দলিল চাওয়ায় ভাবিকে গুরুতর জখমের অভিযোগ এএসআইয়ের বিরুদ্ধে
Why this classification
This is a single, specific incident: on Saturday, 30 May 2026, a woman was allegedly stabbed and beaten with an iron rod in Taltali, Barguna, after asking for her late husband's land deed. The accused are her father-in-law and an assistant sub-inspector of police, and she was hospitalised with serious injuries, so it qualifies as a recent physical attack.
Killed
0
Injured
1
Summary
বরগুনার তালতলী উপজেলার গাবতলী এলাকায় ২০২৬ সালের ৩০ মে (গত শনিবার) জমির দলিল চাইতে গেলে কহিনুর বেগমকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত এএসআই মো. খলিলুর রহমান ও তার বাবা হামেদ ঘরামী, যদিও খলিলুর রহমান সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
88% · severity 6
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals, Law Enforcement
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 30/05/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
দলিল চাওয়ায় ভাবিকে গুরুতর জখমের অভিযোগ এএসআইয়ের বিরুদ্ধে
দলিল চাওয়ায় ভাবিকে গুরুতর জখমের অভিযোগ এএসআইয়ের বিরুদ্ধে Advertisement যুগান্তর প্রতিবেদন, আমতলী (বরগুনা) প্রকাশ: ০৩ জুন ২০২৬, ০৮:৪৬ পিএম জমির দলিল চাওয়াকে কেন্দ্র করে এক নারীকে কুপিয়ে ও লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে এক সহকারী উপ-পরিদর্শকের (এএসআই) বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কহিনুর বেগম বুধবার (৩ জুন) আমতলী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেছেন। এর আগে বরগুনার তালতলী উপজেলার গাবতলী এলাকায় গত শনিবার এ হামলার ঘটনা ঘটে। মামলার প্রধান আসামি মো. খলিলুর রহমান ভোলা জেলার তজুমদ্দিন সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এএসআই হিসেবে কর্মরত। মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, একই এলাকার বাসিন্দা ইসমাইল ঘরামী তার বাবা হামেদ ঘরামীর কাছ থেকে ৩৩ শতাংশ জমি ক্রয়ের জন্য ৩০ হাজার টাকা প্রদান করেন। তবে ২০১৩ সালে ইসমাইলের মৃত্যুর পরও ওই জমির দলিল তার পরিবারকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি। এ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ইসমাইল ঘরামীর স্ত্রী কহিনুর বেগমের সঙ্গে পারিবারিক বিরোধ চলছিল এবং স্থানীয়ভাবে একাধিক সালিশ বৈঠক হলেও কোনো সমাধান হয়নি। অভিযোগে বলা হয়েছে, গত শনিবার সকালে কহিনুর বেগম পুনরায় জমির দলিল চাইতে গেলে হামেদ ঘরামী ও তার ছেলে খলিলুর রহমান ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে এবং লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেন। পরে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। ঘটনায় হত্যাচেষ্টা ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ এনে খলিলুর রহমানকে প্রধান আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। কহিনুর বেগম বলেন, আমার স্বামী জীবিত অবস্থায় জমির জন্য টাকা দিয়েছিলেন; কিন্তু আমরা এখনো দলিল পাইনি। দলিল চাইতে গেলে আমাকে মারধর করা হয়েছে। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই। তবে খলিলুর রহমান তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমি কাউকে মারধর করিনি। তালতলী থানার ওসি মো. সাইদুল ইসলাম বলেন, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে ভোলা জেলা পুলিশ সুপার মো. শহীদুল্লাহ কাওছার বলেন, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে এএসআই খলিলুর রহমানের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
