অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ মাদ্রাসার প্রধানসহ সব শিক্ষক পালিয়েছে, শিশু নিখোঁজ

AI-classifiedconfidence 89%

Why this classification

This incident was classified as gender-based violence in Dhaka. Parties reported: Madrasa Principal and Teachers, Victim Student. Reported casualties: 0 killed and 1 injured. Reported by 2 sources.

Reported by:JugantorAjker PatrikaSamakalDhaka PostCorroborated · 4 sources
28/07/26•Ulail, Karnapara, Savar

Killed

0

Injured

1

Summary

সাভারের উল্লাইলে একটি মাদ্রাসায় শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ চেষ্টা ও নির্যাতনের অভিযোগে মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল সহ শিক্ষকরা পালিয়ে গেছে। পুলিশ ১৩ বছরের এক ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে পাঠিয়েছে।

AI analysis

Category

Gender-Based Violence

Confidence

89% · severity 5

Parties involved

Madrasa Principal and TeachersVictim Student

Tags

RapeSexual Harassment

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 28/07/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (4 sources)

Source 1: Samakal · 27/07/26open original ↗

চলন্ত বাসে নারীকে ধর্ষণচেষ্টা, চালক-হেলপারসহ গ্রেপ্তার ৩

চলন্ত বাসে নারীকে ধর্ষণচেষ্টা, চালক-হেলপারসহ গ্রেপ্তার ৩ নিজস্ব প্রতিবেদক, সাভার প্রকাশ: ২৭ জুলাই ২০২৬ | ১৭:৩৫ সাভারের আশুলিয়ায় চলন্ত বাসে নারীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে বাসচালক-হেলপারসহ ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার রাতে আশুলিয়ার বাড়ইপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে রাস্তায় ব্যারিকেড দিয়ে সাভার পরিবহনের ওই বাসটি থামিয়ে নারীকে উদ্ধার করা হয়। সোমবার সকালে গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম। গ্রেপ্তার তিনজন হলেন- বাসচালক মো. ইমরান (৩৫), চালকের সহকারী মুসফেকুর রহমান জনি (২০) ও চালকের বন্ধু মো. সুমন প্রামাণিক (৩০)। তাদের বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, শনিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে ঢাকার গাবতলী বাসস্ট্যান্ড থেকে সাভারের নবীনগর যাওয়ার উদ্দেশে সাভার পরিবহনের একটি বাসে ওঠেন ওই নারী ও তার এক আত্মীয়। নবীনগরে পৌঁছানোর আগেই বাসের অন্য যাত্রীরা বিভিন্ন বাসস্ট্যান্ডে নেমে যান। একপর্যায়ে বাসচালক ইমরান ওই নারীর সঙ্গে থাকা আত্মীয়কে মারধর করে বাস থেকে নামিয়ে দেয়। পরে ইমরানও হেলপার মুসফেকুরকে বাস চালানোর দায়িত্ব দিয়ে বাস থেকে নেমে যায়। এরপর জনি বাসটি দ্রুতগতিতে গাজীপুরের চন্দ্রার দিকে চালিয়ে নিতে থাকেন। তখন সুমনের সহায়তায় মুসফেকুর চলন্ত বাসে ওই নারীকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। অন্যদিকে বাস থেকে নামার পর ওই নারীর আত্মীয় জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে বিষয়টি পুলিশকে জানান। পরে আশুলিয়া থানা পুলিশ রাড়ইপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকার রাস্তায় ব্যারিকেড দিয়ে সাভার পরিবহনের ওই বাসটি আটক করে। পরে বাস থেকে ওই নারীকে উদ্ধার করে। এ সময় ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে বাসের হেলপার মুসফেকুর ও চালকের বন্ধু সুমনকে আটক করা হয়। এ ঘটনায় শনিবার রাতেই নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন ওই নারী। আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম বলেন, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পেরে পুলিশের একটি দল ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে। এসময় দুজনকে আটক করা হয়। পরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন ভুক্তভোগী নারী। ওই মামলায় তাদের দুজনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। পরে অভিযান চালিয়ে রাড়ইপাড়া এলাকা থেকে থেকে বাসচালক ইমরানকেও গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আদালতের মাধ্যমে তাদেরকে কারাগারে পাঠানো হয়। - বিষয় : - সাভার - ধর্ষণচেষ্টা - গ্রেপ্তার - চলন্ত বাস

Source 2: Ajker Patrika · 29/03/26open original ↗

চলন্ত বাস থেকে জাবি শিক্ষার্থীকে ধাক্কা, প্রতিবাদে ঠিকানা পরিবহনের ৬ বাস জব্দ

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) এক শিক্ষার্থীকে চলন্ত বাস থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়ার অভিযোগে ‘ঠিকানা পরিবহন’-এর ছয়টি বাস জব্দ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। শনিবার (২৮ মার্চ) রাত ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক-সংলগ্ন (ডেইরি গেট) ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক থেকে বাসগুলো আটক করা হয়। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর নাম মামুন। তিনি সরকার ও রাজনীতি বিভাগের ৫৩তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। তিনি জানান, সন্ধ্যা প্রায় ৭টা ৪৫ মিনিটে বিশমাইল এলাকা থেকে ঠিকানা পরিবহনের একটি বাসে ওঠেন। পরে ডেইরি গেটে নামতে চাইলে বাসের হেলপার তাঁর সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন এবং জাহাঙ্গীরনগরের শিক্ষার্থীদের বাসে না তোলার কথা বলেন। একপর্যায়ে আরেকজন হেলপার তাঁকে চলন্ত বাস থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন। এতে তিনি হাঁটু ও হাতে আঘাত পান। এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে মামুন বলেন, ‘এ ধরনের গর্হিত ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’আটক ঠিকানা পরিবহনের বাসগুলোর একজন হেলপার মো. রাসেল বলেন, ‘আমরা শুনেছি আমাদের একটি বাস থেকে এক ছাত্রকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়া হয়েছে। এ জন্য ছাত্ররা কয়েকটি বাস আটক করেছেন। আমরা ঘটনার সঙ্গে জড়িত হেলপারকে শনাক্ত করার চেষ্টা করছি।’ এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক রাশিদুল আলম বলেন, ‘ঘটনাটি অত্যন্ত ন্যক্কারজনক। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। শিক্ষার্থীরা বিচারের দাবিতে বাস আটক করেছে এবং বাসগুলোর চাবি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘ঠিকানাসহ অন্যান্য পরিবহন কর্তৃপক্ষকে আগেও একাধিকবার সতর্ক করা হয়েছে। কিন্তু প্রতিশ্রুতি দিলেও চালক ও হেলপারদের এমন আচরণ বন্ধ হচ্ছে না। বাসমালিক পক্ষকে অবহিত করা হয়েছে এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

Source 3: Dhaka Post · 07/06/26open original ↗

শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা: রায় ঘোষণা আজ

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার মামলায় রায়ের জন্য আজ (রোববার) ধার্য রয়েছে। ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত এ রায় ঘোষণা করবেন। গত বৃহস্পতিবার (৪ জুন) এ মামলায় রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের আইনজীবীদের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আদালত রায়ের এ দিন ধার্য করেন। এর মধ্য দিয়ে নৃশংস এ ঘটনার মাত্র ১৯ দিনের মাথায় নজিরবিহীন গতিতে বিচার শেষ পর্যায়ে পৌঁছাল। মামলা দায়েরের পর ৪ দিনের মাথায় চার্জশিট দাখিল, অভিযোগ গঠন ও সাক্ষ্যগ্রহণ সব ক্ষেত্রেই ছিল দ্রুতগতি। আদালত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় এত দ্রুত বিচারিক কার্যক্রম শেষ পর্যায়ে যাওয়ার নজির দেশে খুব কমই দেখা গেছে। সাধারণত তদন্ত প্রতিবেদন, বিচার শুরু ও সাক্ষ্যগ্রহণের বিভিন্ন ধাপ পার হতে বছরের পর বছর লেগে যায়। যেভাবে এগিয়েছে মামলা : ১৯ মে সকালে পল্লবীতে ঘটনাটি ঘটে। পরদিন ২০ মে (১৯ মে দিবাগত রাত) ১২ টা ৫ মিনিটে ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা করেন। মামলায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে ভিকটিমকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে মৃত্যু ঘটানো ও লাশ গুমে সহযোগিতার অভিযোগ আনা হয়। এরপর তদন্তে মাঠে নামে পুলিশ। ঘটনার ৪ দিনের মাথায় ২৪ মে তদন্তকারী কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান চার্জশিট (অভিযোগপত্র) জমা দেন। চার্জশিটে মোট ১৮ জনকে সাক্ষী করা হয়। ওইদিনও মামলাটি বিচারের জন্য ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হলে সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন চার্জশিট আমলে নেন। অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য ১ জুন ধার্য করেন। ঈদের ছুটি শেষে ১ জুন আসামি সোহেল রানা ও স্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। ২ জুন চার্জশিটভূক্ত ১৮ সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের জবানবন্দি ও জেরার পর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। পরদিন বুধবার (৩ জুন) আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানি হয়। সেদিন শুনানিতে আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। দুই আসামির বক্তব্য রেকর্ড শেষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য বৃহস্পতিবার ধার্য করেন আদালত। রাষ্ট্রপক্ষে এ মামলার বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর পিপি আজিজুর রহমান দুলু যুক্তি উপস্থাপন করেন। এসময় সাক্ষীদের জবানবন্দি পর্যায়ক্রমে পড়ে শোনান তিনি এবং আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি প্রার্থনা করেন। অপরদিকে আসামিপক্ষে রাষ্ট্র নিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমুল্যাহ যুক্তি উপস্থাপন করেন। শুনানিতে তিনি আসামি সোহেল রানার সর্বনিম্ন শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রার্থনা। অপর আসামি স্বপ্নার শুধুমাত্র লাশ গুম চেষ্টায় সহযোগিতার আপরাধের শাস্তি চান। পরে আদালত রায় ঘোষণার জন্য রোববার ধার্য করেন। ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী ঢাকা পোস্টকে বলেন, এই শিশুটির সাথে যা হয়েছে এর বর্ণনা শুনে পুরো দেশের মানুষ স্তব্ধ। এ নৃশংস ঘটনা যারা ঘটিয়েছে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক এটা সবার চাওয়া। যারা সাক্ষী দিয়েছে তারা ঘটনার ভয়াবহ বর্ণনা দিতে গিয়ে বারবার আপ্লূত হয়েছেন। আদালতে ও এজলাসের বাইরে উপস্থিত সকলেই এই নৃশংসতার বর্ণনা শুনে অঝোরে কেঁদেছেন। প্রসিকিউটর ফারুকী বলেন, এটা একটা চাঞ্চল্যকর মামলা। আমি মনে করি সরকার এখানে যথেষ্ট আন্তরিক। ঘটনার পরপরই আসামিদের গ্রেপ্তার, আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা ও পরবর্তীতে বিচার শুরু প্রক্রিয়া যৌক্তিকভাবে দ্রুততম সময়ে হয়েছে। সাক্ষ্যগ্রহণ শুরুর প্রথম দিনেই সমাপ্ত করা গেছে। এখানে আদালতের আন্তরিকতা, সাক্ষীদের স্ব-প্রণোদিত অংশগ্রহণ ইতিবাচক ভূমিকা রেখেছে। আশা করছি আসামিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত হবে। দেশের মানুষ ন্যায়বিচার চায়, বিচার ব্যবস্থায় আস্থা রাখতে চায়। দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত হলে সমাজে এমন ঘৃণ্য অপরাধ প্রবণতা কমে আসবে। মামলার সূত্রে জানা যায়, রামিসা পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘর থেকে বের হলে স্বপ্না তাকে কৌশলে রুমের ভেতরে নেয়। ওইদিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে যাওয়ার জন্য খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন তার মা। একপর্যায়ে আসামির রুমের সামনে শিশুটির জুতা দেখতে পান তিনি। ডাকাডাকির পর কোনও সাড়াশব্দ না পেয়ে রামিসার বাবা-মা এবং অন্যান্য ফ্ল্যাটের লোকজন দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে আসামির শয়নকক্ষের মেঝেতে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ এবং মাথা রুমের ভেতরে একটি বড় বালতির মধ্যে দেখতে পান। জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এর মাধ্যমে কল পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে স্বপ্নাকে হেফাজতে নেয়। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়নগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানার সামনে থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তারে সক্ষম হয় পুলিশ। এ ঘটনায় ২০ মে ভিকটিমের বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন। এনআর/ এনটি

Source 4: Jugantor · 28/07/26open original ↗

অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ মাদ্রাসার প্রধানসহ সব শিক্ষক পালিয়েছে, শিশু নিখোঁজ

সাভারে একটি মাদ্রাসায় শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ চেষ্টা ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকার অভিযোগে মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল সহ শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদেরকে রেখে পালিয়ে গেছে। এ ঘটনায় এক শিশু শিক্ষার্থী নিখোঁজ রয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে সাভারের উল্লাইলের কর্ণপাড়ার দাওয়াতুল কুরআন ইন্টারন্যাশনাল হিফজ মাদ্রাসা ও হুমায়রা জান্নাত হিফজ বালিকা মাদ্রাসায় এঘটনা ঘটে। জানা গেছে, কর্ণপাড়ার তিন তলা ভবনের একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে মাদ্রাসা পরিচালনা করে আসছিলেন মাওলানা আনাছ আলী। সেখানে ৬০-৬৫ জন শিশু ছেলে ও মেয়ে শিক্ষার্থী ভর্তি করান অভিভাবকরা। গত কয়েকদিন ধরে মাদ্রাসায় প্রিন্সিপাল শিশু শিক্ষার্থীদের ধর্ষণ চেষ্টা, মারধর ও অনৈতিক কর্মকান্ড করে আসছিলেন। এ ধরনের অভিযোগে অভিভাবকরা সেখানে জড়ো হলে মাদ্রাসার প্রিন্সিপালসহ সব শিক্ষক শিক্ষার্থীদেরকে রেখে পালিয়ে যায়। তারা জরুরী সেবা ৯৯৯-এ ফোন দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশু শিক্ষার্থীদের উদ্ধার করে অভিভাবকদের কাছে বুঝিয়ে দেন। এ ঘটনার পর থেকে আব্দুল্লাহ আল মুহিন নামে এক শিশু শিক্ষার্থী নিখোঁজ রয়েছে। সাভার মডেল থানার এস আই নূরুল ইসলাম জানান, ১৩ বছরের একটি মেয়েটিকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাকে চিকিৎসা দিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে পাঠানো হবে। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে।