প্রকাশ্যে ঘুরছে আসামি, ভয়ে ঘরছাড়া মা
Why this classification
This is a single, concrete incident from April 22, 2026, within the 14-day window, in which a schoolgirl was forcibly abducted and raped in Comilla district. Because it involves physical force and sexual assault against a person, it qualifies as relevant violence.
Killed
0
Injured
0
Summary
কুমিল্লার মুরাদনগরে ২০২৬ সালের ২২ এপ্রিল স্কুল থেকে ফেরার পথে এক স্কুলছাত্রীকে জোরপূর্বক অপহরণ করে হোমনা থানার কুটুমবাড়ী সংলগ্ন একটি নির্জন স্থানে ধর্ষণ করা হয়। ঘটনার আট দিন পরও প্রধান অভিযুক্ত সাইফুল ইসলাম গ্রেফতার না হওয়ায় সে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং ভিকটিমের পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।
AI analysis
Category
Gender-Based Violence
Confidence
92% · severity 6
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 22/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
প্রকাশ্যে ঘুরছে আসামি, ভয়ে ঘরছাড়া মা
মুরাদনগরে ছাত্রী ধর্ষণ প্রকাশ্যে ঘুরছে আসামি, ভয়ে ঘরছাড়া মা Advertisement মুরাদনগর (কুমিল্লা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৪ মে ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ মুরাদনগরে স্কুল থেকে ফেরার পথে স্কুলছাত্রীকে অপহরণ করে নিয়ে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় ভিকটিমের মা বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছেন। ঘটনার ৮ দিন পেরিয়ে গেলেও আসামি সাইফুল ইসলামকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। প্রকাশ্যে ঘুরছে আসামি। এতে ভিকটিমের পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। ভিকটিমের মা কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেন, আমার স্বামী নেই, মেয়েটা স্কুলে গিয়ে ইজ্জত হারিয়েছে। আসামি প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে আর আমরা ভয়ে বাড়িতে থাকতে পারছি না। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ২২ এপ্রিল সকালে স্থানীয় বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে যায় ওই ছাত্রী। স্কুল ছুটি শেষে দুপুরে ঈদগার সামনে পৌঁছলে একই গ্রামের হাকিম মিয়ার ছেলে সাইফুল ইসলাম ও অজ্ঞাতনামা এক সিএনজিচালক জোরপূর্বক তার মুখ চেপে ধরে অপহরণ করে। পরবর্তীতে তাকে হোমনা থানার কুটুমবাড়ী সংলগ্ন একটি নির্জন স্থানে নিয়ে ধর্ষণ করে। বিকালে ভিকটিমকে পুনরায় স্কুলের সামনে ফেলে রেখে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। রক্তাক্ত অবস্থায় বাড়িতে ফিরে ভিকটিম তার মায়ের কাছে ঘটনার বর্ণনা দিলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। মুরাদনগর থানার ওসি আনোয়ার হোসেন বলেন, আসামি গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান চলছে। হুমকির বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে ব্যবস্থা নিতে বলব।
