‘জামায়াতকে ভোট দিলে বেহেশত পাওয়া যাবে’ বলা নিয়ে ভোলায় বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষে আহত ৩০
Why this classification
This incident is classified as political violence because members of the BNP and Jamaat-Shibir engaged in clashes in Roychand Bazar, Lalmohan, Bhola, on January 9, 2026. The conflict, triggered by political remarks, resulted in 30 injuries as both sides exchanged stones and attacked a Navy vehicle. Both political parties acted as both perpetrators and victims during the confrontation. The report is supported by three corroborating sources, and no specific infrastructure damage was recorded.
Killed
0
Injured
30
Summary
৯ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে ভোলার লালমোহনের রায়চাঁদবাজারে ‘জামায়াতকে ভোট দিলে বেহেশত পাওয়া যাবে’ মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াত কর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন আহত হন। সংঘর্ষ চলাকালে উভয় পক্ষ ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে এবং নৌবাহিনীর গাড়ি হামলার মুখে পড়ে।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
99% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 30
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: BNP, Jamaat-Shibir
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: BNP, Jamaat-Shibir
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 09/01/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (3 sources)
ভোলায় বিএনপি ও জামায়াত কর্মীদের পাল্টাপাল্টি হামলা, আহত ১৫
ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর কর্মীদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার অভিযোগ উঠেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে গুরুতর অবস্থায় একজনকে ভোলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।গতকাল রোববার (২৫ জানুয়ারি) রাতে বোরহানগঞ্জ বাজারে ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক সড়কে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ও নৌবাহিনীর একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) রণজিৎ চন্দ্র দাস ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন। বিএনপি নেতা আকবর হাওলাদার অভিযোগ তুলে বলেন, পক্ষিয়া ইউনিয়নের দলীয় কার্যালয়ে বিএনপির নেতা-কর্মীরা অবস্থান করছিলেন। এ সময় ওই ইউনিয়নের জামায়াত একটি মিছিল বের করে। মিছিলকারীরা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক শাকিল হাওলাদারকে তুলে নিয়ে মারধর করেন। খবর পেয়ে বিএনপির অন্তর মাতব্বর, লিমন মাতব্বর, রাজু উদ্ধার করতে গেলে তাঁরাও হামলার শিকার হন। আকবর হাওলাদার আরও বলেন, পরে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. হুমায়ুন কবির সেলিম ও সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন মাতব্বর ঘটনাস্থলে গেলে তাঁদেরও লাঞ্ছিত করা হয়। বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন মাতব্বরসহ ছয়জন আহত হন। আহত ব্যক্তিরা বর্তমানে বোরহানউদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। অন্যদিকে, বোরহানউদ্দিন উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাকসুদুর রহমান বলেন, গতকাল মাগরিবের নামাজের পর বোরহানগঞ্জ বাজারের দলীয় কার্যালয় থেকে জামায়াত একটি মিছিল বের করে। এ সময় বিএনপির কর্মীরা হামলা চালালে জামায়াতের কয়েকজন কর্মী আহত হন। পরে নুরুল ইসলাম মাস্টার নামের একজন জামায়াতকর্মী বাড়ি ফেরার পথে হামলার শিকার হন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে প্রথমে বোরহানউদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে, পরে ভোলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়।বোরহানউদ্দিন থানার ওসি মনিরুজ্জামান আজকের পত্রিকাকে বলেন, পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ভোলায় বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে আহত ২৫
ভোলায় বিএনপি ও জামায়াত নেতাকর্মীদের মধ্যে ধাওয়া পালটাধাওয়াসহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছেন। রোববার (২৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যার পর বোরহানউদ্দিন উপজেলার বোরহানগঞ্জ বাজার এলাকায় এ সংঘর্ষ হয়। পরে যৌথবাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। ঘটনার পর বিএনপি ও জামায়াত পৃথক প্রেস ব্রিফিং করে হামলার জন্য পরস্পরকে দায়ী করেছে। ভোলা-২ আসনের বিএনপি সমর্থিত সংসদ সদস্য প্রার্থী হাফিজ ইব্রাহিমের প্রধান নির্বাচনি এজেন্ট মো. আকবর হোসেন রাত ১০টায় উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, জামায়াত একবার এলডিপির প্রার্থীকে সমর্থন করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার প্রচারণা চালিয়ে মাঠ ছেড়ে দেয়। হঠাৎ করে রোববার সন্ধ্যার পর বোরহানগঞ্জ বাজারে মিছিল নিয়ে কুলসুম রহমান মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হারুন মাওলানার নেতৃত্বে তাদের পার্টি অফিসে হামলা করে তাদের অন্তত ১৫ নেতাকর্মীকে আহত করেন। পরে তাদের সঙ্গে বোরহানউদ্দিন জামায়াতের আমির মাকছুর রহমানের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী ওই হামলায় যোগ দিয়ে বাজার ব্যবসায়ীদের দোকানপাটে লুটপাট চালায়। তিনি আরও বলেন, পক্ষিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জসিম মাতাব্বর, যুবদল কর্মী সিয়াম মুন্সী, ছাত্রদল সাংগঠনিক সম্পাদক সাকিল হাওলাদার, ছাত্রদল কর্মী অন্তরসহ ১৫ নেতাকর্মীকে পিটিয়ে আহত করা হয়েছে। মো. আকবর হোসেন বলেন, নির্বাচন আচরণ বিধিতে এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের নির্বাচনি প্রচারণায় অংশগ্রহণে বিধিনিষেধ থাকলেও জামায়াতের অধিকাংশ শিক্ষক প্রকাশ্যে জামায়াতের পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছেন।এ ঘটনায় তারা নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে তাদের নেতাকর্মীদের শান্ত থাকার নির্দেশনা দিয়েছেন। অপরদিকে রাত ১১টায় বোরহানউদ্দিন জামায়াতে ইসলামীর উপজেলা কার্যালয়ে পালটা সংবাদ সম্মেলন করেন ভোলা-২ আসনে জামায়াতের প্রার্থী মোহাম্মদ ফজলুল করিমের প্রধান নির্বাচন পরিচালক মাওলানা মাকছুদুর রহমান। তিনি বিএনপির সংবাদ সম্মেলনের তথ্য মিথ্যা দাবি করে বলেন, ভোলা-২ আসনে তাদের শরিক দল এলডিপির প্রার্থী মোকফার উদ্দিন চৌধুরী জামায়াতকে সমর্থন দিয়ে নির্বাচন থেকে সরে গেলে তারা বোরহানগঞ্জ বাজারে দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে শোকরানা মিছিল বের করলে বিএনপি কর্মীরা তাদের ওপর হামলা চালিয়ে তাদের ১০ নেতাকর্মীকে আহত করেন। আহতদের মধ্যে পক্ষিয়া ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি নূর ইসলাম মাস্টার ও ভোলা পলিটেকনিক্যাল মসজিদের ইমাম মাওলানা ওবায়েদুল্লাহ গুরুতর আহত হয়েছেন। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তিনি। বোরহানউদ্দিন সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনোরঞ্জন বর্মণ জানান, বিষয়টি শুনে যৌথবাহিনীসহ তারা তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষই লিখিত অভিযোগ করেনি। বোরহানউদ্দিন থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান জানান, তারা যৌথবাহিনীসহ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
‘জামায়াতকে ভোট দিলে বেহেশত পাওয়া যাবে’ বলা নিয়ে ভোলায় বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষে আহত ৩০
সংঘর্ষের আগে গতকাল শুক্রবার বিকেলে জামায়াত ও বিএনপির সমর্থকেরা একাধিকবার মুখোমুখি অবস্থান নেন। ভোলার লালমোহন উপজেলার রমাগঞ্জ ইউনিয়নের রায়চাঁদবাজার এলাকায়ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া ভোলার লালমোহন উপজেলার রমাগঞ্জ ইউনিয়নের রায়চাঁদবাজারে জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। গতকাল শুক্রবার রাত আটটার দিকে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আহত ব্যক্তিদের লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ভোলা জেলা সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, ‘জামায়াতকে ভোট দিলে বেহেশত পাওয়া যাবে’—এ কথাকে কেন্দ্র করে জামায়াত ও বিএনপির সমর্থকদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও হাতাহাতি একপর্যায়ে সংঘর্ষে রূপ নেয়। গতকাল সন্ধ্যার পর প্রায় এক ঘণ্টা রায়চাঁদবাজার–সংলগ্ন নির্মাণাধীন সড়কে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করেন উভয় পক্ষের লোকজন। নৌবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনার চেষ্টা করেন। এ সময় সংঘর্ষে অংশ নেওয়া একপক্ষ নৌবাহিনীর গাড়িতে হামলার চেষ্টা করে। সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে ৯ থেকে ১০ জনকে লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চেয়ে গতকাল রাত ৯টার দিকে লালমোহন উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন জামায়াত–সমর্থিত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও বাংলাদেশ উন্নয়ন পার্টির (বিডিপি) মহাসচিব মুহা. নিজামুল হক। সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের আমির আবদুল হক, সেক্রেটারি জেনারেল মো. রুহুল আমিনসহ দলের স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চেয়ে গতকাল রাত নয়টার দিকে লালমোহন উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন জামায়াত–সমর্থিত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও বাংলাদেশ উন্নয়ন পার্টির (বিডিপি) মহাসচিব মুহা. নিজামুল হকছবি: সংগৃহীত সংবাদ সম্মেলনে মুহা. নিজামুল হক বলেন, রমাগঞ্জ ইউনিয়নের রায়চাঁদবাজার এলাকায় জামায়াতের নারী কর্মীদের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে বেলা ১১টার দিকে এক নারী নেত্রী বাড়ি ফেরার সময় কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে বিএনপি কর্মী রুবেল তাঁকে লাঞ্ছিত করেন এবং অশালীন ভাষায় গালাগালি করেন। ওই নারীর স্বামী মো. জসিম উদ্দিন রায়চাঁদ বাজারের ব্যবসায়ী ও জামায়াতের কর্মী। বিষয়টি স্বামীকে জানালে তিনি মুঠোফোনে রুবেলের সঙ্গে কথা বলতে গেলে তাঁকেও গালাগালি, পরে এলে মারধর করা হয়। বিকেলে উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. জাফর ইকবাল ঘটনাস্থলে গিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতা করে ফিরে যান। পরে আবার ঝামেলা হলে এলাকায় নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। নিজামুল হক অভিযোগ করেন, তিনি স্থানীয় ৩০ থেকে ৪০ জন নেতা-কর্মী নিয়ে বাজারে জামায়াতের কার্যালয়ে যাওয়ার সময় পেছন থেকে বিএনপির দুই শতাধিক কর্মী তাদের ওপর হামলা করেন। এতে সংঘর্ষ শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও নৌবাহিনীকে খবর দেওয়া হলে নৌবাহিনী এসে লাঠিপেটা করে পরিস্থিতি শান্ত করে। তিনি দাবি করেন, সংঘর্ষে জামায়াতের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। এ বিষয়ে উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. জাফর ইকবাল বলেন, জামায়াত নেতারা ‘জামায়াতকে ভোট দিলে বেহেশত পাওয়া যাবে’—এমন বক্তব্য দিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছিলেন। এ নিয়ে প্রথমে কথা-কাটাকাটি হয়। তিনি উত্তেজনা প্রশমিত করতে ঘটনাস্থলে গিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতা করে ফিরে আসেন। পরে আবার সংঘর্ষে ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি জসিম উদ্দিন ও স্থানীয় মুরব্বি নান্নু মাস্টারসহ ১৫-১৬ জন বিএনপির নেতা-কর্মী আহত হন। এখানে তাঁর উপস্থিতিতে কিছুই হয়নি, তিনি কোনো নির্দেশও দেননি। জামায়াত বলে বেড়াচ্ছে যে তাঁর নেতৃত্বে হামলা হয়েছে, এটি মিথ্যা। এ বিষয়ে তাঁরা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও থানায় লিখিত অভিযোগ দেবেন। লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম বলেন, রায়চাঁদবাজারে জামায়াতের সঙ্গে বিএনপির লোকজনের কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষ হয়েছে। সকালের দিকে জামায়াতের নারী কর্মীদের যে দাওয়াতি কাজ হয়েছে, সেটা নিয়ে কথা-কাটাকাটি হয়, সেটা পরে রাতে প্রশমিত হয়। তিনি বলেন, ‘আমরা শুনেছি, জামায়াতে ভোট দিলে বেহেশতে যাওয়া যাবে—এ নিয়ে কথা-কাটাকাটি, তবে এর সত্যতা নিশ্চিত করা যায়নি। এ বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে বিএনপি ও জামায়াত রায়চাঁদবাজারে লোক জমায়েত করেছে। বাজারের ভেতর রাস্তা সংস্কারের জন্য ইট তুলে রেখেছে। দুই পক্ষ দুই পক্ষের দিকে সেই ইট ছুড়ে মারে। এতে আহত ৯ জনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ভোলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। কেউ এখনো অভিযোগ দেয়নি, তবে অভিযোগ দেবে। ঘটনাস্থল থেকে কেউ আটক হয়নি।’ প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন লালমোহনবিএনপিবরিশাল বিভাগসংঘর্ষভোলাজামায়াত
