কুমিল্লায় ধানখেতে লাশ শর্টকাটের কথা বলে কিশোরীকে নির্জন পথে নেন চালক, ধর্ষণের পর হত্যা: পুলিশ

AI-classifiedconfidence 96%

Why this classification

প্রবন্ধে ১৫ বছর বয়সী কিশোরীর ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা বর্ণনা করা হয়েছে, যা শারীরিক ক্ষতি ও মৃত্যুর অন্তর্ভুক্ত এবং ১৪ দিনের মধ্যে ঘটেছে, তাই এটি বৈধ হিংসা হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ।

Reported by:Prothom AloSingle source
08/10/26•ধানখেত, লালমাই

Killed

1

Injured

0

Summary

কুমিল্লা লালমাইতে ১৫ বছর বয়সী কিশোরীকে সিএনজি অটোরিকশা চালক সুমন মিয়া ধর্ষণ করে হত্যা করা হয়েছে। তার দেহ ধানখেতে পাওয়া যায় এবং অটোরিকশা ও আইফোন উদ্ধার করা হয়েছে।

AI analysis

Category

Gender-Based Violence

Confidence

96% · severity 8

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

সুমন মিয়া (৩৫) – অটোরিকশা চালকপঙ্কজ বড়ুয়া – অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ)মিজানুর রহমান – লালমাই থানা ওসি

Affected infrastructure

CNG অটোরিকশা

Tags

RapeMurder

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 08/10/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Prothom Alo · 10/10/26open original ↗

কুমিল্লায় ধানখেতে লাশ শর্টকাটের কথা বলে কিশোরীকে নির্জন পথে নেন চালক, ধর্ষণের পর হত্যা: পুলিশ

কুমিল্লার লালমাইয়ে ওই ছাত্রীর মরদেহের অদূরে সিএনজিচালিত অটোরিকশাটিও পাওয়া যায়ছবি: সংগৃহীত কুমিল্লায় ধানখেত থেকে সপ্তম শ্রেণির যে ছাত্রীর (১৫) লাশ উদ্ধার করা হয়েছে, সে সদর দক্ষিণ উপজেলার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড থেকে বাসায় ফেরার জন্য সিএনজিচালিত একটি অটোরিকশায় উঠেছিল। এ তথ্য জানিয়ে পুলিশ বলেছে, শর্টকাট পথে বাসায় পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে চালক সুমন মিয়া (৩৫) তাকে নির্জন এলাকায় নিয়ে যান। সেখানে তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করেন চালক। এ ঘটনায় চালককে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ। পুলিশের ভাষ্য, প্রাথমিক তদন্তে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় সুমনের এককভাবে জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। জিজ্ঞাসাবাদে সুমন মিয়া হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কিশোরীর ব্যবহৃত আইফোনও উদ্ধার করা হয়েছে। আরও পড়ুন ‘আমার কলিজার পাখিটা যখন চলে গেছে, এখন আর কিছু বলব না’ ০৯ অক্টোবর ২০২৬ আজ শনিবার সকাল ১০টা ২০ মিনিটে কুমিল্লা জেলা পুলিশ কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে সংবাদ সম্মেলন করে এ তথ্য জানান জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) পঙ্কজ বড়ুয়া। এ সময় লালমাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমানসহ জেলা পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে গতকাল শুক্রবার চট্টগ্রাম থেকে সুমন মিয়াকে আটক করা হয়। ঘটনার পর তিনি পালিয়ে তাঁর ভাইয়ের কাছে আত্মগোপনে ছিলেন। সুমন ভাড়ায় সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালাতেন। তাঁর বাড়ি চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলায়। তবে নিজের বাড়িতে জমিজমা ও ঘর না থাকায় লালমাই উপজেলায় শ্বশুরবাড়িতে থাকতেন। বেশির ভাগ সময় রাতে পদুয়ার বাজার ও আশপাশের এলাকায় যাত্রী পরিবহন করতেন। কুমিল্লার লালমাইয়ে স্কুলছাত্রীকে হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক সুমন মিয়া। শনিবার পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনেছবি: প্রথম আলো নির্জন ও অন্ধকার স্থানে থামানো হয় অটোরিকশা সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ৮ অক্টোবর রাতে পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড এলাকায় বাস থেকে নামে ওই কিশোরী। এরপর তিশা বাস কাউন্টারের সামনে গিয়ে বাসায় ফেরার জন্য অটোরিকশা খুঁজছিল সে। একপর্যায়ে ৩০০ টাকা ভাড়া ঠিক করে সুমনের সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ওঠে সে। অটোরিকশায় ওঠার পর কিছুটা সামনে গিয়ে চালককে ১০০ টাকা দেন ওই কিশোরী। সেই টাকা দিয়ে কলা ও রুটি কিনে আনেন সুমন। এরপর ওই কিশোরীকে শর্টকাট পথে গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলেন সুমন। এরপর কুমিল্লা-চাঁদপুর সড়ক ধরে বিজরা বাজার হয়ে লালমাইয়ের দিকে যেতে থাকে অটোরিকশাটি। একটি নির্জন ও অন্ধকার স্থানে অটোরিকশা থামিয়ে দেন চালক। পুলিশের ভাষ্য, এ সময় সুমন ওই কিশোরীকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। সে চিৎকার করলে গলায় গামছা পেঁচিয়ে ধরেন। পরে তাকে ধানখেতে নিয়ে ধর্ষণের পর হত্যা করেন সুমন। কুমিল্লা জেলা পুলিশ কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে এ বিষয়ে তথ্য জানান জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) পঙ্কজ বড়ুয়া। শনিবার সকালেছবি: প্রথম আলো পুকুরে গোসল শেষে জঙ্গলে ফেলে যান আইফোন পুলিশের দাবি, বিপদে পড়ে ঘটনার রাতে বাবার মুঠোফোনে নিজের লাইভ লোকেশন পাঠিয়ে বাঁচার আকুতি জানিয়েছিল ওই কিশোরী। তবে তখন তার বাবা বার্তাটি দেখতে পাননি। ভোরে বার্তাটি দেখেন তিনি। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশকে মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করতে দেখেন। সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পঙ্কজ বড়ুয়া বলেন, কিশোরীকে হত্যার পর ঘটনাস্থলে অটোরিকশাটি রেখে চলে যান সুমন। পরে একটি পুকুরে গোসল করে জঙ্গলে কিশোরীর আইফোন ফেলে রেখে চট্টগ্রামে চলে যান তিনি। গত বৃহস্পতিবার সকালে লালমাই উপজেলার একটি ধানখেতের আইলের পাশ থেকে ওই কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। আরও পড়ুন খুঁজে পেতে ‘লাইভ লোকেশন’ পাঠিয়েছিল মেয়ে, বাবা গিয়ে দেখেন উদ্ধার হচ্ছে লাশ ০৮ অক্টোবর ২০২৬ প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন নিহতকুমিল্লা সদর দক্ষিণলালমাইচট্টগ্রাম বিভাগকুমিল্লাধর্ষণহত্যা