শাশুড়িকে হত্যার পর বস্তায় ভরে মরদেহ লুকিয়ে রাখেন পুত্রবধূ
Why this classification
A 20-year-old woman killed her 60-year-old mother-in-law with a machete after a long-running family dispute, then stuffed the body into a sack and left it outside the house. The weapon was recovered from her room, and the death is a concrete, recent murder, so it qualifies as violence.
Killed
1
Injured
0
Summary
যশোর শহরের বেজপাড়া এলাকায় পারিবারিক কলহের জেরে পুত্রবধূ মরিয়ম বেগম চাপাতি দিয়ে শাশুড়ি সকিনা বেগমকে গলাকেটে হত্যা করেন। পরে লাশ বস্তাবন্দি করে বাড়ির সামনে ফেলে রাখা হয় এবং অভিযুক্তের দেওয়া তথ্যে হত্যার অস্ত্রটি উদ্ধার করা হয়।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
95% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 21/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
শাশুড়িকে হত্যার পর বস্তায় ভরে মরদেহ লুকিয়ে রাখেন পুত্রবধূ
পারিবারিক কলহ ও শাসনের জেরে যশোরে শাশুড়িকে গলাকেটে হত্যা করেছে পুত্রবধূ মরিয়ম বেগম (২০)। এ ঘটনায় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দেশীয় অস্ত্র চাপাতিও উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুরে পুলিশ সুপার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল বাসার এ তথ্য জানান। এর আগে মঙ্গলবার গভীর রাতে নিজ বাড়ির সামনে থেকে ওই বৃদ্ধার বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। যশোর শহরের বেজপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত সকিনা বেগম (৬০) লাল চাঁদ খলিফার স্ত্রী এবং বেজপাড়া মেইন রোড এলাকার বাসিন্দা। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সকিনা বেগমের ছেলে শহিদুল মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে দোকানে যান। যাওয়ার আগে তার স্ত্রী মরিয়ম বাসায় রান্না হয়নি জানিয়ে বাইরে খেয়ে নিতে বলেন। এ সময় শহিদুল তার মায়ের খোঁজ করলে তাকে বলা হয়, তিনি বাইরে তালিমে গেছেন। রাত ১০টার দিকে বাসায় ফিরে আসেন শহিদুল। এ সময় মাকে না পেয়ে পুনরায় খোঁজ নেন। তখন তার স্ত্রী জানান, সকিনা বেগম বাসায় ফেরেননি। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় তিনি থানায় গিয়ে পুলিশকে অবহিত করেন। পরে সাড়ে ১২টার দিকে বাসার সামনে একটি বস্তার মধ্যে লাশ দেখতে পান শহিদুল। পরবর্তী সময়ে তিনি ও তার বোন শাহিদা বেগম লাশটি সকিনা বেগমের বলে শনাক্ত করেন। খবর পেয়ে ডিবি ও কোতোয়ালি থানা পুলিশের যৌথ দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার এবং আলামত সংগ্রহ করে। তদন্তে মরিয়ম বেগমের আচরণ সন্দেহজনক হওয়ায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়। জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে মরিয়ম হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে শাশুড়ির সঙ্গে তার বিরোধ চলছিল। এরই ধারাবাহিকতায় ঘটনার দিন পুনরায় বকাবকি করায় ক্ষুব্ধ হয়ে ঘরে থাকা একটি চাপাতি দিয়ে শাশুড়িকে জবাই করে হত্যা করেন। পরে লাশ বস্তাবন্দি করে বাড়ির সামনে ফেলে রাখেন এবং হত্যার অস্ত্রটি ঘরের ওয়্যারড্রপের ভেতরে লুকিয়ে রাখেন। পরে অভিযুক্তের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী তার ঘর থেকে হত্যায় ব্যবহৃত চাপাতি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। প্রেস ব্রিফিংয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আহসান হাবীবসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। রেজওয়ান বাপ্পী/আরকে
