মসজিদ কমিটির নেতার বাড়িতে যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা-কর্মীদের হামলার অভিযোগ

AI-classifiedconfidence 74%

Why this classification

[ { "justification": "This incident is classified as political violence because it involved a violent clash between members of the same political alignment, specifically involving Jubadal and Juba Dal activists attacking the home of an Upazila Swechchhasebak Dal leader named Dulal Sardar. The confrontation, which occurred in Narsinghopur, Hizla, Barishal on March 21, 2026, stemmed from a dispute over supplying sand to a local mosque. The attack resulted in two injuries and property damage to the home, with the BNP identified as the involved party, while specific perpetrator and victim sides remain unrecorded. The corroboration level for this event is based on 1 source reporting it." } ]

Reported by:Ajker PatrikaSingle source
21/03/26•Narsinghopur, Hizla

Killed

0

Injured

2

Summary

বরিশালের হিজলায় মসজিদে বালু সরবরাহ নিয়ে বিরোধের জেরে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার বাড়িতে হামলা চালিয়েছে যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা-কর্মীরা। ২০২১ সালের ২১শে মার্চ সকালে এই হামলায় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা দুলাল সরদারসহ দুইজন আহত হন এবং ঘরবাড়ি ভাঙচুর করা হয়।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

74% · severity 5

Parties involved

BNP

Tags

Party ClashVandalism

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 2

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 21/03/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Ajker Patrika · 22/03/26open original ↗

মসজিদ কমিটির নেতার বাড়িতে যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা-কর্মীদের হামলার অভিযোগ

বরিশালের হিজলায় মসজিদে বালু সরবরাহ না করায় ক্ষুব্ধ মুসল্লিরা ড্রেজারের পাইপ খুলে নেওয়ায় মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদকের বাড়িতে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব দুলাল সরদারসহ কমপক্ষে দুজন আহত হয়েছেন। গতকাল শনিবার ঈদের নামাজের পর সকাল ১০টার দিকে উপজেলার নরসিংহপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। পরে রাতে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আসাদুজ্জামান খান সজলসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে হিজলা থানায় অভিযোগ করা হয়েছে। নরসিংহপুর কাজী বাড়ি জামে মসজিদের সভাপতি আলতাফ হোসেন গাজী জানান, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য মোয়াজ্জেম খান, রাজা ভূঁইয়া, গুয়াবাড়িয়া ইউনিয়ন যুবদলের প্রচার সম্পাদক মিন্টু তালুকদার ও যুবদল নেতা মিজানুর রহমান ড্রেজার দিয়ে বালু কেটে ব্যবসা করেন। তাঁরা কাজী বাড়ি জামে মসজিদে বালু সরবরাহ করার চুক্তি করে টাকা নেন। কিন্তু কয়েক মাস ধরে মসজিদে বালু ভরাট না করায় ছাদ ঢালাইয়ের কাজ বন্ধ রয়েছে। এ নিয়ে ঈদের নামাজের সময় মুসল্লিদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয় এবং তাঁরা নামাজের পরে ড্রেজারের পাইপ খুলে একটি বাড়িতে রেখে দেন। সকাল ১০টার দিকে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মোয়াজ্জেম খান, রাজা ভূঁইয়া, যুবদল নেতা মিন্টু তালুকদার, মিজানুর রহমানসহ ১০-১২ জন লোক রামদা, লোহার রড ও লাঠিসোঁটা নিয়ে মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব দুলাল সরদারের বাড়িতে হামলা করেন। তাঁদের বাধা দিতে গেলে হামলাকারীরা দুলাল সরদার ও মসজিদ কমিটির সভাপতি আলতাফ হোসেন গাজীর ছেলে সজীব গাজীকে পিটিয়ে আহত করেন। পরে তাঁরা দুলাল সরদারের ঘর ভাঙচুর করেন এবং আলমারি ভেঙে আড়াই ভরি স্বর্ণালংকার নিয়ে যান বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় আলতাফ হোসেন গাজী বাদী হয়ে পশ্চিম কোড়ালিয়ার মোয়াজ্জেম খান, নরসিংহপুরের রাজা ভূঁইয়া, মাউলতলার মিন্টু তালুকদার, পূর্ব কোড়ালিয়ার মিজানুর রহমান এবং আসাদুজ্জামান খান সজলসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে হিজলা থানায় অভিযোগ দেন। জানতে চাইলে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য মোয়াজ্জেম খান বলেন, ‘মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক দুলাল সরদার জোর করে ড্রেজারের পাইপ খুলে তাঁর বাড়িতে নিয়েছিলেন। বিষয়টি জিজ্ঞাসা করতে গেলে দুলাল সরদার ও তাঁর লোকজন হামলা করে। ওই সময় হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। ওই ঘটনায় থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।’উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আসাদুজ্জামান খান সজল বলেন, ‘ঘটনার সময় আমি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বাসায় ছিলাম। তবে পাইপ খুলে নেওয়া নিয়ে দুই পক্ষের হাতাহাতির বিষয়টি শুনেছি। সেখানে স্বেচ্ছাসেবক দল-যুবদলের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। নেতা-কর্মীদের নামে মিথ্যা অভিযোগ করা হয়েছে।’ হিজলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আদিল হোসেন বলেন, ড্রেজার নিয়ে বিরোধের বিষয়ে দুই পক্ষ থানায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করেছে। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।