জামালপুর সীমান্ত দিয়ে আবার পুশ ইনের চেষ্টা, বিজিবির তৎপরতায় ব্যর্থ
Why this classification
প্রবন্ধে ভারতীয় বিএসএফের পুশ‑ইন প্রচেষ্টা এবং বর্ডার গার্ড ও গ্রামবাসীর লাঠি‑দ্বারা প্রতিরোধের বর্ণনা আছে, যা শারীরিক সংঘর্ষের উদাহরণ; ঘটনা সাম্প্রতিক (গতকাল ও আজ) এবং বাংলাদেশে ঘটেছে, তাই এটি হিংসা হিসেবে স্বীকৃত।
Killed
0
Injured
0
Summary
ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) রহিমপুর সীমান্তে পুশ‑ইনের চেষ্টা করে, তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ও স্থানীয় গ্রামবাসীর লাঠি ও দেশি অস্ত্রের প্রতিরোধে প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়। একই দিন অন্য সীমান্তে মধ্যবয়সী এক ব্যক্তির পুশ‑ইনও স্থানীয়দের উপস্থিতিতে রোধ করা হয়।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
94% · severity 2
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 09/06/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
জামালপুর সীমান্ত দিয়ে আবার পুশ ইনের চেষ্টা, বিজিবির তৎপরতায় ব্যর্থ
জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার রহিমপুর সীমান্ত দিয়ে গতকাল মঙ্গলবার গভীর রাতে আবার পুশ ইনের চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও স্থানীয় রহিমপুর গ্রামের বাসিন্দাদের সতর্ক অবস্থানের কারণে সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। একই স্থান দিয়ে আগেও পুশ ইনের চেষ্টা করেছিল বিএসএফ। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দেওয়ানগঞ্জের পাররামরামপুর ইউনিয়নের রহিমপুর গ্রামের বিপরীতে সীমান্তের ১০৮০ নম্বর পিলার এলাকায় বিএসএফের একটি ফটক আছে। গতকাল গভীর রাতে ওই ফটকের কাছে লোকজনভর্তি তিনটি ভারতীয় গাড়ি অবস্থান নেয়। গাড়ির আশপাশে বিএসএফ সদস্যদের উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। এ সময় গ্রামবাসীর মধ্যে সন্দেহ ও উদ্বেগ তৈরি হয়। পরে গ্রামের লোকজন লাঠি ও দেশি অস্ত্র নিয়ে বিজিবির সঙ্গে সীমান্ত এলাকায় অবস্থান নেন। পাররামরামপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান সেলিম মিয়া প্রথম আলোকে বলেন, আগের মতো গতকাল রাতেও গেটের কাছে ভারতের তিনটি গাড়ি অবস্থান নেয়। এতে অনেক লোকজন ছিলেন। খবর পেয়ে তিনি নিজে গ্রামবাসীকে নিয়ে সেখানে অবস্থান নেন। পরে বিএসএফ কয়েকজনকে সীমান্তের কাছে নামিয়ে দেয়। তখন গ্রামবাসী এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন এবং লাঠি নিয়ে চিল্লাচিল্লি শুরু করেন। বিজিবির সঙ্গে শত শত গ্রামবাসীর তৎপরতায় পুশ ইনের চেষ্টা ব্যর্থ হয়। ইউপি চেয়ারম্যান আরও বলেন, পুশ ইনের চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর গাড়িগুলো সরিয়ে নেওয়া হয়। কিন্তু আজ সকালে আবার সেখানে চারজনকে নামিয়ে দিয়েছে বিএসএফ। তাঁরা সীমান্ত এলাকায় অবস্থান করছেন। এ খবরে গ্রামবাসীও সেখানে জড়ো হয়েছেন। বিজিবির সঙ্গে গ্রামবাসীর তৎপরতায় ওই চারজন এখনো সীমানা অতিক্রম করে বাংলাদেশে ঢুকতে পারেননি। বিজিবির সঙ্গে গ্রামবাসী সেখানে অবস্থান নিয়েছেন। এদিকে বকশীগঞ্জ উপজেলার ধানুয়াকামালপুর সীমান্ত এলাকা দিয়ে আজ বুধবার সকালে মধ্যবয়সী এক ব্যক্তিকে পুশ ইনের চেষ্টা করেছে বিএসএফ। কিন্তু সেখানে বিজিবির সঙ্গে গ্রামবাসী অবস্থান নেওয়ায় ওই ব্যক্তি বাংলাদেশে আসতে পারেননি। তবে তিনি সীমান্তের শূন্যরেখায় অবস্থান করছেন। বিএসএফও তাঁকে ফিরিয়ে নিচ্ছে না। জামালপুর ৩৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের সহকারী পরিচালক ইমাম হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, সীমান্তের বিভিন্ন এলাকা দিয়েই পুশ ইনের চেষ্টা হচ্ছে। বিজিবির সতর্ক অবস্থানের কারণে পুশ ইন ব্যর্থ হয়েছে। আজ সকালে ধানুয়াকামালপুর সীমান্তে মধ্যবয়সী একজনকে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা করে বিএসএফ। তিনি নিজে সেখানে অবস্থান করছেন। তাঁরা ওই ব্যক্তিকে ঢুকতে দেননি। বিএসএফও তাঁকে ফিরিয়ে নিচ্ছে না। ওই ব্যক্তি ভারতীয় সীমান্তে অবস্থান করছেন।
