শিক্ষককে আটক করতে গিয়ে জনতার হামলায় ৩ পুলিশ আহত

AI-classifiedconfidence 92%

Why this classification

This is a valid violence incident occurring on 2026-10-08 in Bangladesh. The article reports concrete physical violence: a mob surrounded and beat an accused sexual predator, and when police intervened to rescue him, the angry crowd attacked three police officers, injuring the OC and two constables. The underlying crime is sexual assault of minors, and the mob response constitutes assault on law enforcement.

Reported by:Dhaka PostProthom AloSamakalJugantorCorroborated · 4 sources
08/10/26•Markajul Madrasa, Malithapara, Khalishakundi Union, Daulatpur

Killed

0

Injured

3

Summary

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে মার্কাজুল মাদরাসার শিক্ষক আশিকুল্লাহকে একাধিক ছাত্রকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে স্থানীয় জনতা ও ভুক্তভোগী পরিবার ঘিরে ফেলে মারধর করে। পুলিশ তাকে উদ্ধার করতে গিয়ে বিক্ষুব্ধ জনতার হামলায় থানার ওসিসহ তিন পুলিশ সদস্য আহত হন।

AI analysis

Category

Gender-Based Violence

Confidence

92% · severity 5

Perpetrator side

Locals

Victim side

Law Enforcement

Other actors

Ashikullah (40, accused madrasa teacher)Khaledur Rahman (OC, Daulatpur Thana)Nazrul Islam (ASI)Azam Hosen (Constable)

Tags

Sexual HarassmentMob JusticePolice Assault

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 3

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Law Enforcement

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 08/10/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (4 sources)

Source 1: Samakal · 07/10/26open original ↗

টিউমার সন্দেহে পরীক্ষার পর জানা গেল শিশুটি ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা, পলাতক নানা

টিউমার সন্দেহে পরীক্ষার পর জানা গেল শিশুটি ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা, পলাতক নানা কুমারখালী (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৬ অক্টোবর ২০২৬ | ২১:৩০ | আপডেট: ০৬ অক্টোবর ২০২৬ | ২২:৫২ কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে হত্যার হুমকি দিয়ে ১৪ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে তার সৎ নানার বিরুদ্ধে। সম্প্রতি পেটে ব্যথা হলে স্বজনরা শিশুটিকে স্থানীয় এক গাইনি চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান। টিউমার হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হলেও পরীক্ষার পর জানা যায়, শিশুটি প্রায় সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা। অভিযুক্ত নানা রইচ উদ্দিন (৫৫) উপজেলার কয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা। বিষয়টি জানাজানি হলে আজ মঙ্গলবার সকালে স্থানীয়রা তাকে আটক করে পুলিশে খবর দেন। তবে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই কৌশলে পালিয়ে যান তিনি। পুলিশ ও স্বজনের ভাষ্য, এক যুগ আগে ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে শিশুটির মা মারা যান। পরে তার বাবা দ্বিতীয় বিয়ে করেন। এরপর শিশুটির সৎ মা তাকে সৎ নানার বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। সেখানে একা পেয়ে হত্যার হুমকি দিয়ে রইচ উদ্দিন শিশুটিকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ। সম্প্রতি পেটে ব্যথা অনুভব করলে স্বজনরা শিশুটিকে স্থানীয় গাইনি চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসক জানান, শিশুটি সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়রা রইচ উদ্দিনকে আটক করে পুলিশে খবর দেন। তবে পুলিশ আসার আগেই তিনি পালিয়ে যান। ঘটনার পর শিশুটি ও তার নানী কুমারখালী থানা পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন। শিশুটিকে আবারও পরীক্ষা করানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। শিশুটির নানী বলেন, ‘হত্যার হুমকি দিয়ে আমার নাতনিকে এক বছর ধরে ধর্ষণ করেছে সৎ নানা। পেটে ব্যথার কথা শুনে বাড়ির পাশের গাইনি চিকিৎসককে দেখালে তিনি জানান, নাতনি সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা।’ শিশুটির মামা বলেন, ‘সঠিক বিচারের আশায় থানায় মামলা করতে এসেছি। আমরা উপযুক্ত শাস্তি চাই।’ কুমারখালী থানার ওসি জামাল উদ্দিন বলেন, শিশুটিকে চিকিৎসা পরীক্ষার জন্য পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ধর্ষণ মামলা প্রক্রিয়াধীন। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে। - বিষয় : - কুষ্টিয়া - ধর্ষণ - অন্তঃসত্ত্বা

Source 2: Dhaka Post · 08/10/26open original ↗

শিক্ষককে আটক করতে গিয়ে জনতার হামলায় ৩ পুলিশ আহত

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে এক মাদরাশিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে। পরে ওই শিক্ষককে আটক করতে গিয়ে বিক্ষুব্ধ জনতার হামলায় দৌলতপুর থানার ওসিসহ তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার খলিশাকুন্ডি ইউনিয়নের মালিথাপাড়া এলাকায় অবস্থিত মার্কাজুল মাদরাসায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত মাদরাসাশিক্ষকের নাম আশিকুল্লাহ (৪০)। তিনি যশোরের বাঘারপাড়া থানার জামদিয়া এলাকার মৃত ক্বারী এনামুল্লাহর ছেলে এবং ওই মাদরাসার হেফজ বিভাগের শিক্ষক ও মুহতামিম হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন। জনতার হাত থেকে অভিযুক্ত শিক্ষককে উদ্ধার ও আটক করতে গিয়ে আহত হয়েছেন দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) নজরুল ইসলাম ও কনস্টেবল আজম হোসেন। তারা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বর্তমানে থানায় অবস্থান করছেন। পুলিশ, স্থানীয় বাসিন্দা ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, মার্কাজুল মাদরাসার হেফজ বিভাগে পড়ুয়া একাধিক ছাত্রকে ভয়-ভীতি দেখিয়ে বিভিন্ন সময় আশিকুল্লাহ যৌন নির্যাতন করে আসছিলেন। এসব বিষয়ে মাদরাসার শিক্ষার্থীরা যদি কাউকে কিছু বলে, তাহলে পরবর্তীতে সমস্যা হবে বলে ভয় দেখাতেন শিক্ষক আশিকুল্লাহ। তবে বিষয়টি জানাজানি হলে বৃহস্পতিবার দুপুরে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য ও বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ওই শিক্ষকের বাড়িতে গিয়ে তাকে অবরুদ্ধ করেন ও অভিযুক্ত শিক্ষক আশিকুল্লাহকে মারধর শুরু করেন। পরে ঘটনাস্থলে দৌলতপুর থানা পুলিশ উপস্থিত হয়ে ওই শিক্ষককে উদ্ধার করে দৌলতপুর থানায় নিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসীর হামলায় দৌলতপুর থানা ওসিসহ তিন পুলিশ আহত হন। এ বিষয়ে দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষককে উত্তেজিত জনতার হাত থেকে উদ্ধার করে হেফাজতে নেওয়ার সময় বিক্ষুব্ধ জনতার হামলায় আমিসহ তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছি। অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। এখন পর্যন্ত কেউ ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দেয়নি। থানা থেকে ভুক্তভোগীদের পরিবারের সাথে যোগাযোগ করা হচ্ছে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, প্রথমে শুনলাম একজন ছাত্রকে বলাৎকারের ঘটনা, পরে শুনছি আরও অনেক বিষয় আছে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে। আসলে উত্তেজিত জনতার হাত থেকে তখন ওই শিক্ষককে বাঁচানোটাই আমাদের মুখ্য বিষয় হয়ে গিয়েছিল। উত্তেজিত জনতা ঘুষি, লাথি যা মেরেছে তা আমি এবং আমার এএসআই এর উপর দিয়ে গেছে। অভিযুক্তের গায়ে একটি টোকাও পড়তে দেইনি। রবিউল আলম ইভান/এসএইচএ

Source 3: Jugantor · 09/10/26open original ↗

মাদ্রাসা ঘেরাও, শিক্ষককে নেওয়া হলো থানায়

শিক্ষার্থীকে বলাৎকার মাদ্রাসা ঘেরাও, শিক্ষককে নেওয়া হলো থানায় Advertisement দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ দৌলতপুর উপজেলায় মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে আশিকুল্লাহ নামের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ওই শিক্ষককে আটক করে থানায় নিয়েছে দৌলতপুর থানা পুলিশ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে মালিথাপাড়া এলাকার মারকাজুল সুন্নাহ মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত শিক্ষক আশিকুল্লাহ যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার জামদিয়া গ্রামের বাসিন্দা। স্থানীয় সূত্র জানায়, কুরআন শিক্ষার কথা বলে ওই শিক্ষার্থীকে নিজ কক্ষে নিয়ে যাওয়ার পর তাকে বলাৎকার করা হয়। একই সঙ্গে বিষয়টি কাউকে না জানানোর জন্য ওই শিক্ষার্থীকে ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগও রয়েছে। পরে শিক্ষার্থী বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের জানালে তারা স্থানীয়দের অবহিত করেন। খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকাবাসী মাদ্রাসাটি ঘেরাও করলে অভিযুক্ত শিক্ষক তার নিজ কক্ষ ভেতর থেকে বন্ধ করে রাখেন। স্থানীয়রা ওই মাদ্রাসাটি চারদিক থেকে অবরুদ্ধ করে রাখেন। খবর পেয়ে দৌলতপুর থানা পুলিশ অভিযুক্ত শিক্ষককে উদ্ধার করে থানায় নেওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় উত্তেজিত জনতা পুলিশের টহল পিকআপে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে বলে পুলিশ জানিয়েছে। এতে দৌলতপুর থানার ওসি খালেদুর রহমানসহ তিন পুলিশ সদস্য আহত হন। পরে পুলিশ অভিযুক্ত শিক্ষককে নিরাপত্তার স্বার্থে থানায় নিয়ে যায়। দৌলতপুর থানার ওসি খালেদুর রহমান বলেন, এক মাদ্রাসা শিক্ষককে অবরুদ্ধ করে রাখার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে শিক্ষককে অবরুদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। বর্তমানে তিনি পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন। ওসি আরও জানান, ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

Source 4: Prothom Alo · 08/10/26open original ↗

শিক্ষার্থী ধর্ষণের অভিযোগ, মাদ্রাসা ঘেরাও করে শিক্ষককে পিটুনি

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে মাদ্রাসায় অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করতে গিয়ে ক্ষুব্ধ লোকজনের হামলায় ওসিসহ তিন পুলিশ সদস্য আহত হন। বৃহস্পতিবার দুপুরেছবি : প্রথম আলো কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে মাদ্রাসায় আবাসিক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের পরিবারের সদস্যরা মাদ্রাসা ঘেরাও করে ওই শিক্ষককে মারধর করেন। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার খলিশাকুন্ডি ইউনিয়নের একটি মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে। এদিকে খবর পেয়ে ওই শিক্ষককে আটক করতে গিয়ে ক্ষুব্ধ লোকজনের হামলায় দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ (ওসি) তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। আহত ওসি খালেদুর রহমান, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) নজরুল ইসলাম ও কনস্টেবল আজম হোসেন দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। পুলিশ, স্থানীয় বাসিন্দা ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, মাদ্রাসার হেফজ বিভাগে পড়ুয়া একাধিক ছাত্রকে বিভিন্ন সময় ওই শিক্ষক যৌন নির্যাতন ও ধর্ষণ করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে আজ দুপুরে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য ও বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী মাদ্রাসায় গিয়ে তাঁকে মারধর শুরু করেন। খলিশাকুন্ডি ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান বেলাল হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, মাদ্রাসার ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে একাধিক শিক্ষার্থীকে নির্যাতনের অভিযোগ ওঠার পর স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষুব্ধ হয়ে তাঁকে অবরুদ্ধ করেন। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং শিক্ষককে উদ্ধার করে হেফাজতে নেয়। এ বিষয়ে দৌলতপুর থানার ওসি খালেদুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ‘অভিযুক্ত শিক্ষককে উদ্ধার করে গাড়িতে তোলার সময় উত্তেজিত জনতা হামলা করেন। এতে আমিসহ তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছি। অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। ভুক্তভোগীদের পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। এরপর শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা তৌহিদুল হাসান তুহিন বলেন, ওসিসহ আহত তিন পুলিশ সদস্য হাসপাতালে আসেন। তাঁদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন কুষ্টিয়াপুলিশশিশু ধর্ষণখুলনা বিভাগগণপিটুনি