চা বাগানে পর্যটক তরুণীকে অপহরণের পর ধর্ষণ

AI-classifiedconfidence 95%

Why this classification

This is a concrete, recent incident in Habiganj in which two men abducted a tourist woman, raped her, beat her, and stole her gold earrings on 23 March 2026. One suspect was arrested at the scene and the victim was rescued, so the event involves a physical attack and clearly qualifies as violence.

Reported by:JugantorSamakalCorroborated · 2 sources
23/03/26•সুরমা চা বাগান, মাধবপুর

Killed

0

Injured

0

Summary

হবিগঞ্জের মাধবপুরের সুরমা চা বাগানে ২০২৬ সালের ২৩ মার্চ (সোমবার) বিকালে বেড়াতে আসা এক পর্যটক তরুণীকে জসিম মিয়া ও শাহীন মিয়া অপহরণ করে নির্জন স্থানে নিয়ে ধর্ষণ, মারধর এবং স্বর্ণের দুল ছিনতাই করে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে জসিম মিয়াকে গ্রেফতার করে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করেছে এবং পলাতক শাহীন মিয়াকে ধরতে অভিযান চলছে।

AI analysis

Category

Gender-Based Violence

Confidence

95% · severity 7

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

জসিম মিয়া (৩৪), লেদু মিয়ার ছেলে, পরমানন্দপুর গ্রাম (গ্রেফতার)শাহীন মিয়া (পলাতক)ভুক্তভোগী পর্যটক তরুণীমাধবপুর থানার ওসি সোহেল রানা

Tags

RapeRobbery

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 23/03/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Samakal · 29/03/26open original ↗

স্থানীয় পর্যটনে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে ভয়ংকর গুপ্ত অপরাধীরা

স্থানীয় পর্যটনে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে ভয়ংকর গুপ্ত অপরাধীরা মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৯ মার্চ ২০২৬ | ০৮:২৯ | প্রিন্ট সংস্করণ মাধবপুর উপজেলার চা বাগান ও বনাঞ্চলগুলো বরাবরই পর্যটকদের মূল আকর্ষণের স্থান। তবে সাম্প্রতিক পরিস্থিতির কারণে এসব স্থানে কমছে পর্যটকের আসা-যাওয়া। স্থানীয় একটি অপরাধী চক্রের আতঙ্কে বন-বাগানের টানে ছুটে আসা পর্যটকরা আগের মতো স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছেন না বলে জানিয়েছেন। বনবাদাড়ে ওত পেতে থাকা এই ভয়ংকর শিকারিরা হানা দিয়ে পর্যটকদের সর্বস্ব লুটে নিচ্ছে। স্থানীয়রা বলছেন, এই চক্রকে বাগে আনা না গেলে শিগগিরই পরিস্থিতির পরিবর্তন না ঘটলে সংকটে পড়তে পারে স্থানীয় পর্যটন ও এর সঙ্গে সম্পৃক্ত শতাধিক মানুষের জীবন ও জীবিকা। কিছু অসাধু মানুষের কারণে পর্যটন খাতে ভাটা পড়লে তা মেনে নেওয়া কঠিন। এমন অবস্থায় অনেকেই বলছেন, প্রশাসন নিরাপত্তার কথা বললেও পর্যাপ্ত ব্যবস্থা যে নিশ্চিত করা হয় না, এসব তারই প্রমাণ। বিশেষ করে সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান, সুরমা চা বাগান, তেলিয়াপাড়া চা বাগান এবং রামগঙ্গা চা বাগান এলাকায় বেড়াতে আসা দর্শনার্থীরা নানা ধরনের অপরাধের শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর এসব এলাকায় প্রতিদিনই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পর্যটকরা পরিবার-পরিজন নিয়ে ঘুরতে আসেন। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে এক শ্রেণির অপরাধী গোপনে তাদের অনুসরণ করে। চা বাগানের ঘন অরণ্য অথবা পাহাড়ি পথের নির্জন অংশে পেলেই দুর্বৃত্তরা ঘিরে ধরছে পর্যটকদের। লুটে নিচ্ছে সবকিছু। ভুক্তভোগীদের ভাষ্য অনুযায়ী, অনেক সময় বনে যাওয়া পর্যটকরা বুঝতেই পারেন না যে তাদের ওপর নজর রাখা হচ্ছে। দূর থেকে অনুসরণ করে অপরাধীরা সুযোগ বুঝে নির্জন স্থানে হানা দেয়। এরপর মূল্যবান জিনিসপত্র ছিনিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি নারীর ওপর শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়ে বলেও অভিযোগ রয়েছে। মাধবপুরের পর্যটন স্পটগুলোতে এসব ঘটনা বেশ কয়েক বছর ধরে চললেও অধিকাংশ ক্ষেত্রে তা প্রকাশ পায় না। ফলে অপরাধীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে। ঈদের দু’দিন পর সুরমা চা বাগানে বেড়াতে গিয়ে এক পর্যটক তরুণী অপহরণ ও ধর্ষণের শিকার হন। এ ঘটনায় পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে উপজেলার পরমানন্দপুর গ্রামের লেদু মিয়ার ছেলে জসিম নামে একজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়। এরপরও ওই এলাকা নিয়ে ভয় কাটছে না মানুষের। এ বিষয়ে সাতছড়ি টিপরা বস্তির হেডম্যান চিত্তরঞ্জন দেববর্মা জানান, জসিম একজন ভয়ংকর অপরাধী। তার সঙ্গে আরও কয়েকজন যুবক রয়েছে; যারা দীর্ঘদিন ধরে এসব অপরাধ করে বেড়াচ্ছে। গত বছরও সে একই ধরনের ঘটনায় জড়িত ছিল। তাদের কারণে এখানকার পর্যটন যে ক্ষতিগ্রস্ত  হচ্ছে, সেটি বোঝার মানুষ তারা নয়। বাইরের লোকজন সরল বিশ্বাসে এখানে বেড়াতে আসেন কিন্তু অপরাধীরা জঙ্গলে লুকিয়ে থেকে তাদের টার্গেটে পরিণত করে। এ নিয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। শাহজাহানপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পারভেজ হোসেন চৌধুরী বলেন, তেলিয়াপাড়া রেললাইন থেকে চুনারুঘাট পর্যন্ত পুরাতন মহাসড়কের দুই পাশে মনোরম প্রাকৃতিক দৃশ্য উপভোগ করতে প্রতিদিন অনেক মানুষ আসেন। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের আরও কঠোর ভূমিকা পালন করা উচিত। এদিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকেও বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সোহেল রানা। তিনি বলেন, ঈদের পরের ঘটনায় তারা দ্রুত অভিযান চালিয়ে জসিমকে আটক করেছেন। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে আমলে নেওয়া হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, শুধু অভিযান চালালেই হবে না, স্থায়ী নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাতছড়ি ও আশপাশের এলাকায় একটি পুলিশ ফাঁড়ি বা পর্যটন পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপন করা জরুরি। এতে করে পর্যটকদের নিরাপত্তা বাড়বে এবং অপরাধীরা সহজে পালাতে পারবে না। প্রকৃতিপ্রেমীদের কাছে জনপ্রিয় এই এলাকা যেন অপরাধীদের অভয়ারণ্য না হয়ে ওঠে, এটাই দাবি স্থানীয়দের। - বিষয় : - পর্যটন

Source 2: Jugantor · 24/03/26open original ↗

চা বাগানে পর্যটক তরুণীকে অপহরণের পর ধর্ষণ

চা বাগানে পর্যটক তরুণীকে অপহরণের পর ধর্ষণ Advertisement মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৪ মার্চ ২০২৬, ১০:১১ পিএম হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার সুরমা চা বাগানে ঘুরতে যাওয়া এক পর্যটক তরুণীকে অপহরণ করে ধর্ষণ করা হয়েছে। সোমবার (২৩ মার্চ) ওই তরুণীকে অপহরণ করে ধর্ষণ করে স্বর্ণের এক জোড়া দুল ছিনিয়ে নেয় দুই যুবক। এ ঘটনায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে উপজেলার পরমানন্দপুর গ্রামের লেদু মিয়ার ছেলে মো. জসিম মিয়াকে (৩৪) গ্রেফতার করেছে। মঙ্গলবার দুপুরে তাকে নারী নির্যাতন ও ধর্ষণ মামলায় আদালতের নির্দেশে আসামি জসিম মিয়াকে হবিগঞ্জ জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা যায়, সোমবার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে ওই তরুণী তার এক আত্মীয়কে সঙ্গে নিয়ে মাধবপুর বাজার থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে সাতছড়ি ও সুরমা চা বাগানে ঘুরতে যান। সন্ধ্যা ৬টার দিকে তারা সুরমা চা বাগানের সামনে সিএনজি রেখে হেঁটে বাগানের ভেতরে প্রবেশ করেন। কিছুক্ষণ পর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে আসামি জসিম মিয়া ও পলাতক শাহীন মিয়া ‘ডাকাত’ বলে ধাওয়া দিলে তরুণীর সঙ্গে থাকা যুবক পালিয়ে যান। এ সুযোগে আসামিরা তরুণীকে জোরপূর্বক অপহরণ করে বাগানের গভীর নির্জন স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে তারা তাকে ধর্ষণ করে এবং মারধর করা হয়। এ সময় তার কানে থাকা স্বর্ণের এক জোড়া দুল ছিনিয়ে নেয় আসামিরা। একপর্যায়ে ভুক্তভোগী কান্নাকাটি শুরু করলে আসামিরা তাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করতে বাধ্য করার চেষ্টা করে। এদিকে তরুণীর সঙ্গে থাকা যুবক বিষয়টি পুলিশকে জানালে মাধবপুর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে অভিযান চালায়। পুলিশ ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে এবং ঘটনাস্থল থেকেই জসিম মিয়াকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। গ্রেফতারের সময় তার দেহ তল্লাশি করে ভুক্তভোগীর স্বর্ণের দুল উদ্ধার করা হয়। মাধবপুর থানার ওসি সোহেল রানা জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার আসামি ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্তার কথা স্বীকার করেছে এবং পলাতক শাহীন মিয়ার নাম প্রকাশ করেছে। এ ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ভুক্তভোগীকে তাৎক্ষণিকভাবে হবিগঞ্জের ২৫০ শয্যার আধুনিক সদর হাসপাতালে চিকিৎসা ও ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। এদিকে মাধবপুর উপজেলার ছাতিয়াইন এলাকায় ঈদের ছুটিতে বেড়াতে যাওয়ার পথে একটি পরিবারের ওপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলায় নারী-পুরুষসহ একই পরিবারের ৬ জন আহত হয়েছেন। এ সময় তাদের কাছ থেকে স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুট করে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। সোমবার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার ছাতিয়াইন-পৈলাবাড়ি সড়কে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের উদ্ধার করে মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। হামলায় আহতরা হলেন— সুলতান চৌধুরী, নিপা আক্তার, পান্না চৌধুরী, তানভীর চৌধুরী, শাহেন শাহসহ আরও একজন। ভুক্তভোগী তোফায়েল চৌধুরী জানান, তিনি পরিবারের সদস্যদের নিয়ে পিয়াইম গ্রামে বেড়াতে যাচ্ছিলেন। পথে ছাতিয়াইন এলাকায় তাদের বহনকারী সিএনজিচালিত অটোরিকশার গতিরোধ করে রাব্বি ও জুয়েল মিয়ার নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী হামলা চালায়। হত্যার উদ্দেশ্যে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করে তারা। হামলাকারীরা পরিবারের নারী সদস্যদের কাছ থেকে স্বর্ণালংকার ও নগদ অর্থ জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ ঘটনায় তোফায়েল চৌধুরী বাদী হয়ে মঙ্গলবার ছাতিয়াইন গ্রামের কুতুব মিয়ার ছেলে রাব্বি, জুয়েল মিয়াসহ অজ্ঞাত আরও ৩-৪ জনের বিরুদ্ধে মাধবপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। মাধবপুর থানার ওসি সোহেল রানা জানান, অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।