ছুরিকাঘাতে বৃদ্ধাকে খুন
Why this classification
A man named Helim stabbed his nephew after being seen under the influence of drugs, then killed Bakul Begum (55) when she tried to stop him, and four others were injured. This is a concrete, recent stabbing attack that caused a death, so it counts as violence.
Killed
1
Injured
3
Summary
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে ২২ এপ্রিল ২০২৬ (বুধবার) দুপুরে মাদক সেবন দেখে ফেলায় হেলিম মিয়া তার ভাতিজা সাইদুল ইসলামকে ছুরিকাঘাত করেন, এবং বাধা দিতে গেলে বকুল বেগম (৫৫) ছুরিকাঘাতে নিহত হন। এতে আরও ৪ জন আহত হন, এবং ঘটনার পর উত্তেজিত জনতা হেলিমকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
95% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 3
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 22/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
ছুরিকাঘাতে বৃদ্ধাকে খুন
ছুরিকাঘাতে বৃদ্ধাকে খুন Advertisement কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২২ এপ্রিল ২০২৬, ১০:০৫ পিএম জনতা ঘাতক হেলিমকে আটক করে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলায় মাদক সেবনের ঘটনা দেখে ফেলাকে কেন্দ্র করে ভাতিজার ওপর ছুরিকাঘাত এবং তাকে রক্ষা করতে গিয়ে বকুল বেগম (৫৫) নামে এক নারী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও ৩ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। জনতা ঘাতক হেলিমকে আটক করে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন। ঘটনাটি ঘটেছে (২২ এপ্রিল) বুধবার দুপুর ১টায় উপজেলার রহিমপুর ইউনিয়নের সিদ্ধেশ্বরপুর গ্রামে। স্থানীয় ও নিহতের স্বজনদের সূত্রে জানা যায়, সিদ্ধেশ্বরপুর গ্রামের মৃত আশিক মিয়ার ছেলে হেলিম মিয়াকে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় দেখতে পান তার ভাতিজা সাইদুল ইসলাম (২৫)। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে হেলিম দুপুরে ধারাল ছুরি দিয়ে সাইদুলের ওপর হামলা চালান। আহত অবস্থায় প্রাণ বাঁচাতে সাইদুল পাশের বাড়ির বাসিন্দা মৃত ইলিয়াছ মিয়ার স্ত্রী বকুল বেগমের ঘরে আশ্রয় নেন। হামলাকারী হেলিম মিয়া তাকে ধাওয়া করে ওই বাড়িতে ঢুকে পুনরায় সাইদুলকে ছুরিকাঘাত করতে থাকেন। এ সময় গৃহকর্ত্রী বকুল বেগম বাধা দিতে এগিয়ে এলে তাকেও এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করা হয়। চিৎকার শুনে বকুল বেগমের জামাতা ওয়াদুদ মিয়া (৩৫) এবং একই এলাকার সেলিম মিয়ার দুই ছেলে সাইদুল মিয়া (১৮) ও আমিনুল ইসলাম (১৬) এগিয়ে এলে তাদের ওপরও হামলা চালানো হয়। এতে তারা গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে পাঠান। আহতদের মধ্যে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বকুল বেগমকে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় আহত বাকি তিনজনের মধ্যে ১ জন মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে ও ২ জনকে সিলেট এমএজি হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। এদিকে ঘটনার পরপরই উত্তেজিত এলাকাবাসী অভিযুক্ত হেলিম মিয়াকে আটক করে গণধোলাই দিয়ে মুন্সিবাজারের একটি পেট্রল পাম্প এলাকায় দড়ি দিয়ে বেঁধে রেখে পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে কমলগঞ্জ থানা পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আলামত সংগ্রহসহ ঘাতক হেলিমকে থানা পুলিশের হেফাজতে নিয়ে আসে। এই বর্বরোচিত হামলার ঘটনায় নিহত বকুল মিয়ার ঘরে স্বজনদের আহাজারিসহ পুরো এলাকায় শোকের ছায়াসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। নিহত বকুল বেগমের মেয়ে পারভীন বেগম বলেন, হেলিম মিয়া তার ভাতিজাকে ছুরি দিয়ে আঘাত করে আমাদের ঘরে নিয়ে আসে। এ সময় আমার মা এবং প্রতিবেশী সাইদুল ও আমিনুল বাঁচানোর জন্য এগিয়ে এলে তাদেরও ছুরি দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করে। স্থানীয় রহিমপুর ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সিতাংশু কর্মকার বলেন, হামলাকারী হেলিম মিয়া খুবই খারাপ লোক। এর আগেও একাধিকবার জেল খেটেছে। সে দীর্ঘদিন থেকে মাদকের সঙ্গে জড়িত। কমলগঞ্জ থানার ওসি আব্দুল আউয়াল বলেন, নেশা করতে দেখে ফেলায় ক্ষিপ্ত হয়ে ঘাতক এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। আমরা ঘাতক হেলিম মিয়াকে গ্রেফতার করেছি।
