বাঁধ কাটা নিয়ে দুপক্ষে সংঘর্ষ আহত ২০, ১৪৪ ধারা জারি

AI-classifiedconfidence 88%

Why this classification

This is a specific clash on 4 April 2026 in which villagers from two groups fought with local weapons after one side forcibly cut an embankment in Dakuya Haor, Sunamganj. At least 20 to 25 people were injured, and Section 144 was imposed in the area, so it qualifies as a physical clash.

Reported by:SamakalSingle source
04/04/26•ডাকুয়ার হাওরের বাঁধ, মোহনপুর, সুনামগঞ্জ সদর

Killed

0

Injured

25

Summary

সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার ডাকুয়ার হাওরে ৪ এপ্রিল ২০২৬ (শনিবার) বাঁধ কাটা নিয়ে দুই গ্রামের কৃষকদের মধ্যে দেশি অস্ত্রশস্ত্রসহ সংঘর্ষে কমপক্ষে ২৫ জন আহত হন। ঘটনার পর এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয় এবং আহতদের সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

88% · severity 6

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সঞ্জিত কুমার চন্দমোহনপুর গ্রামের ইউপি সদস্য নূরুল আমিননোয়াগাঁও গ্রামের কৃষক ইমাম হোসেনপানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী খায়রুল আলমকাঠইর ইউনিয়নের তিন গ্রামের কৃষকমোহনপুর, শান্তিপুর ও সর্দারপুর গ্রামের কৃষক

Affected infrastructure

ডাকুয়ার হাওরের ফসল রক্ষা বেড়িবাঁধহাওরের ফসলি জমি

Tags

Land Dispute

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 25

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 04/04/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Samakal · 05/04/26open original ↗

বাঁধ কাটা নিয়ে দুপক্ষে সংঘর্ষ আহত ২০, ১৪৪ ধারা জারি

সুনামগঞ্জে হাওরে জলাবদ্ধতা বাঁধ কাটা নিয়ে দুপক্ষে সংঘর্ষ আহত ২০, ১৪৪ ধারা জারি সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৪ এপ্রিল ২০২৬ | ২২:০৯ সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার ডাকুয়ার হাওরের বাঁধ কাটা নিয়ে দুপক্ষের সংঘর্ষে কমপক্ষে ২৫ জন আহত হয়েছেন। আহতদের সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাঁধ এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় আজ শনিবার ১৪৪ ধারা জারি করেছে প্রশাসন। স্থানীয়রা জানান, ডাকুয়ার হাওরের বাঁধ নিয়ে গত দুদিন দুই ইউনিয়নের চার গ্রামের মধ্যে উত্তেজনা চলছিল। ডাকুয়ার হাওরের মোহনপুর ইউনিয়নের মোহনপুর, শান্তিপুর ও সর্দারপুর গ্রামবাসীর জমি রয়েছে। অন্যদিকে, পাশের ছনুয়ার হাওরে কাঠইর ইউনিয়নের নোয়াগাঁও, গোলেরগাঁও, কান্দাগাঁও ও উলুতুলু গ্রামের কৃষকরা জমি চাষাবাদ করেন। এ দুই হাওরের মাঝখানে ফসল রক্ষা বেড়িবাঁধ রয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের। ছনুয়ার হাওর অপেক্ষাকৃত উজানে, ডাকুয়ার নিচু এলাকা। হাওরে ছনুয়ায় ৩১০ হেক্টর ও ডাকুয়ায় ৪২০ হেক্টর জমি রয়েছে। গেল কয়েক দিনের বৃষ্টিতে ছনুয়ার হাওরে জলাবদ্ধতা দেখা দিলে বাঁধ কেটে পানি ছাড়তে চান কাঠইরের তিন গ্রামের কৃষক। তাতে মোহনপুর, শান্তিপুর ও সর্দারপুরের কৃষকরা বাধা দেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সবার মতামত না নিয়ে বাঁধ কাটতে বাধা দেওয়া হয়। কিন্তু কাঠইর ইউনিয়নের তিন গ্রামের লোকজন বাধা না মেনে গতকাল বাঁধ কাটতে শুরু করেন। এ সময় মোহনপুরের জমায়েত অপেক্ষাকৃত কম থাকায় বাঁধ কেটে দেয় কাঠইরের লোকজন। খবর পেয়ে মোহনপুরের অন্যান্য লোকজন সেখানে গেলে দুপক্ষে সংঘর্ষ বাধে। এ সময় উভয় পক্ষের কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়েছেন। এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করায় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বাঁধের আশপাশে ১৪৪ ধারা জারি করেন। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। চোখের সামনে হাওর ডুবে যাওয়ায় মোহনপুর, শান্তিপুর, সর্দারপুর গ্রামের কৃষকরা হাহাকার করছেন। পাউবোর দায়িত্বশীলরা জানান, শনিবার সকালে মোহনপুর গ্রামের কৃষক এবং নোয়াগাঁও, গোলেরগাঁও, কান্দাগাঁও ও উলুতুলু এলাকার কৃষকদের নিয়ে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সঞ্জিত কুমার চন্দ বাঁধের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে জরুরি সভায় বসেন। তিনি বিষয়টি সমাধানের জন্য একটি কমিটি গঠন করে দেন। অন্যদিকে, একই সময়ে কয়েকশ লোকজন জড়ো হয়ে দেশি অস্ত্রশস্ত্রসহ ঘটনাস্থলে গিয়ে জোরপূর্বক ডাকুয়ার হাওরের বাঁধ কেটে দেন। খবর পেয়ে মোহনপুর গ্রামের লোকজন গিয়ে বাধা দেওয়ায় দুপক্ষে সংঘর্ষ বাধে। এ সময় মোহনপুর গ্রামের আলী, আফিজ, সুকুর আলী, আজিজুল, জাহাঙ্গীর; নোয়াগাঁও গ্রামের ইমাম হোসেন, জসিম উদ্দিন, রূপা মিয়া, উজ্জ্বল, ফজলু মিয়া, সৈয়দ মিয়া, এমদাদ মিয়াসহ উভয় এলাকার অন্তত ২০ জন আহত হন। আহতরা সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। সন্ধ্যায় মোহনপুর গ্রামের বাসিন্দারা জেলা প্রশাসক, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীসহ প্রশাসনের সংশ্লিষ্টদের তাদের হাওরের ফসল ডুবে যাওয়ার বিষয়টি অবগত করেন। মোহনপুর গ্রামের ইউপি সদস্য নূরুল আমিন বলেন, গ্রামের লোকজন বাঁধ কাটতে বাধা দেওয়ায় তাদের ওপর হামলা করা হয়েছে। তাতে ১০-১২ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। তিনি বলেন, আমরা প্রশাসনের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছি। কিন্তু অন্যপক্ষ সন্ত্রাসী স্টাইলে অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে এসে বাঁধ কেটে দিয়েছে। নোয়াগাঁও গ্রামের কৃষক ইমাম হোসেন বলেন, আমাদের জমি জলাবদ্ধতায় ডুবে যাচ্ছে। পাউবো মাঝখানে বাঁধ দিয়ে রেখেছে। এই বাঁধ কেটে দিলে পানি ডাকুয়ার হাওরে থাকবে না, ভাটির দিকে গিয়ে নদীতে পড়ে যাবে। তবুও তারা বাঁধ কাটতে দেয়নি, এ জন্য আমাদের লোকজন উত্তেজিত হয়েছে। এ সময় দুপক্ষে মারামারিতে আমিসহ সাতজন আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছি। পানি উন্নয়ন বোর্ডের সদর উপজেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত উপসহকারী প্রকৌশলী খায়রুল আলম বলেন, ছনুয়ার হাওরের কৃষকরা জোর করে ডাকুয়ার হাওরের বাঁধ কেটে দিতে চাইলে ডাকুয়ার হাওরের কৃষকরা প্রশাসনের শরণাপন্ন হন। শনিবার সকালে দুই এলাকার কৃষকদের নিয়ে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জরুরি সভা করে একটি কমিটি করে দেন। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সুনজিত কুমার চন্দ বলেন, মোহনপুরের ডাকুয়া বাঁধ এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। - বিষয় : - সুনামগঞ্জ