মুগদায় মাথাবিহীন ৭ টুকরা লাশ উদ্ধার
Why this classification
Police found seven body parts of a headless, apparently male victim wrapped in polythene in Mugda, Dhaka, on Sunday, 17 May 2026. Police believe the person was murdered elsewhere, so this is a discovered body linked to a likely crime and counts as violence.
Killed
1
Injured
0
Summary
ঢাকার মুগদার মান্ডার আব্দুল গনি রোডের শাহনাজ ভিলা থেকে রোববার (১৭ মে ২০২৬) বিকালে পলিথিনে মোড়ানো মাথাবিহীন অজ্ঞাত পরিচয় পুরুষের লাশের সাতটি খণ্ড উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশের ধারণা, অন্য স্থানে হত্যার পর প্রমাণ মুছতে দুর্বৃত্তরা লাশের খণ্ডগুলো এখানে রেখে গেছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
90% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 17/05/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
মুগদায় মাথাবিহীন ৭ টুকরা লাশ উদ্ধার
মুগদায় মাথাবিহীন ৭ টুকরা লাশ উদ্ধার Advertisement নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশ: ১৮ মে ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ রাজধানীর মুগদা থেকে মাথাবিহীন অজ্ঞাত পরিচয় লাশের খণ্ডিত সাত টুকরা উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার বিকালে মান্ডার আব্দুল গনি রোডের ‘শাহনাজ ভিলা’ থেকে এগুলো উদ্ধার করা হয়। পুলিশের দাবি, এগুলো পলিথিনে মোড়ানো ছিল। নিহতের নাম-পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব না হলেও পুলিশের ধারণা, এগুলো কোনো পুরুষের লাশের খণ্ডিত অংশ। মুগদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আহসান উল্লাহ বলেন, উদ্ধার হওয়া লাশের টুকরাগুলো ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে। জানা যায়, শাহনাজ ভিলার বেজমেন্টের নিচে পলিথিনে মোড়ানো সন্দেহভাজন কিছু দেখে স্থানীয়রা মুগদা থানা-পুলিশকে খবর পাঠায় । পরে পুলিশ গিয়ে পলিথিন খুলে এগুলো উদ্ধার করে। পুলিশের ধারণা, দুর্বৃত্তরা ওই ব্যক্তিকে অন্য কোনো স্থানে হত্যা করেছে এবং হত্যার প্রমাণ মুছতে লাশের খণ্ড খণ্ড অংশ এ এলাকায় রেখে গেছে।
