বাস চালু রাখা নিয়ে রাজশাহীতে শ্রমিক নেতাদের দুই পক্ষের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

AI-classifiedconfidence 85%

Why this classification

This article describes a specific, recent physical clash in Rajshahi in which union leader Rafiqul Islam Pakhi was beaten and the union office was locked, followed by a second clash on April 23 when he tried to retake the office. Both sides chased and fought each other, and the situation remained tense, so it qualifies as real violence.

Reported by:SamakalSingle source
22/04/26•শিরোইল বাস টার্মিনাল, রাজশাহী

Killed

0

Injured

1

Summary

রাজশাহীর শিরোইল বাস টার্মিনালে বন্ধ বাস চালু নিয়ে ২২ এপ্রিল (বুধবার) সন্ধ্যায় পরিবহন শ্রমিক নেতাদের দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি হয়, এতে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম পাখিকে মারধর করা হয় এবং ইউনিয়ন অফিসে তালা ঝোলানো হয়। ২৩ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) অফিস পুনর্দখলের চেষ্টায় আবারও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়, যার ফলে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

85% · severity 4

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

রফিকুল ইসলাম পাখি (ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক, রাজশাহী মোটরশ্রমিক ইউনিয়ন)ফেরদৌস (সাংগঠনিক সম্পাদক, রাজশাহী মোটরশ্রমিক ইউনিয়ন)সাধারণ শ্রমিকরাএইচ এম সিরাজুর রহমান (ওসি তদন্ত, বোয়ালিয়া থানা)

Affected infrastructure

রাজশাহী মোটরশ্রমিক ইউনিয়নের অফিস (তালা ঝুলিয়ে বন্ধ)

Tags

Gang War

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 22/04/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Samakal · 24/04/26open original ↗

বাস চালু রাখা নিয়ে রাজশাহীতে শ্রমিক নেতাদের দুই পক্ষের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

বাস চালু রাখা নিয়ে রাজশাহীতে শ্রমিক নেতাদের দুই পক্ষের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ছবি-সংগৃহীত রাজশাহী ব্যুরো প্রকাশ: ২৩ এপ্রিল ২০২৬ | ১৯:১০ বন্ধ থাকা বাস চালু করা নিয়ে রাজশাহীর শিরোইল বাস টার্মিনাল এলাকায় টানা দুই দিন ধরে পরিবহন শ্রমিক নেতাদের দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। বুধবার সন্ধ্যার পর রাজশাহী মোটরশ্রমিক ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম পাখিকে মারধর করে ইউনিয়ন অফিসে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। পরদিন বৃহস্পতিবার বিকেলে পাখি তার সমর্থকদের নিয়ে অফিসের দখল নিতে গেলে সাধারণ শ্রমিকদের সঙ্গে আবারও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বুধবার দুপুরে প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকের পর রাজশাহী-ঢাকা রুটে বন্ধ থাকা বাস চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ সময় বাস চালু করা নিয়ে ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক ফেরদৌস ও কয়েকজন শ্রমিকের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ফেরদৌস এক শ্রমিককে মারধর করেন। পরে শ্রমিকরা এর বিচার চাইতে গেলে নেতারা বিষয়টি মীমাংসার জন্য সময় চান। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে সাধারণ শ্রমিকরা ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম পাখিকে মারধর করেন এবং ইউনিয়ন অফিসে তালা ঝুলিয়ে দেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলে, যা রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত অব্যাহত ছিল। বৃহস্পতিবার বিকেলে পুনরায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে, যখন পাখি তার সমর্থকদের নিয়ে ইউনিয়ন অফিস পুনর্দখলের চেষ্টা করেন। এ সময় সাধারণ শ্রমিকদের সঙ্গে আবারও সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন তারা। বর্তমানে শিরোইল বাস টার্মিনাল এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। রফিকুল ইসলাম পাখি বলেন, প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকে শ্রমিকদের না নেওয়াকে ইস্যু করে একটি পক্ষ পরিস্থিতি উত্তপ্ত করার চেষ্টা করছে। তারা বাস চলাচল বন্ধ করতে চাচ্ছে, কিন্তু তা বাধা দেওয়ায় এই ঘটনা ঘটেছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, বাস চালু রাখার দাবিতে মিছিল করলে প্রতিপক্ষের শ্রমিক নেতারা হামলা চালায়। তবে এতে তাদের পক্ষের কেউ আহত হয়নি বলে দাবি করেন তিনি। পাশাপাশি ইউনিয়ন অফিসে তালা দেওয়ার ঘটনাও উল্লেখ করেন তিনি। অন্যদিকে, যেসব শ্রমিক নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তারা গত ৫ আগস্টের পর থেকে আত্মগোপনে রয়েছেন বলে জানিয়েছেন সাধারণ শ্রমিকরা। এ বিষয়ে তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। রাজশাহীর বোয়ালিয়া থানার ওসি (তদন্ত) এইচ এম সিরাজুর রহমান বলেন, পরিস্থিতি বর্তমানে পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। উভয় পক্ষকে শান্ত করার চেষ্টা চলছে।