নবীনগরে বালু উত্তোলনে বাধা দেওয়ায় গ্রামবাসীর ওপর হামলা, গুলিবিদ্ধ ১০
Why this classification
Villagers in Charlapang were shot and attacked on Sunday 22 February 2026 after protesting illegal sand dredging, with 10 people shot and about 20 injured. The shooting is a single concrete incident with no deaths reported, and the attackers are alleged to be men working for the sand lessee Shahadat Hossain Payel, who is a BNP ward president.
Killed
0
Injured
20
Summary
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (রোববার) সকালে চরলাপাং গ্রামে অবৈধ বালু উত্তোলনে বাধা দেওয়ায় গ্রামবাসীর ওপর হামলা হয়, এতে ১০ জন গুলিবিদ্ধ ও অন্তত ২০ জন আহত হন। স্থানীয়রা ইজারাদার শাহাদাত হোসেন পায়েলের লোকজনকে হামলার জন্য অভিযুক্ত করেছেন, এবং পুলিশ আসার আগেই হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
90% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 20
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 22/02/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
নবীনগরে বালু উত্তোলনে বাধা দেওয়ায় গ্রামবাসীর ওপর হামলা, গুলিবিদ্ধ ১০
নবীনগরে বালু উত্তোলনে বাধা দেওয়ায় গ্রামবাসীর ওপর হামলা, গুলিবিদ্ধ ১০ নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ১৯:৪৬ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে মেঘনা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে বাধা দেওয়ায় গ্রামবাসীর ওপর হামলা হয়েছে। এ সময় গুলিবিদ্ধ হয়েছেন দশজন। এছাড়া অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। রোববার সকালে উপজেলার পশ্চিম ইউনিয়নের চরলাপাং গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। গুলিবিদ্ধরা হলেন- সিয়াম আহমেদ (১৬), ইব্রাহিম খলিল (৩০), নূরুল আমীন (৪০), রুপ মিয়া (৪৫), স্বপন মিয়া (৫০), সরিফ মিয়া (৩০), জুলাস মিয়া (৫০), শাকাল মিয়া (৫০), সামত মিয়া (৪০), সফর মিয়া (৫০)। স্থানীয়রা জানায়, গুলিবিদ্ধদের নবীনগর সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। বাকি আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ছেড়ে দেওয়া হয়। নবীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক হাবিব রহমান জানান, রোববার দুপুরে ছররা গুলি বিদ্ধ হয়ে ১০ থেকে ১২ জন রোগী হাসপাতালে আসেন। তাদেরকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এদিকে খবর পেয়ে জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (নবীনগর সার্কেল) পিয়াস বসাক ও নবীনগর থানার ওসি রফিকুল ইসলাম সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তবে এলাকার পরিস্থিতি এখনও থমথমে। স্থানীয়রা জানায়, নাসিরাবাদের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শাহদাদ হোসেন পায়েলের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান মেসার্স সামিউল ট্রেডার্স এই বালু মহালের ইজারা পায়। শাহদাদ হোসেন পায়েল উপজেলা শ্যামগ্রাম ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বিএনপির সভাপতি। এছাড়া বিএনপির কিছু প্রভাবশালী নেতাকর্মীরা এই বালু ব্যবসা সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িত। প্রত্যক্ষদর্শী আলী নেওয়াজ, জসিম মিয়া, জামাল মিয়াসহ কয়েকজন জানান, শাখাওয়াত হোসেন পায়েল বিএনপি নেতা। ক্ষমতাসীন দলের নেতারা এই বালু ব্যবসা সিন্ডিকেটের সাথে জড়িত। এই সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে। সরকারি ইজারা পাওয়া ‘মেসার্স সামিউল ট্রেডার্স’নামের প্রতিষ্ঠানের আড়ালে এ কর্মকাণ্ড পরিচালনা হচ্ছে। তাদের অভিযোগ, প্রতিবাদ করলে গুলি, হামলা ও ভয়ভীতি দেখায় সিন্ডিকেটটি। লাগামহীন বালু উত্তোলনের কারণে নদীর তীর ভেঙে যাচ্ছে। বসতভিটা হারিয়ে নিঃস্ব হচ্ছে অসংখ্য পরিবার। এ ব্যাপারে মেসার্স সামিউল ট্রেডার্স এর মালিক ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি শাহদাদ হোসেন পায়েলের মোবাইল নম্বরে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেননি। খুদে বার্তা পাঠালেও কোনো জবাব দেননি। নবীনগর পশ্চিম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নূরে আলম বলেন, প্রশাসনের নজরদারি এড়িয়ে পায়েলের লোকজন দীর্ঘদিন ধরে নদীর পাড় কেটে সাবাড় করছে। এতে ফসলি জমি ও বসতভিটা হুমকিতে পড়ায় আজ গ্রামবাসী প্রতিবাদ করে। তবে তাদের ওপর গুলি চালানো হবে—এমনটা কেউ কল্পনা করতে পারেননি। এই অবৈধ বালু ব্যবসা বন্ধসহ ঘটনার ন্যায় বিচার দাবি করছি। গুলিবিদ্ধ সরিফ মিয়া বলেন, ড্রেজার দিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকারী ও গুলি করা সন্ত্রাসীরা ইজারাদার সাখাওয়াত হোসেন পায়েলের লোক। তার নির্দেশে এভাবে গুলি করা হয়েছে। এ ব্যাপারে নবীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ রফিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে সাথে সাথে এলাকা পরিদর্শন করি। আমরা যাওয়ার আগেই সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। এলাকার পরিস্থিতি এখন পুলিশের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। পরবর্তী সংঘর্ষ এড়াতে পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছে। এ বিষযে নবীনগরের বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট এম এ মান্নান বলেন, বিএনপির, আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি, জামায়াত কোন দল বুঝি না; যারা সন্ত্রাসী তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। - বিষয় : - ব্রাহ্মণবাড়িয়া - গুলিবিদ্ধ
