হিন্দুপাড়ায় এক সপ্তাহে ৭ স্থানে আগুন

AI-classifiedconfidence 85%

Why this classification

This is a specific, recent series of arson attacks in the Jafrabad Hindu neighbourhood of Mirsarai, Chattogram, with the latest on Thursday 29 January 2026 burning part of a house. No deaths or injuries were reported, and the perpetrators are unknown.

Reported by:SamakalSingle source
29/01/26•জাফরাবাদ হিন্দুপাড়া, ওয়াহেদপুর ইউনিয়ন

Killed

0

Injured

0

Summary

চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার ওয়াহেদপুর ইউনিয়নের জাফরাবাদ হিন্দুপাড়ায় ২৩ থেকে ২৯ জানুয়ারির মধ্যে মন্দির, বসতঘর ও খড়ের গাদাসহ সাত স্থানে আগুন দেওয়া হয়েছে। সর্বশেষ ২৯ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) মৃদুলের বসতঘরে আগুন দেওয়ায় ঘরের একাংশ পুড়ে যায় এবং এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে।

AI analysis

Category

Communal / Religious Violence

Confidence

85% · severity 5

Perpetrator side

Unknown

Victim side

Locals

Other actors

মৃদুল (বসতঘরে আগুনের শিকার)তমালিকা সাহা (মৃদুলের স্ত্রী)বাবুল ধর (মাতৃমন্দির কমিটির সভাপতি)রাম ধর (স্থানীয় বাসিন্দা)বিপাশ চৌধুরী (স্থানীয় বাসিন্দা)ফরিদা ইয়াছমিন (মিরসরাই থানার ওসি)সোমাইয়া আক্তার (উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা)

Affected infrastructure

মাতৃমন্দিরব্যক্তিগত মন্দিরের পাশের সোলার ব্যাটারিসহ জিনিসপত্রবসতঘরখড়ের গাদাশুকনো পাতার বস্তারান্নাঘরবসতঘরের আলনা ও কাপড়বেড়ার একাংশ

Tags

Minority AttackTemple Desecration

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 29/01/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Samakal · 31/01/26open original ↗

হিন্দুপাড়ায় এক সপ্তাহে ৭ স্থানে আগুন

মিরসরাই হিন্দুপাড়ায় এক সপ্তাহে ৭ স্থানে আগুন রাত জেগে পাহারা, বিভিন্ন স্থানে সিসি ক্যামেরা আগুনে পুড়ে যাওয়া বেড়ার একাংশ মিরসরাই (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি প্রকাশ: ৩১ জানুয়ারি ২০২৬ | ০৮:৪৭ | আপডেট: ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ০০:০৮ | প্রিন্ট সংস্করণ মিরসরাইয়ে একটি হিন্দুপাড়ায় একের পর এক আগুন লাগানোর ঘটনা ঘটেছে। উপজেলার ওয়াহেদপুর ইউনিয়নের জাফরাবাদ হিন্দুপাড়ায় এক সপ্তাহে মন্দির, বসতঘর, খড়ের গাদাসহ সাত স্থানে আগুন দেওয়া হয়। সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার মৃদুল নামে একজনের বসতঘরে আগুন দেওয়ায় একাংশ পুড়ে গেছে। এতে এলাকায় ভয়ানক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। লোকজন রাত জেগে এলাকায় পাহারা দিচ্ছে। বিভিন্ন স্থানে সিসি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে। পাড়ার বাসিন্দাদের অনেকে বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে হয়তো কেউ আতঙ্ক ছড়াচ্ছে। হিন্দু সম্প্রদায়ের ভোটাররা যাতে কেন্দ্রে না যায়, সে জন্য হয়তো এমনটি করা হচ্ছে। এর আগে চট্টগ্রামের রাউজানে এমন ঘটনা ঘটেছে একের পর এক। গত ১ নভেম্বর থেকে ৫০ দিনে হিন্দু সম্প্রদায়ের ১২টি ঘরে আগুন লাগানো হয়। ঘরের ভেতরে মানুষ থাকা অবস্থায় বাইরের দরজায় তালা মেরে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। গতকাল মিরসরাইয়ের জাফরাবাদ হিন্দুপাড়ায় গিয়ে দেখা গেছে, মাতৃমন্দিরে বার্ষিক মহোৎসব উপলক্ষে লোকজন বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত। তবে তাদের চোখেমুখে আতঙ্কের ছাপ। মন্দির কমিটির সভাপতি বাবুল ধর জানান, গত ২৩ জানুয়ারি সন্ধ্যায় তপন ধরের বাড়িতে ব্যক্তিগত মন্দিরের পাশে রাখা শুকনো পাতার বস্তায় প্রথম আগুন লাগানো হয়। এতে মন্দিরের ভেতরের সোলার ব্যাটারিসহ জিনিসপত্র পুড়ে যায়। ২৪ জানুয়ারি ভোরে অমিও ধরের (প্রয়াত) বাড়িতে খড়ের গাদায় আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। ২৫ জানুয়ারি সকালে কানু নাথের খড়ের গাদায় ও সন্ধ্যায় অমিও ধরের আরেকটি খড়ের গাদায় আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে। একই দিন রতন ধরের রান্নাঘরে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। গত ২৬ জানুয়ারি অশোক ধরের বাড়িতে শুকনো পাতার বস্তায় আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ২৭ জানুয়ারি অনুপ ধরের বসতঘরের পাশে প্লাস্টিক ব্যবহার করে আগুন লাগানোর চেষ্টা চালানো হয়। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার মৃদুলের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়ায় বসতঘরের আলনা, কাপড়সহ ঘরের একাংশ পুড়ে যায়। মৃদুলের স্ত্রী তমালিকা সাহা জানান, ‘দুপুরের দিকে তিনি ঘরে একা ছিলেন। তাঁর শাশুড়ি ও স্বামী বাড়িতে ছিলেন না। হঠাৎ করে ঘরের বারান্দার সামনে আগুন দেখতে পেয়ে চিৎকার করলে স্থানীয়রা এসে আগুন নেভান। ওই সময় ঘরে বিদ্যুৎ ছিল না।’ এলাকার রাম ধর জানান, দু-একটি ঘটনার পর থানা পুলিশকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। পুলিশ ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা এলাকা পরিদর্শন করেছেন। কিন্তু আগুন দেওয়ার ঘটনা থামছে না। পাড়ার বাসিন্দাদের অনেকে বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে হয়তো কেউ আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা করছে। হিন্দু সম্প্রদায়ের ভোটাররা যাতে কেন্দ্রে না যায়, সে জন্য হয়তো এমনটি করা হচ্ছে। তারা খুব শঙ্কায় রয়েছেন। পাড়ার বাসিন্দা বিপাশ চৌধুরী জানান, সবগুলো ঘটনা সকাল থেকে সন্ধ্যায় মধ্যে ঘটেছে। দিনে মানুষ কাজে ব্যস্ত থাকায় সুযোগ নিচ্ছে দুর্বৃত্তরা। তারা গ্রামে রাতে পাহারার ব্যবস্থা করেছেন।  মিরসরাই থানার ওসি ফরিদা ইয়াছমিন জানান, জাফরাবাদ হিন্দুপাড়ার ঘটনাগুলো শুনে তিনি সেখানে গিয়েছেন। পাড়ার মানুষের সঙ্গে কথা বলে কারা এসবে জড়িত তা জানার চেষ্টা করছেন। বিষয়টি তদন্ত করছেন। তবে কেউ লিখিতভাবে থানায় কোনো অভিযোগ দেয়নি।  এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সোমাইয়া আক্তার জানান, হিন্দুপাড়ার ঘটনাগুলো শুনে তিনি থানার ওসির সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলেছেন। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকেও বিষয়টি অবহিত করেছেন। (সংশোধনী: ভুলবশত অন্য ছবি ব্যবহার হওয়ায় প্রতিবেদনে ব্যবহৃত আগের ছবিটি পরিবর্তন করা হয়েছে)