এনসিপির গণসংযোগে বিএনপিকর্মীদের বাধার অভিযোগ
Why this classification
BNP activists allegedly obstructed an NCP election campaign in Iswardi on 8 February 2026, snatching leaflets, attempting to grab phones and threatening the campaigners. The report also says an attack was attempted, though no injuries were reported and the claims come from the NCP side.
Killed
0
Injured
0
Summary
৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (রোববার) বিকেলে পাবনার ঈশ্বরদীর আওতাপাড়া বাজারে এনসিপির 'হ্যাঁ ভোট' প্রচারণায় বিএনপি নেতা লিটন মাস্টার ও তার সহযোগীরা বাধা দিয়ে লিফলেট কেড়ে নেন এবং মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। যাওয়ার সময় '১২ তারিখের পর দেখে নেওয়া হবে' বলে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
75% · severity 3
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: NCP
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 08/02/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
এনসিপির গণসংযোগে বিএনপিকর্মীদের বাধার অভিযোগ
পাবনা-৪ আসন এনসিপির গণসংযোগে বিএনপিকর্মীদের বাধার অভিযোগ এনসিপির সংবাদ সম্মেলন ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ২০:৪৯ | আপডেট: ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ২০:৫১ ঈশ্বরদীতে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ ভোট’-এর পক্ষে গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ সময় লিফলেট বিতরণকারীদের ফোন কেড়ে নেওয়া, হুমকি-ধমকি এবং হামলার চেষ্টার ঘটনাও ঘটে। জানা গেছে, রোববার বিকেল ৫টার দিকে সাহাপুর ইউনিয়নের আওতাপাড়া বাজারে পাবনা-৪ (ঈশ্বরদী-আটঘরিয়া) আসনের এনসিপির অ্যাম্বাসাডর ড. এমএ মজিদের নেতৃত্বে ‘হ্যাঁ ভোট’-এর পক্ষে গণসংযোগ চলছিল। এ সময় সাহাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক লিটন মাস্টার তাঁর সহযোগীদের নিয়ে সেখানে উপস্থিত হয়ে গণসংযোগে বাধা দেন। তারা এনসিপি নেতাকর্মীদের অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেন। একপর্যায়ে লিফলেট কেড়ে নেন। এমনকি মোবাইল ফোনও কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। চলে যাওয়ার সময় ‘১২ তারিখের পর দেখে নেওয়া হবে’ বলে প্রকাশ্যে হুমকি দেন। এ ঘটনার প্রতিবাদে এনসিপির পক্ষ থেকে রোববার রাত ১০টার দিকে শহরের একটি রেস্তোরাঁয় সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। এ সময় জেলা কমিটির যুগ্ম সমন্বয়ক নূর উদ্দিন শফি কাজল বলেন, রোববার ‘হ্যাঁ ভোট’-এর পক্ষে শান্তিপূর্ণভাবে লিফলেট বিতরণ করার সময় হামলা চালানো হয়। স্থানীয়দের হস্তক্ষেপে বড় ধরনের সংঘর্ষ এড়ানো সম্ভব হলেও এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় আমরা উদ্বেগ প্রকাশ করছি এবং তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। বিষয়টি নির্বাচন কমিশনকে জানানো হয়েছে। আমরা ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি। সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির সদস্য মৃদুল দেওয়ান, সুলতান মাহমুদ খান বিদ্যুৎ, ইয়াসিন আরাফাত ইমন, নূর আহমেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। এ বিষয়ে কথা বলতে অভিযুক্ত লিটন মাস্টারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। কিন্তু তাঁকে পাওয়া যায়নি। তাঁর ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটিও বন্ধ রয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুর রহমান বলেন, ‘লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নির্বাচন কর্মকর্তাকে বলা হয়েছে।’
