বাসের টিকিট কাটা নিয়ে ২ জেলার সংঘর্ষ, আহত অন্তত ১০

AI-classifiedconfidence 94%

Why this classification

The incident was a dispute between local residents over a bus ticket, with no political party or organization mentioned, so it does not meet the criteria for political violence.

Reported by:Ajker PatrikaSamakalJugantorCorroborated · 3 sources
02/10/26•Bhurghata Bridge

Killed

0

Injured

10

Summary

২ অক্টোবর সন্ধ্যায় মাদারীপুরের কালকিনি ও গৌরনদী উপজেলার মধ্যে বাস টিকিট কাটার বিবাদে দফা দফা সংঘর্ষে কমপক্ষে ১০ জন আহত হয় এবং প্রায় ২০টি দোকান ভাঙচুর করা হয়। ককটেল বিস্ফোরণ ও মহাসড়কে টায়ার জ্বালিয়ে প্রতিবাদে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে দুই ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

94% · severity 5

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

এমারত ঘরামীসবুজ ফকিরআকাশ ফকিরOC জহিরুল আলম

Affected infrastructure

shopshighway

Tags

Gang War

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 10

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 02/10/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (3 sources)

Source 1: Samakal · 05/03/26open original ↗

মাদারীপুরে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে চাচাতো ভাইকে খুন, আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদে দায় স্বীকার

মাদারীপুরে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে চাচাতো ভাইকে খুন, আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদে দায় স্বীকার মরদেহের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে স্থানীয়দর ভিড়। ছবি: সমকাল মাদারীপুর প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৫ মার্চ ২০২৬ | ০২:০৬ | আপডেট: ০৫ মার্চ ২০২৬ | ০২:০৬ মাদারীপুরে চাচাতো ভাইকে গোপনে রেখে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে দেওয়া হয় অপহরণের মামলা। হত্যাকারী নিজেই দুই মাস চাচাতো ভাইকে গোপন করে রাখে। পরে নিজেই চাচাতো ভাইকে হত্যা করে মুখমণ্ডল বিকৃত করে রাতের আঁধারে সদর উপজেলার দুর্গাবদী এলাকায় একটি ভুট্টা খেতে ফেলে যায়। প্রথমে হত্যাকাণ্ডটি সম্পূর্ণ ক্লুলেস হলেও অপহরণ মামলার বাদীকে আটকের পরে সে তার চাচাতো ভাইকে হত্যার কথা স্বীকার করে। লাশের পরিচয় আড়াল করতে মুখমণ্ডলের চামড়া তুলে ফেলা হয়। বুধবার বিকেলে ময়নাতদন্ত শেষে নিজ বাড়িতে নিহত সিরাজ সরদারকে দাফন করা হয়। এ ঘটনায় মোট চারজনকে আটক করে পুলিশ। জানা যায়, গত ২২ ফেব্রুয়ারি মাদারীপুর সদর উপজেলার দুধখালি ইউনিয়নের দুর্গাবদী গ্রামের জয়নাল বেপারীর বাড়ির পাশের একটি ভুট্টা ক্ষেত থেকে মুখমণ্ডল বিকৃত অবস্থায় অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে পুলিশ। পরে পরিচয় জানতে পারে যে, নিহত সিরাজ সরদার (৫৬) সদর উপজেলার দক্ষিণ বিরাঙ্গল গ্রামের নুর মোহাম্মদ সরদারের ছেলে। দুই মাসেরও বেশি সময় তাকে গোপনে রাখে নিহতের চাচাতো ভাই ওই গ্রামের হালান সরদারের ছেলে বিল্লাল সরদার। প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে বিল্লাল সরদার (৪০) বাদী হয়ে একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন। তদন্তের এক পর্যায়ে বিলাল সরদারকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে চাচাতো ভাই সিরাজ সরদারকে হত্যা কথা স্বীকার করে বিল্লাল সরদার। পরে তার দেওয়া তথ্যমতে, এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ওই এলাকার এনজেল খালাসীর ছেলে লিয়াকত খালাসী (৩৫) ও বিল্লাল সরদারের শ্যালিকা খাদিজাকে আটক করে পুলিশ। মঙ্গলবার দুপুরে মাদারীপুর পুলিশ সুপার কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার এহতেশামুল হক হত্যাকারীকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানোর হয়েছে বলে জানান। ময়নাতদন্ত শেষে বুধবার বিকেলে সিরাজ সরদারের লাশ নিজ বাড়িতে দাফন করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত সবাইকে বিচারের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানায় নিহতের পরিবার ও স্বজনরা। এ বিষয়ে স্থানীয়রা জানায়, অপহরণের নাটক সাজিয়ে প্রতিপক্ষকে ফাঁসানো ও মামলা বাণিজ্য করে হত্যাকারী বিল্লাল সরদার। অবশেষে নিজেকে সব ধরনের দায় থেকে বাঁচাতে চাচাতো ভাইকে হত্যা করে। পুলিশের হাতে আটক হওয়ার পরে হত্যার কথা স্বীকার করেন। তার সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান তারা। এ বিষয়ে নিহতের ছেলে শহিদুল সরদার বলেন, তার বাবার হত্যার সাথে জড়িত সকলকে আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসির দাবি জানাই। এ বিষয়ে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, ক্লুলেস একটি হত্যাকাণ্ডের জট খুলেছে। আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার কথা স্বীকার করে বিল্লাল সরদার। তাকে আদলতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। বাকি দুই আসামিকেও আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। - বিষয় : - মাদারীপুর

Source 2: Ajker Patrika · 03/10/26open original ↗

বাসের টিকিট কাটা নিয়ে ২ জেলার সংঘর্ষ, আহত অন্তত ১০

বরিশালের লোকাল বাসের টিকিট কাটা নিয়ে বিরোধের জেরে মাদারীপুরের কালকিনি ও বরিশালের গৌরনদী উপজেলার দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১০ জন আহত এবং বেশ কয়েকটি দোকানপাট ভাঙচুর করা হয়েছে। ককটেল বিস্ফোরণ ও মহাসড়কে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভের কারণে প্রায় দুই ঘণ্টা ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকে। গতকাল শুক্রবার (২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার সীমান্তবর্তী ভূরঘাটা সেতুর ওপর এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকালে মাদারীপুরের ডাসার উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের বনগ্রামের সেলিম ঘরামীর ছেলে এমারত ঘরামী বরিশাল যাওয়ার উদ্দেশে ভূরঘাটা এলাকার একটি বাস কাউন্টারে টিকিট কাটতে যান। অসুস্থ থাকায় তিনি বাসের সামনের একটি সিট চান। কিন্তু কাউন্টারের সুপারভাইজার সিট দিতে অস্বীকৃতি জানালে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে কাউন্টারের কর্মচারী সবুজ ফকিরের সঙ্গে এমারতের বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। এ সময় সবুজের চাচাতো ভাই আকাশ ফকির পাশের একটি মুদি দোকান থেকে এসে এমারতকে মারধর করেন। এই ঘটনার জেরে গত বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে এমারত ওই কাউন্টারে গেলে আবারও বাক্‌বিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। সে সময় উপস্থিত লোকজন পরিস্থিতি শান্ত করেন। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ভূরঘাটা সেতু এলাকায় দুই পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এ সময় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে মহাসড়কে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করা হলে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে প্রায় দুই ঘণ্টা যান চলাচল পুরোপুরি বন্ধ থাকে। এতে মহাসড়কের উভয় পাশে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়ে যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়েন। সংঘর্ষে ভূরঘাটা এলাকার প্রায় ২০টি দোকান ভাঙচুর করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পুলিশ জানিয়েছে, উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। খবর পেয়ে কালকিনি ও গৌরনদী থানা-পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করে। এ বিষয়ে কালকিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহিরুল আলম বলেন, ‘টিকিট কাটাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। বর্তমানে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে এবং মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক আছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’

Source 3: Jugantor · 11/03/26open original ↗

মাদারীপুরে হত্যার জেরে ৩০ ঘরে আগুন, পরিদর্শনে ডিআইজি

মাদারীপুরে হত্যার জেরে ৩০ ঘরে আগুন, পরিদর্শনে ডিআইজি Advertisement টেকেরহাট (মাদারীপুর) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১১ মার্চ ২০২৬, ০৬:৩২ পিএম মাদারীপুরে হত্যার জেরে ৩০ ঘরে আগুন দেওয়ার ঘটনায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিক মাদারীপুরে ব্যবসায়ী আলমগীর হাওলাদার হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় প্রতিপক্ষের অন্তত ৩০টি বসতঘর ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। ১২ ঘণ্টার ব্যবধানে দুটি ঘটনায় এখন পুরুষশূন্য পুরো এলাকা। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ। গ্রেফতার করা হয়েছে তিনজনকে। বুধবার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার কথা জানিয়েছেন ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিক। জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মাদারীপুর সদর উপজেলার ‘নতুন মাদারীপুর’ গ্রামের মনিরুজ্জামান আক্তার হাওলাদারের সঙ্গে একই এলাকার হাসান মুন্সির বিরোধ চলছিল। এরই জেরে মঙ্গলবার সকালে মনিরুজ্জামানের চাচাতো ভাই আলমগীর হাওলাদারকে কুপিয়ে হাত বিচ্ছিন্ন করে হত্যা করা হয়। এ হত্যাকাণ্ডের জেরে সন্ধ্যায় হাসান মুন্সির গ্রুপের অন্তত ৩০টি বসতঘর ভাঙচুর-লুটপাট করে অগ্নিসংযোগ করে। পুড়ে ছাই হয়ে যায় বেঁচে থাকার শেষ আশ্রয়স্থল। হত্যাকাণ্ড ও আগুনের এই ঘটনায় আতঙ্কে বাসিন্দারা। বিচার চান ভুক্তভোগীরা। বুধবার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আসেন ঢাকা রেঞ্জ পুলিশের ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিক। কথা বলেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সঙ্গে। আশ্বাস দেন দ্রুত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার। এ সময় তিনি জানান, সাধারণ মানুষকে নিরাপত্তা দিতে কাজ করছে পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট। নিহত আলমগীর হাওলাদারের বোন লাইজু আক্তার বলেন, আমার ভাইকে পরিকল্পিতভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এ ঘটনার বিচার চাই। আমাদের কেউ হাসান মুন্সির কোনো লোকজনের বসতঘরে আগুন দেয়নি। আগুন নিজেরাই ধরিয়ে আমাদের নামে অপবাদ দিচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত হামুমন নেছা বলেন, আমার ছেলে বিদেশে থাকে। কোনো দল করে না। অথচ রাতের বেলা এসে আমাদের বসতঘর ভাঙচুর-লুটপাট করে আগুন ধরিয়ে দেয়। আমি এর বিচার চাই। বাচ্চু হাওলাদারের মেয়ে ডালিয়া আক্তার বলেন, আমাদের ঘরে কিছুই নাই। সবকিছু লুটপাট করে নিয়ে গেছে। বেঁচে থাকার জন্য শুধু এখন আছে পরনের একটি কাপড়। কবে এই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড থেকে আমরা মুক্তি পাব। ঢাকা রেঞ্জ পুলিশের ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিক বলেন, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মামলা হয়েছে। মামলায় এজাহারনামীয় আসামিদের ধরতে পুলিশের অভিযান চলমান রয়েছে। এলাকায় শান্তিশৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে পুলিশ কাজ করছে। বাড়ানো হয়েছে টহল। জেলা প্রশাসনকেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যাতে সাধারণ মানুষ আর কোনো ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। এদিকে আলমগীর হাওলাদার হত্যার ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে সদর মডেল থানায় ৮৬ জনের নামে মামলা করলে দুইজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। অপরদিকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মাদারীপুর পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর মনিরুজ্জামান আক্তার হাওলাদারকে আটক করা হয়েছে।