রাজপথে ছাত্র-জনতা ও পুলিশ সংঘর্ষ
Why this classification
The article reports a concrete clash on 29 July 2026 between police (state law enforcement) and student protesters, involving lathi charge, tear gas and mass arrests. This meets the criteria for political violence as it is a state‑vs‑protest action within the recent 14‑day window.
Killed
0
Injured
0
Summary
২৯ জুলাই ঢাকা শহরে ছাত্র-জনতা ও পুলিশ লাঠিচার্জ, টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে সংঘর্ষে প্রায় ২,৮২২ জন আটক হয়। এই বিক্ষোভ রাষ্ট্রীয় শোক প্রত্যাখ্যানের প্রতিক্রিয়ায় অনুষ্ঠিত হয়।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
94% · severity 4
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Law Enforcement
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 29/07/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
রাষ্ট্রীয় শোক প্রত্যাখ্যান রাজপথে ছাত্র-জনতা
রাষ্ট্রীয় শোক প্রত্যাখ্যান রাজপথে ছাত্র-জনতা সমকাল প্রতিবেদক প্রকাশ: ২৯ জুলাই ২০২৬ | ০৮:০৭ | প্রিন্ট সংস্করণ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও আওয়ামী লীগের হত্যাযজ্ঞে ছত্রভঙ্গ ছাত্র-জনতা এক সপ্তাহ রাজপথে নামতে না পারলেও মৃত্যু ভয় উপেক্ষা করে ২০২৪ সালের ২৯ জুলাই ফের নামে। জুলাইয়ে হতাহতদের স্মরণে আওয়ামী লীগ সরকার যে রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছিল, তা প্রত্যাখ্যান করে শুরু হয় বিক্ষোভ। চব্বিশের ১৭ জুলাই থেকে ২৮ জুলাই পর্যন্ত মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ ছিল। ফলে সেই সময়ে নারকীয় হত্যাযজ্ঞের অনেক তথ্য, ছবি, ভিডিও চাপা ছিল। ২৮ জুলাই মোবাইল ইন্টারনেট চালুর পর, কোটি কোটি মানুষের কাছে পৌঁছে ভয়াবহ বর্বরতার তথ্য প্রমাণ। তা থেকে সৃষ্ট ক্ষোভেই মানুষ ২৯ জুলাই আবার রাজপথে নামে। গণগ্রেপ্তারের মধ্যে কারফিউ ভেঙে বিক্ষোভ চলে। ডিবি কার্যালয়ে জিম্মি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কদের দিয়ে আগের রাতে আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা দেওয়ানো হয়। একে অস্ত্রের মুখে আদায় করা বিবৃতি আখ্যা দিয়ে বাইরে থাকা সমন্বয়করা আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান। তাতে সাড়া দিয়ে ওইদিন ঢাকা, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, হবিগঞ্জসহ বিভিন্ন জেলায় হাজার হাজার শিক্ষার্থী বিক্ষোভ করেন। রাজপথে তীব্র বিক্ষোভ ও গণগ্রেপ্তার ২৯ জুলাই দুপুরের পর থেকেই ঢাকার ইসিবি চত্বর, মিরপুর, পল্টন, সায়েন্স ল্যাবরেটরি ও মহাখালীসহ বিভিন্ন এলাকায় শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ শুরু করেন। তবে পুলিশ ও তৎকালীন সরকারের পেটুয়া বাহিনী লাঠিচার্জ, টিয়ারশেল এবং সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা চালায়। পুলিশি তাণ্ডবে এক দিনেই ঢাকা এবং এর আশপাশের এলাকা থেকে প্রায় দুই হাজার ৮২২ জন শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষকে আটক করা হয়। পল্টন মোড় ও সায়েন্স ল্যাব এলাকা থেকে একাধিক শিক্ষার্থীকে টেনেহিঁচড়ে প্রিজন ভ্যানে তুলতে দেখা যায়। ডিবিকে হাইকোর্টের তীব্র তিরস্কার ২৯ জুলাইয়ের অন্যতম আলোচিত ঘটনা ছিল ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কার্যালয়ের কর্মকাণ্ড নিয়ে উচ্চ আদালতের কঠোর অবস্থান। আদালত মন্তব্য করেন, ‘ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যাকে-তাকে এভাবে খাওয়ানো এবং তা ফেসবুকে প্রচার করে জাতিকে এভাবে উপহাস করা বন্ধ করুন। রাষ্ট্র ও সংবিধান নিয়ে এভাবে নাটক করা ঠিক নয়।’ এরপর সরকার সরিয়ে দেয় তৎকালীন ডিবিপ্রধান হারুন-অর-রশিদকে। শিক্ষার্থীদের ওপর চলমান রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন, গণগ্রেপ্তার ও নির্মম হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে ২৯ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে ‘নিপীড়নবিরোধী শিক্ষক সমাবেশ’-এর আয়োজন করা হয়। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা এই সমাবেশে যোগ দিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেন। সরকারি শোকদিবস প্রত্যাখ্যান তৎকালীন সরকারের মন্ত্রিসভার বৈঠকে কোটা আন্দোলনে সহিংসতায় নিহতদের স্মরণে ৩০ জুলাই দেশব্যাপী রাষ্ট্রীয় শোকদিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তকে ‘কপটতা’ আখ্যা দিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে তা প্রত্যাখ্যান করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। শিক্ষার্থীরা ঘোষণা দেন, প্রতিবাদে কালো নয়, সামাজিক মাধ্যমে তাদের প্রোফাইল পিকচার লাল কাপড়ে ঢেকে বা লাল রঙের অবয়বে পরিবর্তন করা হবে। এতে লাখ লাখ মানুষ শামিল হন। জামায়াত-শিবির নিষিদ্ধের ঘোষণা আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে মোড় নিতে এবং রাজনৈতিক ট্যাগ লাগাতে আজকের দিনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটের বৈঠকে জামায়াত-শিবিরকে নিষিদ্ধ করার ঘোষণা দেয়। তবে সাধারণ শিক্ষার্থীরা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, এটি কোনো রাজনৈতিক দলের আন্দোলন নয়, এটি সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অধিকার আদায়ের লড়াই। কোনো রাজনৈতিক নিষেধাজ্ঞা দিয়ে এই গণজাগরণ স্তব্ধ করা যাবে না। - বিষয় : - জুলাই আন্দোলন
