শরীরের আঘাতের চিহ্ন, মাঠে পড়ে ছিল পাঁচতারকা হোটেল কর্মচারীর মরদেহ

AI-classifiedconfidence 92%

Why this classification

The article reports a single murder with no involvement of political parties or groups; therefore it is not classified as political violence but as a criminal homicide.

Reported by:Prothom AloSingle source
30/07/26•Inani Beach (উখিয়া) near hotel staff quarters

Killed

1

Injured

0

Summary

রাত ১২টায় উখিয়া, কক্সবাজারে হোটেল কর্মচারী আবদুল আজিজের মৃতদেহ মাঠে পাওয়া যায়। তার দেহে আঘাতের চিহ্ন দেখা গিয়েছে এবং হত্যার কারণ এখনও তদন্তাধীন।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

92% · severity 8

Perpetrator side

Unknown

Victim side

Locals

Other actors

আবদুল আজিজসায়কা ইয়াছমিনআতিকুর রহমান মজুমদারসোলতান মাহমুদ চৌধুরীএনায়েত উল্লাহPolice

Tags

Murder

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 30/07/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Prothom Alo · 30/07/26open original ↗

শরীরের আঘাতের চিহ্ন, মাঠে পড়ে ছিল পাঁচতারকা হোটেল কর্মচারীর মরদেহ

কক্সবাজারের উখিয়ায় মাঠ থেকে উদ্ধার করা হচ্ছে হোটেল কর্মচারীর মরদেহছবি: সংগৃহীত কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানী সৈকতের কাছে একটি মাঠ থেকে এক হোটেল কর্মচারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত ব্যক্তির নাম আবদুল আজিজ (২৭)। তাঁর শরীরে আঘাতের চিহ্ন ছিল। পরিবারের দাবি, পরিকল্পিতভাবে আজিজকে হত্যা করা হয়েছে। গতকাল বুধবার দিবাগত রাত সোয়া ১২টার দিকে ইনানী সৈকতের পূর্ব পাশের পাঁচতারকা হোটেল বে-ওয়াচের স্টাফ কোয়ার্টারের পাশের খালি জায়গা থেকে পুলিশ আজিজের মরদেহ উদ্ধার করে। তিনি ওই হোটেলের গরুর খামারের পরিচর্যার দায়িত্বে ছিলেন। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে পুলিশ সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। নিহত আবদুল আজিজ উপজেলার জালিয়াপালং ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের জুম্মাপাড়ার বাসিন্দা রশিদ আহমদের ছেলে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান মজুমদার প্রথম আলোকে বলেন, গতকাল রাত সোয়া ১২টার দিকে হোটেল বে-ওয়াচের স্টাফ কোয়ার্টারের উত্তর পাশের খালি জায়গায় আবদুল আজিজের মরদেহ পড়ে ছিল। তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখমের চিহ্ন রয়েছে। কিন্তু কী কারণে এই ঘটনা, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে। ময়নাতদন্তের পর জানা যাবে মূল রহস্য। নিহত আবদুল আজিজের স্ত্রী সায়কা ইয়াছমিন বলেন, গত মঙ্গলবার দুপুরে আজিজ বাড়ি থেকে বের হয়ে হোটেলের কর্মস্থলে ফিরে যান। তিনি সেখানে গরুর খামার দেখাশোনা করেন। গতকাল বেলা ১১টার দিকে তিনি স্বামীর সঙ্গে (আজিজ) সর্বশেষ কথা বলেন মুঠোফোনে। দিবাগত রাত একটার দিকে জানতে পারেন আজিজের লাশ মাঠে পড়ে আছে। প্রায় এক বছর ধরে আজিজ হোটেল বে-ওয়াচে চাকরি করছেন। তিনি হোটেলের স্টাফ কোয়ার্টারে থাকতেন এবং হোটেলের গরুর খামার দেখভাল করতেন। পরিবারের দাবি, আজিজকে মারধর কিংবা শ্বাসরোধে হত্যার পর খোলা মাঠে ফেলে রেখে গেছে হত্যাকারী। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার রহস্য উন্মোচন এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা দরকার। এ বিষয়ে মামলা করা হবে। নিহত ব্যক্তির স্ত্রী সায়কা ইয়াছমিন বলেন, ‘আমাদের সংসারে তিনটি মেয়ে রয়েছে। সন্তানদের নিয়ে কী করব ভেবে পাচ্ছি না।’ উখিয়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সোলতান মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘আজিজ পরিশ্রমী একজন যুবক। তাঁর এমন মৃত্যু রহস্যজনক। সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হোটেলের স্টাফ কোয়ার্টারের সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করা দরকার।’ এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বে-ওয়াচ হোটেলের উপমহাব্যবস্থাপক এনায়েত উল্লাহ প্রথম আলোকে বলেন, নিহত আবদুল আজিজ গরুর খামার দেখাশোনা করতেন। তিনি স্থানীয় লোক। তাঁর মৃত্যু কীভাবে হয়েছে, সে বিষয়ে কোনো ধারণা নেই। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন মৃত্যুকক্সবাজারঅপরাধউখিয়াচট্টগ্রাম বিভাগহত্যা