উত্তপ্ত চার ক্যাম্পাস, সংঘর্ষ-হামলায় আহত শতাধিক
Why this classification
The article reports specific physical clashes between political factions (BNP and Jamaat wings) resulting in over 100 injuries at multiple locations.
Killed
0
Injured
100
Summary
মঙ্গলবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা কলেজ, আলিয়া মাদ্রাসা এবং বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজনৈতিক সংঘর্ষে অন্তত শতাধিক নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে জকসু ও জাতীয় ছাত্রশক্তির মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ৭০ জন আহত হন।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
95% · severity 6
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 100
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: BNP, Jamaat, National Chhatra Shakti
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: BNP, Jamaat, National Chhatra Shakti
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 04/08/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
উত্তপ্ত চার ক্যাম্পাস, সংঘর্ষ-হামলায় আহত শতাধিক
উত্তপ্ত চার ক্যাম্পাস, সংঘর্ষ-হামলায় আহত শতাধিক সমকাল প্রতিবেদক প্রকাশ: ০৪ আগস্ট ২০২৬ | ২১:০৫ | আপডেট: ০৪ আগস্ট ২০২৬ | ২১:৪৭ হামলা, পাল্টা হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনায় উত্তপ্ত ঢাকার তিনটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা কলেজ, সরকারি মাদ্রাসা-ই-আলিয়ার (আলিয়া মাদ্রাসা) ক্যাম্পাসে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। মঙ্গলবার ছাত্রদল-ছাত্রশিবির ও ছাত্রশক্তির মধ্যে এ সংঘর্ষে অন্তত শতাধিক নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। ঢাকার বাইরেও বরিশালে বিএম কলেজ ক্যাম্পাসও অশান্ত হয়ে উঠে। এছাড়া গতকাল সোমবার রাতে সংঘর্ষের পর মঙ্গলবারও বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) ক্যাম্পাস ছিল থমথমে। মঙ্গলবার যেসব ক্যাম্পাসে সংঘর্ষ হয়েছে সেখানকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সন্ধ্যার পরও পুরান ঢাকার ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজের সামনে পুলিশ সদস্যদের সতর্ক অবস্থান ছিল। ছাত্রদল, যুবদল ও বিএনপির নেতা-কর্মীরা কবি নজরুল কলেজ ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশে অবস্থান নেন। তবে ছাত্রশিবিরের কাউকে দেখা যায়নি। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘর্ষ ও হামলার ঘটনার পর চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে উপাচার্য উভয় পক্ষকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উদ্যাপন উপলক্ষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত সেমিনারে প্রবেশকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) ও জাতীয় ছাত্রশক্তির নেতা-কর্মীদের মধ্যে এ সংঘর্ষ চলে। এতে সেখানে পক্ষের অন্তত ৭০ জন আহত হয়েছেন। বেশ কয়েকজন সাংবাদিকও আহত হন। গুরুতর আহত কয়েকজনকে ঢাকা ন্যাশনাল মেডিকেল ইনস্টিটিউট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সংঘর্ষের জেরে ন্যাশনাল মেডিকেলে জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন শিবির ও ছাত্র শক্তির নেতাদের ওপর হামলা করেছে বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের মহানগর দক্ষিণের নেতাকর্মীরা। এর আগে দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয় মিলনায়তন, শহীদ মিনার ও বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন ঢাকা ন্যাশনাল মেডিকেল ইনস্টিটিউট হাসপাতাল এলাকায় সংঘর্ষ হয়। এদিকে ঢাকা কলেজে ছাত্রদল ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মীদের মধ্যে মারামারি ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। মঙ্গলবার বেলা তিনটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এর আগে সোমবার রাতে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে ৫ ঘণ্টা দফায় দফায় ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ‘জুলাই জুলুমের বিরুদ্ধে জুলাই’ শীর্ষক প্রদর্শনী চলছিল। প্রদর্শনীতে বিচারিক হত্যাকাণ্ড হিসেবে উল্লেখ করা কয়েকজন নেতার ছবি প্রদর্শন করা হয়। এ সময় ছাত্রদল নেতাকর্মীরা সেখানে গিয়ে জামায়াত নেতাদের ছবি ‘সাকা চৌধুরীর বিচারিক হত্যাকাণ্ডের শিকার’ লেখা ব্যানার সরিয়ে নিতে বলেন। এ নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে বিতণ্ডা হয়। এরপর তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। মঙ্গলবারও দিনভর বেরোবি ক্যাম্পাসে উত্তেজনা ছিল। ঢামেকে চিকিৎসা রাজধানীর বকশীবাজারে আলিয়া মাদরাসা চত্বরে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের আহত সাতজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহত ব্যক্তিরা হলেন- মাদরাসার অধ্যক্ষ মাহমুদ ওবায়দুল হক (৫০), মাদরাসার ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সানাউল্লাহ, লালবাগ থানা ছাত্রদলের সদস্যসচিব ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নিছার উদ্দিন রাব্বি, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রদলের সভাপতি শামীম মাহমুদ, সমকালের মাল্টিমিডিয়া সাংবাদিক নাজমুল ইসলাম, লালবাগ ২৬ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের আহ্বায়ক জানে আলম ও ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক রুবেল হোসেন মমিন। আহত নিছার উদ্দিন রাব্বি অভিযোগ করেন, তিনি মাদ্রাসার শিক্ষার্থী নন। বিকেলে বন্ধুদের সঙ্গে মাদ্রাসা চত্বরে বসে থাকাকালে শিবিরের নেতা-কর্মীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালান। এ সময় লাঠিসোঁটা দিয়ে মারধর ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা হয়। ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসকেরা জানান, সানাউল্লাহর দুই পা, পিঠসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত রয়েছে। রাব্বির বাম পায়ে ইটের আঘাত ও পড়ে গিয়ে বাম হাতে চোট লেগেছে। সাংবাদিক নাজমুল ইসলামের পায়ে ইটের আঘাত এবং অধ্যক্ষ মাহমুদ ওবায়দুল হকের মাথায় আঘাত রয়েছে। এদিকে সংঘর্ষের ঘটনায় কিল-ঘুষির আঘাতে আহত ঢাকা কলেজ শাখা ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের সহসভাপতি রাইসুল ইসলাম (২৪) ঢামেক হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।
