বিএনপি কর্মীকে দুই হাত বিচ্ছিন্ন করে হত্যা

AI-classifiedconfidence 94%

Why this classification

প্রতিবেদনটি সাম্প্রতিক (২৪ ঘণ্টার মধ্যে) এবং শারীরিক আক্রমণ ও হত্যার অন্তর্ভুক্ত, তাই এটি রাজনৈতিক হিংসা হিসেবে স্বীকৃত হয়েছে; তবে মূল প্রেরণা ব্যক্তিগত অর্থগত বিরোধ, তাই ক্যাটেগরি হিসেবে অপরাধমূলক হিংসা নির্ধারিত হয়েছে।

Reported by:JugantorSingle source
21/07/26•Rajarbag Bazar (near water pump)

Killed

1

Injured

0

Summary

২০২৬-০৭-২১ মঙ্গলবার রাত ৮টায় সবুজবাগের রাজারবাগ বাজারে ১০-১২ জনের দল ইব্রাহিম পলাশকে কুপিয়ে দুই হাত বিচ্ছিন্ন করে হত্যা করে; তিনি হাসপাতালে পৌঁছে মৃত ঘোষণা করা হয়।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

94% · severity 8

Perpetrator side

BNP

Victim side

BNP

Other actors

ইব্রাহিম পলাশরয়েলমো. সাইফুল ইসলামমো. হিরা

Tags

Murder

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: BNP

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: BNP

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 21/07/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Jugantor · 22/07/26open original ↗

দুই হাত বিচ্ছিন্ন করে বিএনপি কর্মীকে হত্যা

দুই হাত বিচ্ছিন্ন করে বিএনপি কর্মীকে হত্যা Advertisement যুগান্তর প্রতিবেদন প্রকাশ: ২২ জুলাই ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ রাজধানীর সবুজবাগে পানিরপাম্প এলাকায় পূর্ব শত্রুতার জেরে ইব্রাহিম পলাশ (৩২) নামের এক বিএনপি কর্মীকে কুপিয়ে দুই হাত বিচ্ছিন্ন করে নৃশংসভাবে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে সবুজবাগের রাজারবাগ বাজার এলাকায় হামলার শিকার হন তিনি। দুই হাত বিচ্ছিন্ন করা ছাড়াও তার বুকসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত করা হয়েছে। আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিলে রাত সাড়ে ৯টার দিকে চিকিৎসকরা পলাশকে মৃত ঘোষণা করেন। তিনি পেশায় প্রাইভেটকার চালক ছিলেন। পুলিশ জানিয়েছে, পলাশ বিএনপিকর্মী। তাকে যারা মেরেছে তারাও বিএনপির লোক। জানতে চাইলে সবুজবাগ থানার ওসি মো. সাইফুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, নিহত পলাশ নব্য-বিএনপিকর্মী। তাকে যারা মেরেছে তারাও একই দলের লোক। পলাশ তিন দিন আগে রয়েল নামে একজনের বাবা-মাকে মারধর করে। এর জেরেই রয়েল ও তার লোকজন পলাশকে কুপিয়ে হত্যা করেছে। বিরোধের কারণ জানতে চাইলে ওসি বলেন, রয়েলের এক শিষ্যের কাছে টাকা পায় পলাশ। সেই টাকা দেয় না পলাশকে। টাকা চাইতে গেলে রয়েল বাধা হয়ে দাঁড়ায়। এখান থেকেই বিরোধের শুরু। হত্যাকারীদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে বলে জানান ওসি। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে রাজারবাগ বাজারে পানিরপাম্পসংলগ্ন একটি মুদি দোকানের সামনে পলাশের ওপর হামলা চালায় ১০ থেকে ১২ জনের একটি দল। এ সময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কোপানো হয়। এতে তার দুই হাতের কবজি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এছাড়া বুকে ছুরিকাঘাত করা হয়। পরে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা পলাশকে উদ্ধার করে প্রথমে মুগদা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে ঢামেক হাসপাতালে নেওয়া হয়। নিহত পলাশ লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার সোনাপুর এলাকার আবুল কাশেমের ছেলে। তিনি সবুজবাগের মাদারটেক এলাকায় থাকতেন। নিহতের বোন জোসনা আক্তার বলেন, হামলাকারীদের কয়েকজনের নাম জানতে পেরেছেন তারা। এর মধ্যে স্থানীয় রয়েল, সবুজ ও নাঈমের নাম বলেছেন কয়েকজন। এদিকে পলাশকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া তার বন্ধু মো. হিরা জানিয়েছেন, ৪-৫ দিন আগে এলাকার গ্যারেজ থেকে একটি রিকশা চুরি করে নিয়ে যায় সবুজ। পলাশ সেই রিকশা উদ্ধার করতে গিয়েছিলেন। এ নিয়ে সবুজের সঙ্গে তর্কবিতর্ক হয় পলাশের। তারই জের ধরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে।