গাজীপুরে পুলিশ খুনের আসামি দাবি করে অপহরণ
Why this classification
This is a single, specific incident in Gazipur on 27 March 2026 in which five men forcibly abducted a man, tied his hands and eyes, and demanded a 10 lakh taka ransom. It was reported the next day, so it is recent. The abductors fled when police gave chase and the victim was rescued.
Killed
0
Injured
0
Summary
গাজীপুরের কাশিমপুরের সারদাগঞ্জে ২০২৬ সালের ২৭ মার্চ (শুক্রবার) দুপুরে পাঁচজনের একটি দল বাগবাড়ী এলাকার বাসিন্দা মতিনকে জোরপূর্বক প্রাইভেটকারে তুলে হাত ও চোখ বেঁধে অপহরণ করে এবং ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। পুলিশের ধাওয়ার মুখে অপহরণকারীরা গাড়ি ফেলে পালিয়ে যায় এবং পুলিশ বাঁধা অবস্থায় মতিনকে উদ্ধার করে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
90% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 27/03/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
গাজীপুরে পুলিশ খুনের আসামি দাবি করে অপহরণ
গাজীপুরে পুলিশ খুনের আসামি দাবি করে অপহরণ ধাওয়া খেয়ে পালাল অপহরণকারীরা Advertisement গাজীপুর প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৮ মার্চ ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ গাজীপুরের কাশিমপুরে পুলিশের ধাওয়া খেয়ে অপহরণকারীরা পালিয়ে গেছে। পরে প্রাইভেটকার থেকে অপহৃত ব্যক্তিকে চোখ বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। শুক্রবার দুপুরে কাশিমপুরের সারদাগঞ্জ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। উদ্ধার হওয়া মতিন নামে ওই যুবক কাশিমপুর থানার বাগবাড়ী এলাকার বাসিন্দা। পুলিশ জানায়, সারদাগঞ্জে অন্য একটি মামলার আসামিকে ধরতে অভিযানের সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সাদা রঙের প্রাইভেটকার ফেলে তিনজন সন্দেহভাজন ব্যক্তি দৌড়ে পালিয়ে যায়। তাদের এমন আচরণে সন্দেহ হলে কাশিমপুর থানার ওসি মোল্লা মো. খালিদ হাসান ধাওয়া করে। তবে তাদের পাকড়াও করা সম্ভব হয়নি। পরে পুলিশ সদস্যরা ফেলে রাখা প্রাইভেটকারে মতিনকে হাত ও চোখমুখ বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার করে। ভুক্তভোগী মতিন জানান, শুক্রবার সকালে বাগবাড়ী এলাকা থেকে পাঁচজনের একটি দল তাকে জোরপূর্বক প্রাইভেটকারে তুলে হাত ও চোখ বেঁধে নির্জন স্থান সারদাগঞ্জের সারাবো নিয়ে আসেন। এ সময় তারা নিজেদের পুলিশের লোক বলে পরিচয় দিয়ে বলেন তুমি জুলাই আন্দোলনে পুলিশ হত্যা মামলার আসামি। এখন তুমি যদি ১০ লাখ টাকা দাও তবে তোমাকে ছেড়ে দিতে দেব। পরে তারা মতিনের শ্যালিকার মোবাইল নম্বরে ফোন করে টাকা নিয়ে আসতে বলেন। অপহরণকারীদের সবার মুখে মাস্ক থাকায় তিনি কাউকে চিনতে পারেননি।
