চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ, ভাঙল কক্সবাজারফেরত যাত্রীর চার দাঁত
Why this classification
This is a single, concrete incident on 27 April 2026 in which a stone thrown from outside a moving train injured two passengers, one losing four teeth and the other suffering a serious neck injury. The article's statistics on earlier stone-throwing incidents on the rail network are background only and were not counted as separate events.
Killed
0
Injured
2
Summary
সোমবার (২০২৬-০৪-২৭) দুপুরে কক্সবাজার থেকে ঢাকাগামী কক্সবাজার এক্সপ্রেস ট্রেন চকরিয়া এলাকা অতিক্রমের সময় বাইরে থেকে ছোড়া পাথরে দুই যাত্রী আহত হন। আহতদের মধ্যে মোহাম্মদ হিমেল আহমেদের চারটি দাঁত ভেঙে গেছে এবং মোহাম্মদ আবু সাঈদ ঘাড়ে আঘাত পেয়েছেন, তাঁদের চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
90% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 2
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 27/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ, যাত্রীর ভাঙল ৪ দাঁত
চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ, যাত্রীর ভাঙল ৪ দাঁত আহত হিমেল আহমেদ চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রকাশ: ২৭ এপ্রিল ২০২৬ | ২০:৪১ চলন্ত ট্রেনে দুর্বৃত্তদের ছোড়া পাথরের আঘাতে দুই যাত্রী আহত হয়েছেন। আজ সোমবার দুপুরে কক্সবাজার থেকে ঢাকাগামী ‘কক্সবাজার এক্সপ্রেস’ ট্রেনটি চকরিয়া অতিক্রমকালে পাথর নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। আহত দুই যাত্রী হলেন- মোহাম্মদ হিমেল আহমেদ (২৫) ও মোহাম্মদ আবু সাঈদ (৪০)। পাথরের আঘাতে হিমেল আহমেদের চারটি দাঁত ভেঙে গেছে। ঘাড়ে আঘাত পেয়েছেন আবু সাঈদ। দিনাজপুরের বিরামপুর থেকে কক্সবাজারে বেড়াতে গিয়েছিলেন তারা। চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রা বিরতিতে আহত যাত্রীদের চিকিৎসা দেওয়ার পর ট্রেনটি ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করে। কক্সবাজার রেললাইনে চলাচলকারী ট্রেনে প্রায়ই পাথর নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। গত এক বছরে রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন রুটে চলাচলরত ট্রেনগুলোতে প্রায় ১৪৫ বার পাথর নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। এ সব ঘটনায় আহত হয়েছেন ৩৯ জন। আর শুধু কক্সবাজার রুটেই গত এক বছরে ৩৮টি পাথর নিক্ষেপের ঘটনায় ১৪ জন আহত হয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে রেলওয়ের চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা মো. আনিসুর রহমান বলেন, ‘কক্সবাজার থেকে ঢাকাগামী ট্রেন কক্সবাজার এক্সপ্রেস চকরিয়া এলাকা পার হওয়ার সময় দুর্বৃত্তরা ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ করে। রেলওয়ে পুলিশকে চকরিয়া-হারবাং এলাকায় আরও নজরদারি বাড়াতে বলা হয়েছে।’ প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানায়, কক্সবাজার থেকে ট্রেনটি দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। আহত দুই যাত্রী নন-এসি কোচের (ঢ বগি) ৩৫-৩৬ নম্বর আসনে বসা ছিলেন। পাথর নিক্ষেপের পর ট্রেনের অ্যাটেনডেন্ট ও গার্ডকে খোঁজা হলেও তাদের তেমন কোনো সহযোগিতা পাওয়া যায়নি। - বিষয় : - চট্টগ্রাম - ট্রেনে পাথর নিক্ষেপে - আহত
চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ, ভাঙল কক্সবাজারফেরত যাত্রীর চার দাঁত
পাথর নিক্ষেপে আহত যাত্রীছবি: সংগৃহীত কক্সবাজার রুটে চলাচলরত আন্তনগর ট্রেনে পাথর নিক্ষেপের ঘটনা থামছে না। আজ সোমবার দুপুরে কক্সবাজার থেকে ঢাকাগামী কক্সবাজার এক্সপ্রেস ট্রেনে পাথর নিক্ষেপে দুই যাত্রী আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে মোহাম্মদ হিমেল আহমেদ (২৫) নামের এক যাত্রীর চারটি দাঁত ভেঙে গেছে। অপর যাত্রী মোহাম্মদ আবু সাঈদ (৪০) ঘাড়ে আঘাত পেয়েছেন। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, ট্রেনটি দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কক্সবাজার স্টেশন ছেড়ে আসে। আহত দুই যাত্রী নন-এসি কোচের (ঢ বগি) ৩৫-৩৬ নম্বর আসনে বসা ছিলেন। চকরিয়া এলাকা অতিক্রম করার সময় বাইরে থেকে একটি পাথর ছুড়ে মারা হয়। এতে তাঁরা আহত হন। পরে চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনে তাঁদের চিকিৎসা দেওয়া হয়। চিকিৎসা শেষে বিকেল সোয়া চারটার দিকে ট্রেনটি আবার ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করে। একই বগিতে থাকা যাত্রী সাইদুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, তাঁরা ১৮-২০ জনের একটি দল দিনাজপুরের বিরামপুর থেকে কক্সবাজারে বেড়াতে গিয়েছিলেন। ফেরার পথে এ ঘটনা ঘটে। হিমেলের চারটি দাঁত ভেঙে যায় এবং নিচের ঠোঁটের ভেতরের অংশ ফেটে যায়। এতে কয়েকটি সেলাই লাগতে পারে। আরেক যাত্রী ঘাড়ে গুরুতর আঘাত পান। সাইদুল ইসলাম অভিযোগ করেন, ঘটনার সময় ট্রেনের অ্যাটেনডেন্ট অন্যত্র ছিলেন। বিষয়টি জানার পর গার্ড ও অ্যাটেনডেন্ট ঘটনাস্থলে আসতে দেরি করেন। একজন রেলওয়ে পুলিশ সদস্য সহযোগিতা করলেও অন্যদের অবহেলা ছিল। স্থানীয় থানায় বিষয়টি জানালে উল্টো জানালা খোলা রাখার বিষয় নিয়ে যাত্রীদেরই প্রশ্ন করা হয়, যা যাত্রীদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়িয়েছে। কক্সবাজার রেলস্টেশনে অপেক্ষারত একটি ট্রেনফাইল ছবি রেলে পাথর নিক্ষেপের ঘটনা নতুন নয়। গত এক বছরে রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন রুটে চলাচলরত ট্রেনগুলোতে অন্তত ১৪৫ বার পাথর নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় আহত হয়েছেন ৩৯ জন। এ ছাড়া ট্রেনের দরজা ও জানালাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ঘটনা ঘটেছে কক্সবাজার রুটে। এই রুটে গত এক বছরে অন্তত ৩৮টি পাথর নিক্ষেপের ঘটনায় ১৪ জন আহত হয়েছেন। বর্তমানে কক্সবাজার রুটে চার জোড়া ট্রেন চলাচল করে-এর মধ্যে দুটি ঢাকা-কক্সবাজার এবং দুটি চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে। যাত্রীচাহিদা বাড়লে বিশেষ ট্রেনও চালানো হয়। জনপ্রিয় এই রুটে পাথর নিক্ষেপের ঘটনা এখন যাত্রীদের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ের চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা মো. আনিসুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ ঠেকাতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। রেলওয়ে পুলিশকে চকরিয়া-হারবাং এলাকায় নজরদারি বাড়াতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি রেলওয়ের পক্ষ থেকেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন কক্সবাজারচট্টগ্রামরেলওয়েচট্টগ্রাম বিভাগট্রেন
