নাটোরে তেল দিতে দেরি হওয়ায় ফিলিং স্টেশনে ভাঙচুর, পরে বিক্রি বন্ধ
Why this classification
This is a single, specific incident in which a truck driver allegedly ransacked the cash room and manager's room of a filling station in Natore and harassed staff after not receiving fuel quickly enough. Vandalism is a qualifying violent act, and the report occurred yesterday, so it falls within the recent window. The driver disputes the vandalism charge, but the incident is still reported as a concrete event.
Killed
0
Injured
0
Summary
নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার আহম্মদপুরে কানন ফিলিং স্টেশনে বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল ২০২৬) রাত দেড়টার দিকে তেল দিতে দেরি হওয়ায় স্থানীয় ট্রাকচালক আবদুল ওহাব ক্যাশ রুম ও ব্যবস্থাপকের কক্ষে ভাঙচুর চালান এবং কর্মচারীদের লাঞ্ছিত করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত চালক এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি শুধু ইটভাটার গাড়িতে নিয়ম ভেঙে তেল দেওয়ার প্রতিবাদ করেছেন, এবং পুলিশ জানিয়েছে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থার প্রক্রিয়া চলছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
80% · severity 4
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 16/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
তেল দিতে দেরি হওয়ায় ফিলিং স্টেশনে ভাঙচুর, বিক্রি বন্ধ
তেল দিতে দেরি হওয়ায় ফিলিং স্টেশনে ভাঙচুর, বিক্রি বন্ধ Advertisement বড়াইগ্রাম (নাটোর) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০২:১৩ পিএম নাটোরের বড়াইগ্রামে তেল দিতে দেরি হওয়ায় একটি ফিলিং স্টেশনে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার পর তেল বিক্রি বন্ধ রেখেছে পাম্পটি। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) রাত দেড়টার দিকে উপজেলার আহম্মেদপুর এলাকার কানন ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে। ফিলিং স্টেশনের ক্যাশিয়ার ফজর আলী জানান, সন্ধ্যায় প্রায় ৯ হাজার লিটার ডিজেল পাওয়ার পর তা ক্রেতাদের কাছে একটানা বিক্রি করা হয়। রাত দেড়টার দিকে কর্মচারীরা খাবার খেতে গেলে স্থানীয় ট্রাকচালক আব্দুল ওয়াহাব তাৎক্ষণিকভাবে তেল দেওয়ার দাবি করেন। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে বললে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ক্যাশ কাউন্টারের সামনের কাঁচের দেয়াল, ক্যাশ রুম ও ব্যবস্থাপকের কক্ষে ভাঙচুর চালান। একই সঙ্গে দুটি কক্ষের মালামাল তছনছ করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই তিনি পালিয়ে যান। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রতিষ্ঠানটির ম্যানেজার শিহাব উদ্দিন বলেন, আমি ২০ বছর ধরে এ প্রতিষ্ঠানে চাকরি করি। এমন বাজে ব্যবহার কোনো ক্রেতার কাছে পাইনি। তেল পেতে একটু দেরি হওয়ায় ব্যাপক ভাঙচুর ও তছনছ করেছে ওয়াহাব ড্রাইভার। আমাদেরও লাঞ্ছিত করেছে। আমরা এর বিচার চাই। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে আব্দুল ওয়াহাব জানান, তিনি নিজের ট্রাকে তেল নিতে গিয়ে কয়েকঘণ্টা অপেক্ষা করছিলেন। তার দাবি, পাম্প কর্তৃপক্ষ নিয়ম ভেঙে বনলতা অটো ইটভাটার গাড়িতে একটানা তেল দিচ্ছিল। তিনি শুধু এর প্রতিবাদ করেছেন, ভাঙচুর করেননি। ফিলিং স্টেশনটির মালিক ধীরেন্দ্রনাথ সাহা ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন দাবি করে বলেন, খাবার খেতে যাওয়ার সময় ওই চালক তাৎক্ষণিক তেল না পেয়ে ভাঙচুর ও কর্মচারীদের লাঞ্ছিত করেন। বিষয়টি পুলিশ ও জেলা পেট্রোলপাম্প মালিক সমিতিকে জানানো হয়েছে। হামলাকারীর শাস্তি না হওয়া পর্যন্ত তেল বিক্রি বন্ধ রাখা হবে। ইটভাটার গাড়িতে তেল দেওয়ার বিষয়ে ধীরেন্দ্র নাথ সাহা বলেন, তারা আমাদের নিয়মিত ক্রেতা। তাদের তেল দেওয়া আমাদের দায়িত্ব। তাই বলে ভাঙচুর করতে হবে কেন। এ ব্যাপারে বড়াইগ্রাম থানার ওসি আব্দুস ছালাম জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
নাটোরে তেল দিতে দেরি হওয়ায় ফিলিং স্টেশনে ভাঙচুর, পরে বিক্রি বন্ধ
গতকাল বৃহস্পতিবার রাত দেড়টার দিকে কানন ফিলিং স্টেশনে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার আহম্মদপুর এলাকায়ছবি: সিসিটিভি ফুটেজ থেকে সংগৃহীত নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার একটি ফিলিং স্টেশনে ভাঙচুরের ঘটনায় তেল বিক্রি বন্ধ রাখা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত দেড়টার দিকে উপজেলার আহম্মদপুর এলাকায় কানন ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে। ফিলিং স্টেশনটির কর্মচারীরা জানান, গতকাল সন্ধ্যায় প্রায় ৯ হাজার লিটার ডিজেল পাওয়ার পর তা ক্রেতাদের কাছে বিক্রি শুরু হয়। রাত দেড়টার দিকে কর্মচারীরা খাবার খেতে গেলে স্থানীয় ট্রাকচালক আবদুল ওহাব তাৎক্ষণিকভাবে তেল দেওয়ার দাবি করেন। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে বললে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ক্যাশ রুম ও ব্যবস্থাপকের কক্ষে ভাঙচুর চালান। দুটি কক্ষের মালামাল তছনছ করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই তিনি সটকে পড়েন। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রতিষ্ঠানটির ক্যাশিয়ার ফজর আলী বলেন, ‘আমি ২৫ বছর ধরে তেল বিক্রি করি। এমন বাজে ব্যবহার কোনো ক্রেতার কাছে পাইনি। তেল পেতে একটু দেরি হওয়ায় ব্যাপক ভাঙচুর ও তছনছ করেছে ওহাব ড্রাইভার; আমাকে লাঞ্ছিতও করেছে। আমরা এর বিচার চাই।’ তবে অভিযোগ অস্বীকার করে আবদুল ওহাব জানান, তিনি নিজের ট্রাকে তেল নিতে গিয়ে কয়েক ঘণ্টা অপেক্ষা করছিলেন। তাঁর দাবি, পাম্প কর্তৃপক্ষ নিয়ম ভেঙে একটি ইটভাটার গাড়িতে একটানা তেল দিচ্ছিল। তিনি শুধু এর প্রতিবাদ করেছেন, ভাঙচুর করেননি। ফিলিং স্টেশনটির মালিক ধীরেন সাহা ঘটনাস্থলে ছিলেন দাবি করে বলেন, খাবার খেতে যাওয়ার সময় ওই চালক তাৎক্ষণিক তেল না পেয়ে ভাঙচুর ও কর্মচারীদের লাঞ্ছিত করেন। বিষয়টি পুলিশ ও পেট্রলপাম্প মালিক সমিতিকে জানানো হয়েছে। হামলাকারীর শাস্তি না হওয়া পর্যন্ত তেল বিক্রি বন্ধ রাখা হবে। ইটভাটার গাড়িতে তেল দেওয়ার বিষয়ে ধীরেন সাহা বলেন, ‘তারা আমাদের নিয়মিত ক্রেতা। তাদের তেল দেওয়া আমাদের দায়িত্ব। তাই বলে ভাঙচুরের কোনো সুযোগ নেই।’ অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে জানিয়ে নাটোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) ইফতেখার আহমেদ বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন নাটোরজ্বালানি তেল সংকটভাঙচুরবড়াইগ্রামরাজশাহী বিভাগ
