Sadiq Kayem, VP of DUCSU and International Affairs Secretary, Chhatra ShibirIbne Mizan, Deputy Commissioner, Tejgaon Division Police

Affected infrastructure

Latif Hall dormitory room

Tags

Party Clash

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 10

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: BNP, Jamaat

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: BNP, Jamaat

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 03/03/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Samakal · 03/03/26open original ↗

মধ্যরাতে ঢাকা পলিটেকনিকে ছাত্রদল-শিবিরের সংঘর্ষ, আহত ১৫

মধ্যরাতে ঢাকা পলিটেকনিকে ছাত্রদল-শিবিরের সংঘর্ষ, আহত ১৫ ঢাকা পলিটেকনিকে ছাত্রদল ও শিবিরের মধ্যে সংঘর্ষ (ছবি-সংগৃহীত) সমকাল প্রতিবেদক প্রকাশ: ০৩ মার্চ ২০২৬ | ১৩:২৩ রাজধানীর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চলে ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। সোমবার মধ্যরাতে এ ঘটনা ঘটে। সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, ক্যাম্পাসে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধের জের ধরে সংঘর্ষ হয়। গত রাতে এ ঘটনার পর আজ মঙ্গলবার সকালে বিক্ষোভ মিছিল করে ছাত্রশিবির। ঢাকা মহানগর পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার ইবনে মিজান সমকালকে বলেন, রাত সাড়ে ১২টার দিকে প্রথমে বাকবিতণ্ডা ও পরে হাতাহাতি শুরু হয়। একপর্যায়ে দুই পক্ষ লাঠিসোঁটা নিয়ে পরস্পরকে আক্রমণ করে। এতে উভয়পক্ষের কয়েকজন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে দুজনের আঘাত গুরুতর। তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিরা সামান্য আহত হয়েছেন। কেউ আশঙ্কাজনক অবস্থায় নেই। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের লতিফ ছাত্রাবাসের সামনে হাতাহাতির একপর্যায়ে ছাত্রদলের এক নেতাকে চাকু দিয়ে আঘাত করে প্রতিপক্ষ। এরপর দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। তাদের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালায়। রাত ৩টার দিকে পরিস্থিতি শান্ত হয়। ক্যাম্পাসসহ ওই এলাকায় বাড়তি পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এদিকে দুই পক্ষই আগে আক্রমণের শিকার হওয়ার দাবি করেছে। ছাত্রদলের অভিযোগ, ক্যাম্পাসে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে শিবিরের নেতাকর্মীরা হামলা চালায়। তাদের এক কর্মীকে ছুরি দিয়ে আঘাত করা হয়। অন্যদিকে শিবিরের পক্ষ থেকেও দাবি করা হয়, তাদের কর্মীদের ওপর হামলা করা হলে তারা প্রতিরোধ করেন।

Source 2: Jugantor · 03/03/26open original ↗

মধ্যরাতে ঢাকা পলিটেকনিকে ছাত্রদল–ছাত্রশিবির সংঘর্ষ, আহত ১০

মধ্যরাতে ঢাকা পলিটেকনিকে ছাত্রদল–ছাত্রশিবির সংঘর্ষ, আহত ১০ Advertisement যুগান্তর প্রতিবেদন প্রকাশ: ০৩ মার্চ ২০২৬, ১০:১৮ এএম ছবি: সংগৃহীত রাজধানীর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চলে অবস্থিত ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের লতিফ ছাত্রাবাসে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে চারজনের আঘাত গুরুতর বলে জানিয়েছে পুলিশ। সোমবার দিবাগত রাত একটার দিকে এ সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনায় ছাত্রদল ও ছাত্রশিবির পরস্পরকে দোষারোপ করছে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ক্যাম্পাসে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের মধ্যে প্রথমে বাগবিতণ্ডা হয়। পরে তা পালটাপালটি ধাওয়া ও সংঘর্ষে রূপ নেয়। একপর্যায়ে দেশি অস্ত্র নিয়ে লতিফ ছাত্রাবাসের কক্ষে ঢুকে হামলার ঘটনা ঘটে। এতে কয়েকজন শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হন। সংঘর্ষের জেরে রাতভর ক্যাম্পাসে উত্তেজনা বিরাজ করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) ইবনে মিজান সাংবাদিকদের বলেন, মধ্যরাতে লতিফ ছাত্রাবাসে ছাত্রদের মধ্যে মারামারির খবর পাওয়া যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। এ ঘটনায় চারজন গুরুতর আহত হয়েছেন। এ ছাড়া আরও কয়েকজনের আহত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। গতকাল রাতে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের সংঘর্ষের ঘটনা নিয়ে তার ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন। পোস্টে তিনি বলেন, শিবিরের সন্ত্রাসীরা দেশি অস্ত্র নিয়ে লতিফ ছাত্রাবাসের কক্ষে ঢুকে ছাত্রদল ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করেছে। কক্ষের ভেতরে ঢুকে ছাত্রদলের এক সহযোদ্ধাকে রামদা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেছে। অনেকেই আহত হয়েছেন। ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিটিউটে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে শিবিরের সন্ত্রাসীদের প্রতিহত করা হবে। শিবিরের সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার ও বিচার দাবি করেছেন তিনি। ছাত্রদলের রক্ত ঝরালে রক্তের বদলা নেওয়া হবে। বিগত সাড়ে ১৫ বছর ছাত্রদলের রক্ত ঝরেছে। বিগত দেড় বছর প্রতিটি ক্যাম্পাসে ছাত্রদল মবের শিকার হয়েছে। আজও পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ছাত্রদলের রক্ত ঝরল। অনেক ছাড় দেওয়া হয়েছে। আর ছাড় দেওয়া হবে না। ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ঘটনা নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি (ভিপি) ও ছাত্রশিবিরের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক আবু সাদিক কায়েম গতকাল রাতে তার ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন। তিনি পোস্টে বলেন, ঢাকা পলিটেকনিকে রাতের অন্ধকারে ছাত্রাবাসে ঢুকে শিবির কর্মীদের ওপর রামদা, রড ও দেশি অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে বর্বরোচিত হামলা চালিয়েছে ছাত্রদল। একদিকে খুন, ধর্ষণ ও চাঁদাবাজিতে জনজীবন বিপর্যস্ত, অন্যদিকে ক্যাম্পাসগুলোতে চলছে ছাত্রলীগীয় কায়দায় হামলা ও দখলদারত্ব। আর প্রশাসন বরাবরের মতোই সেই পুরোনো চাটুকার ভূমিকায় লিপ্ত। সরকারকে অবিলম্বে নিজেদের দলীয় ক্যাডার বাহিনীকে সামলাতে বলেন তিনি। নইলে ক্যাম্পাসে সবার সহাবস্থান বিঘ্নিত করে আবার দখলদারত্ব ও সহিংসতা কায়েমের জন্য সরকারকে চড়া মূল্য দিতে হবে। ঘটনার বিষয়ে ডিসি ইবনে মিজান সাংবাদিকদের বলেন, ছাত্রদের সঙ্গে ছাত্রাবাস প্রশাসন বসে বিষয়টি সমাধানের উদ্যোগ নেবে। কেউ আইনগত ব্যবস্থা নিতে চাইলে তাও নেওয়া যাবে।