আদালতে ৪ আসামির স্বীকারোক্তি, একজন ৩ দিনের রিমান্ডে
Why this classification
This article reports a specific murder: robbers used a weapon to steal from a government revenue officer, beat him, and he died from a head injury. The death occurred within the last few days, so it is recent and within Bangladesh, and the article is about the murder and the resulting arrests and confessions rather than only commentary.
Killed
1
Injured
0
Summary
কুমিল্লায় ছিনতাইকারীদের হাতে ২৪ এপ্রিল ২০২৬ (শুক্রবার) গভীর রাতে সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগী নিহত হন; অস্ত্রের মুখে মোবাইল, টাকা ও ব্যাগ ছিনিয়ে নিয়ে মারধরের পর মাথায় আঘাতে তার মৃত্যু হয়। পরে গ্রেপ্তার ৫ আসামির মধ্যে ৪ জন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি দেন এবং অপর আসামির ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হয়।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
90% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 24/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
আদালতে ৪ আসামির স্বীকারোক্তি, একজন ৩ দিনের রিমান্ডে
কাস্টমস কর্মকর্তা হত্যা মামলা আদালতে ৪ আসামির স্বীকারোক্তি, একজন ৩ দিনের রিমান্ডে বুলেট বৈরাগী হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার ৫ আসামি কুমিল্লা প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৭ এপ্রিল ২০২৬ | ২১:৪১ কাস্টমস কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগী হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার ৫ আসামির মধ্যে ৪ জন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। অপর একজনকে ৩ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ। সোমবার বিকেলে পুলিশ গ্রেপ্তার ৫ জনকে কুমিল্লার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করে। সন্ধ্যায় আদালতের বিচারক আবিদা সুলতানা মলির কাছে ৪ আসামি হত্যার দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন। আদালতের পরিদর্শক মামুনুর রশিদ সমকালকে জানান, কাস্টমস কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগী হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়ে গ্রেপ্তার ৫ আসামির মধ্যে ইসমাইল হোসেন জনি ছাড়া অপর ৪ আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এরা হচ্ছেন- কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শহরতলীর ধর্মপুর এলাকার মো. সোহাগ (৩৪), মো. সুজন (৩২), আড়াইওড়া এলাকার রাহাত হোসেন জুয়েল (২৭), আমড়াতলী গ্রামের এমরান হোসেন ওরফে হৃদয় (৩৪)। অপর আসামি সিএনজি চালক ইসমাইল হোসেন জনিকে (২৮) জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৫ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানিয়েছে পুলিশ। শুনানি শেষে আদালত তার ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। বুলেট বৈরাগী গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার ডুমুরিয়া গ্রামের বাবুপাড়া এলাকার বাসিন্দা সুশীল বৈরাগীর ছেলে। তিনি সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা হিসেবে কুমিল্লার বিবিরবাজার স্থলবন্দরে কর্মরত ছিলেন। বিবিরবাজার থেকে ১১ এপ্রিল চট্টগ্রামে গিয়েছিলেন ৪৪তম বুনিয়াদি প্রশিক্ষণে। প্রশিক্ষণ শেষে গত শুক্রবার গভীর রাতে কুমিল্লা নগরীতে ফিরে দুর্বৃত্তদের হাতে খুন হন বুলেট বৈরাগী। ওই রাত আড়াইটা পর্যন্ত স্ত্রী উর্মিসহ তার পরিবারের সাথে মোবাইলে কথা হয়। পরে কুমিল্লার ঝাগুরঝুলি এলাকায় পৌঁছে যাত্রী সেজে সিএনজিতে বসে থাকা ছিনতাইকারীদের সঙ্গে গাড়িতে উঠলে অস্ত্রের মুখে মোবাইল টাকা পয়সা ব্যাগ ছিনিয়ে নিয়ে তাকে মারধর করে রাস্তায় ফেলে দেয়। এতে মাথায় আঘাত পেয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরদিন শনিবার সকালে হাইওয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে। সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি সিরাজুল মোস্তফা সমকালকে বলেন, ৫ আসামির মধ্যে ৪ জন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। অপর একজন আসামিকে ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
চার ঘাতকের স্বীকারোক্তি
কুমিল্লায় কাস্টমস কর্মকর্তা হত্যা চার ঘাতকের স্বীকারোক্তি রিমান্ডে ১ Advertisement কুমিল্লা ব্যুরো প্রকাশ: ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ কুমিল্লায় কাস্টমস কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগী হত্যা মামলায় চার ঘাতক আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। সোমবার রাতে ৬নং আমলি আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আবিদা সুলতানা মলির খাস কামরায় চার আসামি ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন। বিচারকের সামনে ঘাতকরা হত্যার বর্ণনা দেন। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পঙ্কজ বড়ুয়া মঙ্গলবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। পুলিশ জানায়, বুলেট বৈরাগী হত্যায় জড়িত ৫ আসামিকে গ্রেফতার করে র্যাব। সোমবার বিকালে তাদের সদর দক্ষিণ থানায় হস্তান্তর করা হয়। বিকালে আসামিদের আদালতে সোপর্দ করা হয়। বিচারকের সামনে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে গ্রেফতার সোহাগ, এমরান, রাহাত ও সুজন। এ সময় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই টিটু কুমার নাথ অপর আসামি ইসমাইল হোসেন জনিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রাতে তাদের সবাইকে কারাগারে পাঠানো হয়। এর আগে, চট্টগ্রামে প্রশিক্ষণ শেষে শুক্রবার রাতে কুমিল্লায় ফেরার পথে নিখোঁজ হন কাস্টমস কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগী। পর দিন সকালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কোটবাড়ি এলাকার হোটেল আইরিশের পাশের ফুটপাত থেকে তার রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। কাস্টমস, এক্সসাইজ ও ভ্যাট বিভাগে সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগী কুমিল্লার বিবিরবাজার স্থলবন্দরে কর্মরত ছিলেন। তিনি সেখান থেকেই ১১ এপ্রিল ৪৪তম বুনিয়াদি প্রশিক্ষণের জন্য চট্টগ্রামে গিয়েছিলেন। পরিবার জানায়, বুলেট বৈরাগী প্রশিক্ষণ শেষে কুমিল্লায় ফেরার জন্য শুক্রবার রাত ১১টার দিকে চট্টগ্রামের অলঙ্কার মোড় থেকে ঢাকাগামী বাসে ওঠেন। পথে তার কুমিল্লা বাইপাসে নেমে যাওয়ার কথা। সর্বশেষ রাত ২টা ২৫ মিনিটের দিকে ফোন করে তিনি কুমিল্লা নগরীর টমছম ব্রিজ চৌরাস্তার মোড়ে পৌঁছান। তবে তার মা নীলিমা বৈরাগী বলেন, শেষবার কথা বলার সময় তার ছেলের কণ্ঠ অপরিচিত মনে হয়েছিল। কিন্তু কথা বলার দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও তিনি বাসায় না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা কল দিলে তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ পান। খোঁজাখুঁজি করে তার কোনো হদিস না পেয়ে শনিবার সকালে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে পরিবার। এর পরপরই সড়কের পাশ থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। বুলেট গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ার ডুমুরিয়া বাবুপাড়া গ্রামের সুশীল বৈরাগীর ছেলে। তিনি ৪১তম বিসিএস নন-ক্যাডার হিসাবে ঢাকা কাস্টমস কার্যালয়ে যোগদান করেন। চাকরির সুবাদে কুমিল্লা শহরের রাজগঞ্জসংলগ্ন পানপট্টি এলাকায় পরিবারসহ ভাড়া বাসায় থাকতেন তিনি। তার বাবা, মা ও স্ত্রী ছাড়াও এক বছর বয়সি এক ছেলে সন্তান রয়েছে। নীলিমা বৈরাগী বলেন, শুনেছি চার আসামি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। আমরা তদন্ত কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি। ঘাতকদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করছি। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সদর দক্ষিণ থানার এসআই টিটু কুমার নাথ বলেন, ৪ আসামি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একজনের ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হয়েছে। মামলাটি মোটামুটি শনাক্ত পর্যায়ে রয়েছে। বিচারের দাবিতে জকসুর মানববন্ধন : জবি প্রতিনিধি জানায়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগের ৫ম ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থী ও কাস্টমস কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগীর হত্যাকারীদের দ্রুত বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু)। মঙ্গলবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাস্কর্য চত্বরে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্বহীনতার তীব্র নিন্দা জানিয়ে হত্যাকারীদের দ্রুত বিচারের দাবি জানান শিক্ষার্থীরা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, জকসুর ভিপি রিয়াজুল ইসলাম, আইন ও মানবাধিকার সম্পাদক হাবীব মোহাম্মদ ফারুক প্রমুখ।
