কুমিল্লায় বিএনপি অফিসে যুবদলের হামলা-ভাঙচুর

AI-classifiedconfidence 95%

Why this classification

The incident is classified as political violence because it involved an attack and vandalism of a political party office by party members stemming from factional rivalries.

Reported by:SamakalJugantorProthom AloCorroborated · 3 sources
30/09/26•Lalmai Upazila BNP Office, Bagmara South Bazar

Killed

0

Injured

0

Summary

কুমিল্লার লালমাই উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। রাতে এক নেতার ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল থেকে যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা এই হামলা চালায় বলে অভিযোগ উঠেছে।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

95% · severity 4

Perpetrator side

BNP

Victim side

BNP

Other actors

মাওলানা জাকির হোসেনজাবের আহমেদইউছুফ আলী মীর পিন্টুমিজানুর রহমানমোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া

Affected infrastructure

party officechairstablesbannersposterselectric fanselectricity meter

Tags

Party Clash

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: BNP

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: BNP

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 30/09/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (3 sources)

Source 1: Samakal · 01/10/26open original ↗

কুমিল্লায় বিএনপি অফিসে যুবদলের হামলা-ভাঙচুর

কুমিল্লায় বিএনপি অফিসে যুবদলের হামলা-ভাঙচুর ছবি: সংগৃহীত কুমিল্লা প্রতিনিধি প্রকাশ: ০১ অক্টোবর ২০২৬ | ১০:৩৩ কুমিল্লার লালমাই উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। গতকাল বুধবার বিকেলে এই হামলার ঘটনা ঘটে। কুমিল্লা-১০ আসনের সংসদ সদস্য মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া সমর্থিত বিএনপি নেতা মাওলানা জাকির হোসেনের ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল থেকে লালমাই উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ে হামলার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় কার্যালয়ে থাকা চেয়ার, টেবিল, ব্যানার-পোস্টারসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে দাবি করেছেন দলটির নেতারা। দলীয় সূত্র বলছে, ওই কার্যালয়টি বাগমারা দক্ষিণ বাজার এলাকায় অবস্থিত। এই কার্যালয়টি কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরীর অনুসারীদের নিয়ন্ত্রণে থাকায় উভয় পক্ষের মধ্যে প্রায়ই সংঘাত চলে আসছে। দলীয় সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার রাতে সংসদ সদস্য মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া সমর্থিত বিএনপি নেতা মাওলানা জাকির হোসেনের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। রাত ১০টার দিকে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার লালমাই বাজার এলাকার একটি খাবার হোটেলে হেলমেট পরা কয়েকজন ব্যক্তি তাঁকে মারধর করে। পরে আহত অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। ওই হামলার প্রতিবাদে গতকাল বিকেলে এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করা হয়। এ সময় সংসদ সদস্য মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া সমর্থিত উপজেলা বিএনপি নেতা আনোয়ার উল্যাহ, আক্তারুজ্জামান রকেট, হাফেজ বিল্লাল হোসেন, মাহবুব আলম, আসলাম মজুমদার ও উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক জাবের আহমেদের নেতৃত্বে দুই শতাধিক নেতাকর্মী কুমিল্লা-বাঙ্গড্ডা সড়কের বাগমারা বাইপাস এলাকা থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলটি বাগমারা দক্ষিণ বাজার এলাকায় কুমিল্লা-নোয়াখালী আঞ্চলিক সড়কে পৌঁছালে টায়ার জ্বালিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হয়। এ সময় মিছিলকারীদের মধ্য থেকে যুবদল ও ছাত্রদলের কিছু নেতাকর্মী উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর শুরু করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। হামলাকারীরা কার্যালয়ের দেয়ালে সাঁটানো বিএনপির কেন্দ্রীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতাদের ছবিসংবলিত পোস্টার ও ব্যানার ছিঁড়ে ফেলেন। কার্যালয়ের একটি বড় টেবিলসহ সব চেয়ার ভাঙচুর করা হয়। লালমাই উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইউছুফ আলী মীর পিন্টু জানান, দলীয় কর্মীদের মাধ্যমে এবং সিসিটিভি ফুটেজ দেখে তিনি জানতে পেরেছেন, সংসদ সদস্য মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া সমর্থিত বিএনপি নেতাদের উপস্থিতিতে উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক জাবের আহমেদ, যুগ্ম আহ্বায়ক শাহ আলম, ইকবাল হোসেন মজুমদার, যুবদল নেতা মানিক হোসেন ও সোহরাব হোসেনের নেতৃত্বে কিছু লোক বিএনপি কার্যালয়ে ভাঙচুর করেছে। পিন্টু বলেন, ভাঙচুর থেকে বাদ যায়নি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছবিও। হামলাকারীরা বিএনপি অফিসের চেয়ারসহ কিছু ব্যানার-পোস্টার নিয়ে গেছে। অফিসের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে মিটারসহ ১৬টি বৈদ্যুতিক পাখা নষ্ট করে দিয়েছে। হামলায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ও প্রশাসনিক শাস্তির দাবি জানান তিনি। অভিযোগের ব্যাপারে বক্তব্য জানতে উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক জাবের আহমেদের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করেও সংযোগ পাওয়া যায়নি। গতকাল রাত সাড়ে ৮টার দিকে লালমাই থানার ওসি মিজানুর রহমান সমকালকে জানান, বিএনপি কার্যালয়ের শাটারের তালা ভেঙে হামলাকারীরা ভেতরে ঢুকে কিছু চেয়ার-টেবিল ভাঙচুর করেছে। পুলিশ গিয়ে হামলাকারীদের নিবৃত করেছে। এ ঘটনায় কেউ লিখিত অভিযোগ দিলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্থানীয় সংসদ সদস্য মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া সমকালকে বলেন, ‘আমার নির্বাচনী এলাকায় বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের কোনো কমিটি নাই, যেসব কমিটি আছে তা আমি মানি না। এগুলো অবৈধ কমিটি। তাই কে বা কার অফিস ভেঙেছে তা আমি অবগত নই। জানার চেষ্টা করছি।’ - বিষয় : - কুমিল্লা

Source 2: Jugantor · 03/10/26open original ↗

কুমিল্লায় সন্ত্রাসী ‘কানা মোমিন’ গ্রেফতার

নির্মাণাধীন ভবনে চাঁদা দাবি কুমিল্লায় সন্ত্রাসী ‘কানা মোমিন’ গ্রেফতার Advertisement কুমিল্লা ব্যুরো প্রকাশ: ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ কুমিল্লা নগরীতে নির্মাণাধীন ভবনে কর্মরতদের ভয়ভীতি দেখিয়ে চাঁদা দাবির অভিযোগে মোমিন আহমেদ ভূঁইয়া ওরফে ‘কানা মোমিন’ নামে চিহ্নিত সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি-১১)। বৃহস্পতিবার রাত ১২টার দিকে নগরীর ঠাকুরপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। মোমিন নগরীর দক্ষিণ ঠাকুরপাড়া এলাকার নান্নু ভূঁইয়ার ছেলে। শুক্রবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসআরবি জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঠাকুরপাড়া এলাকায় অভিযান চালায় এসআরবির একটি দল। এ সময় নির্মাণাধীন ভবনে কর্মরতদের ভয়ভীতি দেখিয়ে চাঁদা আদায়ের চেষ্টা করা হচ্ছিল। চাঁদা না দিলে ভবনের নির্মাণসামগ্রী লুটের জন্য ট্রাকও এনেছিল চক্রটি। অভিযানের সময় মোমিনকে গ্রেফতারের পাশাপাশি ট্রাকটিও জব্দ করা হয়। এসআরবি-১১-এর উপপরিচালক মেজর সাদমান ইবনে আলম জানান, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও ছিনতাইয়ের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতির অংশ হিসাবে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। গ্রেফতার সন্ত্রাসীকে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। এসআরবি জানায়, মোমিনের বিরুদ্ধে হত্যাসহ বিভিন্ন্ন থানায় ৫টির বেশি মামলা রয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে সে চাঁদাবাজ চক্রের মূলহোতা বলে স্বীকার করেছে। তার সহযোগীরা ঠাকুরপাড়া ও আশপাশের এলাকায় ডাকাতিসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত।

Source 3: Prothom Alo · 03/10/26open original ↗

কুমিল্লায় আলোচিত কিশোর গ্যাং নেতা রতন গ্রেপ্তার

কুমিল্লা নগরের আলোচিত কিশোর গ্যাং ‘রতন গ্রুপ’ বা ‘আর স্কোয়াড’-এর প্রধান ইমরান হোসেন ওরফে রতনকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)ছবি: সংগৃহীত কুমিল্লা নগরের আলোচিত কিশোর গ্যাং ‘রতন গ্রুপ (আর স্কোয়াড)’-এর প্রধান ইমরান হোসেন ওরফে রতনকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গতকাল শুক্রবার রাতে নগরের একটি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। জেলা পুলিশের একাধিক কর্মকর্তা আজ শনিবার সকালে প্রথম আলোকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। পুলিশ জানায়, রতনকে গ্রেপ্তারের পর তাঁকে নিয়ে রাতভর নগরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালানো হয়। আজ সকালেও অভিযান চলছিল। অভিযান শেষে রতনের বিরুদ্ধে থাকা অভিযোগ ও মামলার বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে সংবাদ সম্মেলন করার কথা জানিয়েছে জেলা পুলিশ। তবে সংবাদ সম্মেলনের সময় এখনো চূড়ান্ত হয়নি। আরও পড়ুন কিশোর গ্যাং নেতা রতনের সঙ্গে এবার ছাত্রদল নেতার ফোনালাপ প্রকাশ্যে, যে কথা হলো ০১ অক্টোবর ২০২৬ বিভিন্ন ঘটনায় আলোচনায় রতন গ্রুপ ইমরান হোসেন ওরফে রতনের নেতৃত্বে নগরে আধিপত্য বিস্তার, সংঘর্ষ, অস্ত্রের মহড়া, ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও মাদকসংক্রান্ত বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ আছে। ২০২২ সালের ১৯ আগস্ট কুমিল্লা নগর উদ্যানের সামনের সড়কে শাহাদাত হোসেন নামের এক কিশোরকে প্রকাশ্যে হত্যার ঘটনায় রতনের নাম আসে। ওই মামলায় র‍্যাব ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছিল। তখন র‍্যাবের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, মামলার প্রধান আসামি রতন ‘রতন গ্রুপের’ প্রধান এবং হত্যাকাণ্ডের হোতা। ২০২৪ সালের ২ ফেব্রুয়ারি কুমিল্লা নগরের সার্কিট হাউস মোড় এলাকায় রতন ও ইগল গ্রুপের সদস্যদের মধ্যে সংঘর্ষ, পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ দুই পক্ষের ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করে। আরও পড়ুন কিশোর গ্যাং নেতা রতন কীভাবে মিছিলের পেছনে দাঁড়িয়েছেন, জানতেন না বলে দাবি ছাত্রদল নেতার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২০২৫ সালের ২৫ এপ্রিল নগরের রানীর দিঘিরপাড়, তালপুকুরপাড় ও আদালতপাড়ায় কিশোর গ্যাংয়ের বিভিন্ন পক্ষের অস্ত্রের মহড়া হয়। পরদিন রাতে সেনাবাহিনী ও র‍্যাবের যৌথ অভিযানে রতনসহ কয়েকজনকে গ্রেপ্তারের তথ্য প্রকাশ করা হয়। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নাহিদা বেগমের ছেলে সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম (১৩) হত্যাকাণ্ডের পর গত ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান শুরু হয়। পাঁচ দফার অভিযানে এ পর্যন্ত ২ হাজার ৩৫ জনকে আটক করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রথম চার দফায় ১ হাজার ৬৭২ জন এবং পঞ্চম দফায় ৩৬৩ জনকে আটক করা হয়। আরও পড়ুন কুমিল্লায় ছাত্রদল নেতার মিছিলে ‘কিশোর গ্যাং লিডার’ রতন, ভিডিও ভাইরালের পর সমালোচনা ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২৩ সেপ্টেম্বর একটি রাজনৈতিক মিছিলে রতনের উপস্থিতির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। পরে গত বুধবার কুমিল্লা মহানগর ছাত্রদলের সহসভাপতি মো. মহসিনের সঙ্গে রতনের কথোপকথনের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। এদিকে গতকাল সন্ধ্যার পর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত কুমিল্লার ১৮টি থানার পুলিশ ও ডিবি একযোগে কিশোর গ্যাংবিরোধী পঞ্চম দফার অভিযান চালায়। অভিযানে ৩৬৩ জনকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা পুলিশের মিডিয়া কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লুৎফুর রহমান। তিনি বলেন, অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ততা যাচাই করে আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। কোনো নিরপরাধ মানুষ যেন হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়ে কঠোর মনিটরিং করা হচ্ছে। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন কুমিল্লা সদর দক্ষিণঅপরাধচট্টগ্রাম বিভাগকিশোর গ্যাংকুমিল্লাহত্যা