বীর মুক্তিযোদ্ধার ছেলের ধান কেটে নিল প্রতিপক্ষ
Why this classification
This report describes a specific incident on 6 May 2026 in which a group of 7-8 people, led by the brother of a local BNP union president, allegedly forcibly harvested a farmer's paddy and carried out attacks and vandalism. The claims come from the victim's press conference and are not independently verified, and no deaths or injuries are reported, but the forcible taking of crops and alleged attacks are concrete violent acts within the 14-day window.
Killed
0
Injured
0
Summary
বাগেরহাটের চিতলমারীর কুরমনি গ্রামে ৬ মে বিএনপি নেতার ভাই লতিফ খানের নেতৃত্বে ৭-৮ জন লোক বীর মুক্তিযোদ্ধার ছেলে লিটন বড়ালের জমির পাকা ধান জোর করে কেটে নিয়ে যান বলে অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগে চাঁদা দাবি, হামলা-ভাঙচুর এবং বাধা দিলে পুড়িয়ে হত্যা ও মাটিতে পুঁতে ফেলার হুমকির কথাও বলা হয়েছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
75% · severity 4
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 06/05/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
চিতলমারীতে সংঘর্ষে যুবক নিহত, ভাঙচুর-আগুন
চিতলমারীতে সংঘর্ষে যুবক নিহত, ভাঙচুর-আগুন বাগেরহাট প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৮ মার্চ ২০২৬ | ০৭:৫৮ | প্রিন্ট সংস্করণ বাগেরহাটের চিতলমারীর চিংগড়ী গ্রামে মধুমতী নদীর চরের জমি দখল নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। এতে এক যুবক নিহত ও অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষ-পরবর্তী হামলা, ভা ঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগে অন্তত ৪০টি বাড়িঘর-দোকান তছনছ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত এই সংঘাত চলে। পরে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। নিহত ব্যক্তির নাম রাজিব শেখ (২৫)। তিনি চিংগড়ী গ্রামের ফারুক শেখের ছেলে। তাঁর লাশ ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় সৌরভ বিশ্বাস নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তিনি মচন্দপুর গ্রামের সোহেল বিশ্বাসের ছেলে। সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, বৃহস্পতিবার বিকেলে আরিফ শেখ নামে এক যুবক চিতলমারী-পাটগাতী সড়ক দিয়ে মোটরসাইকেলে যাচ্ছিলেন। স্থানীয় বিশ্বাস পরিবারের লোকজন ওই যুবককে একা পেয়ে আঘাত করে। বিষয়টি জানাজানি হলে শেখ পরিবার ও বিশ্বাস পরিবারের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। সন্ধ্যায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। ওই সময় সাইদ বিশ্বাস, সোহাগ মেম্বরের নেতৃত্বে শেখ বাড়িতে হামলা হয়। এতে অন্তত ৪০টি বাড়িঘর লুট, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ করা হয়। ক্ষতিগ্রস্ত মো. বাবলু শেখ বলেন, তারা সবাই অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে একসঙ্গে এসেছে। পুলিশের সামনেই আমাদের বাড়িঘরে আগুন দিয়েছে। নুরে আলম দারগা তাদের দিয়ে এসব করিয়েছে। আমার ঘর থেকে ৯ ভরি স্বর্ণ ও পাঁচ লাখ টাকার মালপত্র নিয়ে গেছে। অন্তত ৪০ ঘরে আগুন দিয়েছে। স্থানীয় ইদ্রিস শেখের ছেলে নুরু শেখ বলেন, আমার দুই ভাই বিদেশে থাকে। অনেক কষ্ট করে দোতলা ঘর করছিলাম। সব শেষ করে দিয়েছে। ঘরে যে মালপত্র ছিল, সব লুট করেছে। আমাদের ঘর থেকে স্বর্ণ, মালপত্রসহ অন্তত দেড় কোটি টাকার জিনিস নিয়ে গেছে। সাইদ বিশ্বাস, কালা বিশ্বাস ও সোহাগের নেতৃত্বে এসব হয়েছে। নুরু শেখ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মধুমতী চরের জমি দখল নিয়ে আলম শেখের সঙ্গে বিশ্বাস পরিবারের বিরোধ চলছিল। এই বিরোধের জেরে বিশ্বাস পরিবারের সদস্যরা আলম শেখকে হত্যা করে। হত্যার পরেও থামেনি দুই পরিবারের বিরোধ। এই বিরোধে এর আগেও কয়েকবার দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এ নিয়ে তিনজন নিহত হয়েছে। এদিকে গতকাল দুপুরে ওই এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, ফের হামলার শঙ্কায় মচন্দপুর গ্রামের বিশ্বাস বাড়ি থেকে মূল্যবান মালপত্র ভ্যান, নছিমন ও পিকআপে করে আত্মীয়স্বজনের বাড়ি পাঠাচ্ছেন। তাদের দাবি, শেখ পরিবারের লোকজন আমাদের বাড়িতে হামলা করতে সংগঠিত হচ্ছে। বাগেরহাটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. শামীম হোসেন বলেন, অনেক বসতঘরে অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এক যুবক নিহত ও অনেকে আহত হয়েছেন। অপরাধীদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। চিতলমারী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের স্টেশন কর্মকর্তা আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রতিপক্ষের বাধার কারণে আগুন নেভাতে কিছুটা দেরি হয়। ২০ থেকে ২৫টি বসতঘর পুড়েছে। চারটি ইউনিট একযোগে কাজ করে তিন ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নেভাতে পেরেছি। - বিষয় : - নিহত
বীর মুক্তিযোদ্ধার ছেলের ধান কেটে নিল প্রতিপক্ষ
চিতলমারীতে বিএনপি নেতার প্রভাব বীর মুক্তিযোদ্ধার ছেলের ধান কেটে নিল প্রতিপক্ষ Advertisement বাগেরহাট প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৯ মে ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ চিতলমারীতে বিএনপি নেতার প্রভাব খাটিয়ে জমির পাকা ধান জোরপূর্বক কেটে নেওয়া, চাঁদা দাবি ও হামলা-ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। বাধা দেওয়ায় পুড়িয়ে হত্যা করে মাটিতে পুঁতে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার বাগেরহাট প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন উপজেলার কুরমনি গ্রামের লিটন বড়াল। লিখিত বক্তব্যে লিটন বলেন, তিনি একজন সাধারণ মানুষ এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা মৃত প্রতুল কুমার বড়ালের একমাত্র ছেলে। বাবার রেখে যাওয়া ফসলি জমি চাষাবাদ করেই তার পরিবার জীবিকা নির্বাহ করে আসছে। চলতি মৌসুমে কুরমনি মৌজার ৫৬৩ দাগের ১৮৩ নম্বর খতিয়ানের জমিতে তিনি বোরো ধান চাষ করেন। ৬ মে চিতলমারী সদর ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি মো. মনিরুল ইসলাম খানের বড় ভাই লতিফ খান ৭-৮ জনকে নিয়ে ওই জমির পাকা ধান জোর করে কেটে নিয়ে যান।
