উদ্বোধনের চার দিনেই রাস্তার ইট উধাও

AI-classifiedconfidence 60%

Why this classification

A group led by a former union council member allegedly tore up bricks from a newly built road on Saturday, 2 May 2026, in Charnabipur village, Sirajganj. This is a destructive act against public property, and it is recent, so it counts as vandalism, though no one was hurt and the accused denies the claim.

Reported by:SamakalSingle source
02/05/26•চরনবীপুর গ্রাম, গাড়াদহ ইউনিয়ন

Killed

0

Injured

0

Summary

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার গাড়াদহ ইউনিয়নের চরনবীপুর গ্রামে ২০২৬ সালের ২ মে (শনিবার) সাবেক ইউপি সদস্য আফসার আলীর নেতৃত্বে একদল লোক উদ্বোধনের মাত্র চার দিন পর উপজেলা পরিষদের অর্থায়নে নির্মিত ইটের রাস্তার ইট তুলে নিয়ে যায়। অভিযুক্তের দাবি, রাস্তাটি করতোয়া ডিগ্রি কলেজের জমিতে হওয়ায় জমি দখলমুক্ত করা হচ্ছে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

60% · severity 3

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

Afsar Ali (former Union Parishad member, accused)Shiuli (female UP member, witness)Sabrina Sharmin (Upazila Nirbahi Officer)Serajul Islam (acting principal, Karatoa Degree College)

Affected infrastructure

Newly built brick road (10 ft wide, 100 ft long) in Charnabipur village

Tags

Land Dispute

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 02/05/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Samakal · 04/05/26open original ↗

উদ্বোধনের চার দিনেই রাস্তার ইট উধাও

উদ্বোধনের চার দিনেই রাস্তার ইট উধাও শাহজাদপুর উপজেলার গাড়াদহ ইউনিয়নের চরনবীপুর গ্রামে নির্মাণের মাত্র চার দিনের মাথায় নতুন রাস্তাটির ইট তুলে ফেলা হয়েছে শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৩ মে ২০২৬ | ১৮:৩১ সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে নির্মাণের মাত্র চার দিনের মাথায় একটি নতুন রাস্তার ইট তুলে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সাবেক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার গাড়াদহ ইউনিয়নের চরনবীপুর গ্রামে, যা স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ও উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। সরেজমিনে জানা যায়, চরনবীপুর গ্রামের কয়েকটি পরিবারের দীর্ঘদিনের চলাচল সংকট নিরসনে উপজেলা পরিষদের অর্থায়নে ১০ ফুট প্রস্থ ও ১০০ ফুট দৈর্ঘ্যের একটি ইটের রাস্তা নির্মাণ করা হয়। গত ২৭ এপ্রিল সদ্য বিদায়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাশফিকা হোসেন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মুশফিকুর রহমান, থানার ওসি মো. সাইফুল ইসলাম, ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে রাস্তাটি উদ্বোধন করা হয়। কিন্তু উদ্বোধনের মাত্র চার দিনের মাথায়, গত শনিবার বিকেলে রাস্তার ইট খুলে নেওয়ার ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের অভিযোগ, গাড়াদহ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য আফসার আলীর নেতৃত্বে একদল লোক এসে রাস্তার ইট তুলে নিয়ে যায়। এ ঘটনার পর স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। তারা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপে রাস্তা পুনর্নির্মাণ এবং দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। ঘটনাস্থলে উপস্থিত নারী ইউপি সদস্য শিউলি বলেন, ‘কয়েকটি পরিবারের যাতায়াতের সুবিধার জন্য ইউএনও ম্যাডাম নিজ উদ্যোগে রাস্তাটি নির্মাণ করে দিয়েছিলেন। কিন্তু হঠাৎ করেই সাবেক মেম্বার আফসারের নেতৃত্বে কিছু লোক এসে ইট তুলে নিয়ে যাচ্ছে, যা খুবই দুঃখজনক।’ তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত সাবেক ইউপি সদস্য আফসার আলী। তিনি মুঠোফোনে বলেন, ‘আমি কোনো রাস্তার ইট তুলে নিচ্ছি না। যেখানে রাস্তা করা হয়েছে, সেটি করতোয়া ডিগ্রি কলেজের জমি। তাই কলেজের জায়গা দখলমুক্ত করা হচ্ছে।’ এ বিষয়ে করতোয়া ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সেরাজুল ইসলামের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাবরিনা শারমিন বলেন, ‘বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ উল্লেখ্য, স্থানীয় করতোয়া ডিগ্রি কলেজের জমির ওপর দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ইউসুফ আলী ও রফিক প্রমাণিকসহ কয়েকটি পরিবারের সদস্যরা যাতায়াত করতেন। সম্প্রতি প্রতিবেশী মিনা খাতুন ওই পথে বাঁশের বেড়া দিয়ে চলাচল বন্ধ করে দেন। এতে কয়েকটি পরিবার প্রায় ২০ দিন অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। পরে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে তাদের চলাচলের সুবিধার্থে ওই ইটের রাস্তা নির্মাণ করা হয়।