পর্যটকবাহী জাহাজে নয়, জেলেদের নৌকায় দস্যুদের হামলাচেষ্টা—দাবি বন বিভাগের
Why this classification
The article reports an attempted dacoit attack on fishermen in the Sundarbans, with forest guards firing warning shots; this is a concrete violent incident, not a reaction or aggregate.
Killed
0
Injured
0
Summary
রাত ৩ অক্টোবর সুন্দরবনের কাদেরের খালে দস্যুরা জেলেদের নৌকা ঘিরে জিম্মি করার চেষ্টা করে। বনরক্ষীরা ফাঁকা গুলি ছুড়লে দস্যুরা পালিয়ে যায়; এতে কেউ হতাহত হয়নি।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
85% · severity 3
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 03/10/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (4 sources)
সুন্দরবনে ডাকাতির চেষ্টা, বনরক্ষীদের গুলিতে পালাল দস্যু
বাগেরহাটের পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের কটকা অভয়ারণ্য এলাকায় জেলেদের ট্রলারে ডাকাতির চেষ্টা চালানোর অভিযোগ উঠেছে। বনরক্ষীদের গুলিবর্ষণের পর সন্দেহভাজনরা ট্রলার নিয়ে সাগরের দিকে পালিয়ে যাওয়ায় ডাকাতি ব্যর্থ হয়। গত শনিবার রাতে কটকা খালের সাগর মোহনায় এ ঘটনা ঘটে।
পর্যটকবাহী জাহাজে নয়, জেলেদের নৌকায় দস্যুদের হামলাচেষ্টা—দাবি বন বিভাগের
সুন্দরবনে পর্যটকবাহী জাহাজে নয়, জেলেদের নৌকা ঘিরে দস্যুরা হামলার চেষ্টা চালিয়েছিল বলে দাবি করেছে বন বিভাগ। তবে এর আগে কটকা অভয়ারণ্য কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানিয়েছিলেন, একদল দস্যু ইঞ্জিনচালিত ট্রলারে করে কটকা নদীতে অবস্থানরত পর্যটকবাহী জাহাজের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল। পরে বনরক্ষীরা গুলি ছুড়লে তারা সাগরের দিকে পালিয়ে যায়।গতকাল শনিবার রাতে সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের কটকা এলাকার কাদেরের খালে এ ঘটনা ঘটে। এদিকে, বন বিভাগ জানায়, কাদেরের খাল এলাকায় পৌঁছানোর পর দস্যুরা জেলেদের নৌকার পিছু নেয়। বিষয়টি বুঝতে পেরে এক জেলে বনকর্মীদের খবর দেন। পরে বনরক্ষীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে ব্যবস্থা নেন। তাঁদের তৎপরতায় জেলেরা বড় ধরনের বিপদ থেকে রক্ষা পান। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। আজ রোববার বিকেলে সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, বৈধ পাস-পারমিট নিয়ে সুন্দরবনে মাছ ধরতে যাওয়া জেলেদের নৌকার পিছু নিয়েছিল দস্যুরা। তারা জেলেদের জিম্মি করার চেষ্টা করলে এক জেলে কটকা বন অফিসে ফোন করে বিষয়টি জানান। খবর পেয়ে বনকর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ফাঁকা গুলি ছোড়েন। পরে দস্যুরা পালিয়ে যায়। এই কর্মকর্তা আরও বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা বিভিন্ন মাধ্যমে পর্যটকবাহী নৌযানে দস্যুদের হামলার যে তথ্য ছড়িয়েছে, তা সঠিক নয়। তিনি বলেন, কোনো পর্যটকবাহী নৌযানে দস্যুতার ঘটনা ঘটেনি। এ বিষয়ে দর্শনার্থীদের বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ করেন তিনি। সুন্দরবনে পর্যটকবাহী জাহাজে ডাকাতির চেষ্টা, বনরক্ষীদের গুলিতে পালাল দস্যুরা এর আগে, কটকা অভয়ারণ্য কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফরেস্টার তানভির হাসান ইমরান জানিয়েছিলেন, রাতের দিকে একদল দস্যু ইঞ্জিনচালিত একটি ট্রলারে করে কটকা নদীতে অবস্থানরত পর্যটকবাহী জাহাজের দিকে এগিয়ে আসছিল। বুঝতে পেরে কটকার মোহনায় থাকা জেলেরা মোবাইল ফোনে বনরক্ষীদের খবর দেন। খবর পেয়ে দ্রুত টহল বোট নিয়ে কটকা নদীর প্রবেশমুখে অবস্থান নেন বনরক্ষীরা। এ সময় দস্যুরা পর্যটকবাহী জাহাজের দিকে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে বনরক্ষীরা তাদের লক্ষ্য করে চার রাউন্ড গুলি ছোড়েন। গুলির শব্দে দস্যুরা ট্রলারের দিক পরিবর্তন করে দ্রুত সাগরের দিকে পালিয়ে যায়।
সুন্দরবনে পৃথক অভিযানে ২ জেলে উদ্ধার, ডাকাত আটক
সুন্দরবনে পৃথক দুটি অভিযানে দুর্ধর্ষ ডাকাত বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর হাতে জিম্মি থাকা ২ জেলে উদ্ধার এবং অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ কুখ্যাত ডাকাত দয়াল বাহিনীর ১ সদস্যকে আটক করেছে কোস্ট গার্ড। আটক ডাকাত খুলনার কয়রা উপজেলার বাসিন্দা তরিকুল (৩৫)। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বিকালে কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রত্যক্ষ নির্দেশনায় সুন্দরবন অঞ্চলে সক্রিয় সকল বনদস্যুর বিরুদ্ধে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড কঠোর অবস্থানে রয়েছে। এর অংশ হিসেবে কোস্ট গার্ডের নেতৃত্বে “অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন”এবং “অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড” নামে দুটি বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায়, “অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড”-এর অংশ হিসেবে সুন্দরবনের বিভিন্ন স্থানে পৃথক দুটি সফল অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসব অভিযানে দুর্ধর্ষ ডাকাত বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর হাতে জিম্মি থাকা একটি মাছ ধরার নৌকাসহ ২ জন জেলেকে জীবিত উদ্ধার করা হয় এবং অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ কুখ্যাত দয়াল বাহিনীর এক সদস্যকে আটক করা হয়। তিনি জানান, গত ১৫ এপ্রিল মোংলার জয়মনিঘোল এলাকার শুয়োরমারা খাল সংলগ্ন স্থানে মাছ ধরতে গিয়ে ২ জন জেলে বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর হাতে অপহৃত হয়। ডাকাতরা তাদের জিম্মি রেখে মুক্তিপণ আদায়ের উদ্দেশ্যে নির্যাতন চালায়।পরবর্তীতে গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে জিম্মিদের অবস্থান নিশ্চিত করা হলে, বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টায় কোস্ট গার্ড বেইস মোংলা কর্তৃক মুর্তি খাল সংলগ্ন এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান চলাকালীন একটি কাঠের নৌকাসহ ২ জন জেলেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। এ সময় কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাতরা জিম্মিদের ফেলে বনের ভেতরে পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, কুখ্যাত ডাকাত দয়াল বাহিনী শ্যামনগর থানাধীন হোগলডরা খাল সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে শুক্রবার সকাল ৬টায় কোস্ট গার্ড স্টেশন কৈখালী কর্তৃক ওই এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান চলাকালীন কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাতরা বনের ভেতর পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। আভিযানিক দল ডাকাতদের ধাওয়া করে ২টি একনলা বন্দুক, ৯ রাউন্ড তাজা কার্তুজসহ কুখ্যাত ডাকাত দয়াল বাহিনীর এক সদস্যকে আটক করা হয়। আটক ডাকাত তরিকুল খুলনার কয়রা থানার বাসিন্দা। তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ দয়াল বাহিনীর সক্রিয় সদস্য হিসেবে ডাকাতি করে আসছিলেন। আটককৃত ডাকাত, জব্দকৃত অস্ত্র ও গোলাবারুদের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা এবং উদ্ধারকৃত জেলেদের পরিবারের নিকট হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তিনি আরও বলেন, সুন্দরবনকে সম্পূর্ণরূপে দস্যুমুক্ত করতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে। মোহাম্মদ মিলন/এমটিআই
সুন্দরবনে বন্দুক যুদ্ধের পর অস্ত্রসহ ৩ বনদস্যু আটক
অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড সুন্দরবনে বন্দুক যুদ্ধের পর অস্ত্রসহ ৩ বনদস্যু আটক Advertisement বাগেরহাট ও মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৬ মে ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ সুন্দরবনে পঞ্চমবারের মতো ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’ নামে বিশেষ অভিযান চালিয়ে অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ ৩ বনদস্যুকে আটক করেছে কোস্ট গার্ড। এ সময় তাদের সঙ্গে কোস্ট গার্ডের বন্দুকযুদ্ধ হয়। আটকরা হলো-বাগেরহাট জেলার মোরলগঞ্জ উপজেলার মেহেদী হাসান ও রমজান শরীফ এবং ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা থানার বাসিন্দা এনায়েত। তারা সবাই সুন্দরবনে করিম শরীফ বাহিনীর সক্রিয় সদস্য বলে জানা গেছে। তাদের কাছ থেকে তিনটি একনলা বন্দুক, একটি দেশীয় পিস্তল, ৪৯ রাউন্ড তাজা কার্তুজ, ১৮৭ রাউন্ড এয়ারগান গোলা, দুটি ওয়াকিটকি ও চারটি ওয়াকিটকি চার্জার উদ্ধার করা হয়। শুক্রবার কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, সুন্দরবনের কুখ্যাত ডাকাত করিম শরীফ বাহিনীর সদস্যরা পূর্ব সুন্দরবনের শ্যালা নদীর মরা চানমিয়া খালী খালসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছিল। এ খবর পেয়ে ১৩ মে বিকাল ৫টা থেকে দুদিনব্যাপী কোস্ট গার্ড ওই এলাকা ঘিরে রেখে অভিযান শুরু করে। এ সময় কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাতদলের সদস্যরা গুলি ছুড়লে আত্মরক্ষার্থে কোস্ট গার্ডও পালটা গুলি চালায়। একপর্যায়ে কোস্ট গার্ডের তীব্র প্রতিরোধের মুখে ডাকাতদল পালানোর চেষ্টা করে। তাদের ধাওয়া করে করিম শরীফ বাহিনীর ৩ জন সক্রিয় ডাকাত সদস্যকে আটক করা হয়। এই ডাকাতরা জেলেদের অপহরণ করেছিল। তিনি আরও বলেন, জব্দকৃত অস্ত্র, গোলাবারুদ ও আটক ডাকাতদের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এর আগে ১৩ মে বনরক্ষীদের তৎপরতা ও সহযোগিতায় করিম শরীফ বাহিনীর হাতে জিম্মি থাকা চার জেলেকে উদ্ধার করে কোস্ট গার্ডের কাছে হস্তান্তর করে বন বিভাগ।
