কোটা সংস্কার আন্দোলনে গায়েবানা জানাজা ও পুলিশ সংঘর্ষ
Why this classification
The article reports a concrete clash on 17 July 2026 between protesters (linked to Awami League) and police, including use of sound grenades and arson, which are clear acts of political violence within the recent 14‑day window.
Killed
0
Injured
0
Summary
১৭ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলনের অংশ হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন ক্যাম্পাসে গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে এবং টিএসসি পথে অগ্রসর হতে বাধা দেয়, পাশাপাশি মেয়র হানিফ উড়াল সড়কের টোল প্লাজায় অগ্নিকাণ্ড ঘটে।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
93% · severity 6
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Law Enforcement, Awami League
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Awami League, Law Enforcement
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 17/07/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
সারা দেশে শহীদদের গায়েবানা জানাজায় পুলিশের বাধা
রক্তাক্ত জুলাই সারা দেশে শহীদদের গায়েবানা জানাজায় পুলিশের বাধা Advertisement যুগান্তর প্রতিবেদন প্রকাশ: ১৭ জুলাই ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ কোটা সংস্কার আন্দোলনে সারা দেশে শহীদদের মাগফিরাত কামনায় ২০২৪ সালের ১৭ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পুলিশের বাধা অতিক্রম করে গায়েবানা জানাজা আদায় করেন আন্দোলনকারীরা। জানাজা শেষে শিক্ষার্থীরা প্রতীকী কফিন ধরে শপথ করে বলেন, ‘এই আন্দোলন আমরা বৃথা যেতে দেব না। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা আন্দোলন থেকে সরে যাব না।’ গায়েবানা জানাজা শেষে পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে আন্দোলনকারীরা টিএসসি অভিমুখে যাওয়ার চেষ্টা করেন। পুলিশ তাদের বাধা দেয় এবং কয়েক রাউন্ড সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। এরপরও আন্দোলনকারীরা সেখানেই অবস্থান নেন। ভোরে আন্দোলনকারীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন ক্যাম্পাস থেকে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের তাড়িয়ে দেয় এবং ক্যাম্পাসকে রাজনীতিমুক্ত ঘোষণা করে। এরপর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ক্যাম্পাস বন্ধ ঘোষণা করে শিক্ষার্থীদের হল খালি করার নির্দেশ দেয়। একইদিনে তৎকালীন সরকার কোম্পানিগুলোকে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়। ১৭ জুলাই ছিল পবিত্র আশুরা। এ উপলক্ষ্যে সরকারি ছুটির দিনেও ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ, সড়ক-মহাসড়ক অবরোধ, গায়েবানা জানাজা, কফিন মিছিল এবং দফায় দফায় সংঘর্ষ ও পালটাপালটি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আহতের সংখ্যাও বাড়তে থাকে। আন্দোলকারীরা রাজধানীতে মেয়র হানিফ উড়াল সড়কের কাজলা অংশের টোল প্লাজায় আগুন ধরিয়ে দেন। ওই সড়কের শনিরআখড়া ও কাজলার মধ্যবর্তী স্থানে অন্তত ২০টি জায়গায় মধ্যরাত পর্যন্ত আগুন জ্বলতে থাকে। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) ১৭ জুলাই সব বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা এবং নিরাপত্তার স্বার্থে শিক্ষার্থীদের হল ছাড়তে নির্দেশ দেয়। জরুরি সিন্ডিকেট সভা ডেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্যাম্পাস ও আবাসিক হল বন্ধ ঘোষণা করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে সব শিক্ষার্থীকে হল ছাড়তে নির্দেশ দেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের হল বন্ধের ঘোষণা ও পুলিশের তৎপরতার মুখে অনেক শিক্ষার্থী ক্যাম্পাস ছেড়ে যান। তবে হল বন্ধের সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করে রাতেও অনেক ছাত্রছাত্রী হল ও ক্যাম্পাসে অবস্থান করেন। বিকালে ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (গোয়েন্দা) হারুন অর রশীদ টিএসসি এলাকায় গিয়ে বলেন, ‘পুলিশ হল খালি করার অনুমতি পেয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হল না ছাড়লে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।’ এর আগে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে মঙ্গলবার (১৬ জুলাই ২০২৪ইং) রাতভর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি আবাসিক হলে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের ওপর চড়াও হন আন্দোলনকারীরা। এ সময় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের কক্ষ ভাঙচুর করা হয়। পাশাপাশি ১৪টি হলে ‘ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ’ মর্মে অঙ্গীকারনামায় প্রাধ্যক্ষদের সাক্ষর আদায় করেন শিক্ষার্থীরা। এদিকে শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে পুলিশ-বিজিবি-র্যাব ও সোয়াটের ন্যক্কারজনক হামলা, খুনের প্রতিবাদ, খুনিদের বিচার, সন্ত্রাসমুক্ত ক্যাম্পাস নিশ্চিত করা এবং কোটাব্যবস্থার যৌক্তিক সংস্কারের দাবিতে ১৮ জুলাই বৃহস্পতিবার সারা দেশে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ (সর্বাত্মক অবরোধ) কর্মসূচি ঘোষণা করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। এ কর্মসূচিতে হাসপাতাল ও জরুরি সেবা ছাড়া সবকিছু বন্ধ রাখার আহ্বান জানানো হয়। অন্যদিকে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে আন্দোলনকারীদের সর্বোচ্চ আদালতের রায় আসা পর্যন্ত ধৈর্য ধরার আহ্বান জানান। তবে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, ‘কোটা সংস্কার আন্দোলন এখন স্বাধীনতাবিরোধীদের হাতে চলে গেছে। কাজেই আর বসে থাকার সময় নেই।’ দলীয় নেতাকর্মীদের প্রস্তুত হওয়ার নির্দেশ দিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমাদের অস্তিত্বের ওপর হামলা এসেছে, হুমকি এসেছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলা আমাদের করতেই হবে। কাজেই আপনারা ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে প্রস্তুত হয়ে যান।’ এতে আন্দালনকারীরা আরও ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। শহীদ আবু সাঈদকে ১৭ জুলাই রংপুরের পীরগঞ্জে গ্রামের বাড়িতে দাফন করা হয়। এদিন সারা দেশে শহীদদের স্মরণে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে বিএনপি ও সমমনা দলগুলো গায়েবানা জানাজার আয়োজন করে। তাদের এই কর্মসূচিতে পুলিশ বাধা দেয়। গায়েবানা জানাজা শেষে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘গায়েবানা জানাজায় অংশ নিতে মুসল্লিদের বাধা দেওয়া হয়েছে। সরকার ইচ্ছা করলে আলোচনার মাধ্যমে কোটা সমস্যার সমাধান করতে পারত। তা না করে বর্বরভাবে হামলা করে মানুষ হত্যা করা হয়েছে।’ চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানেও শিক্ষার্থীরা পুলিশের বাধার মুখে গায়েবানা জানাজা পড়েন।
