মোহাম্মদপুরে ১৭ কাঠা জমি নিয়ে হামলা-ভাঙচুর, লুটপাটের অভিযোগ

AI-classifiedconfidence 95%

Why this classification

ঘটনাটিতে সুস্পষ্টভাবে বিএনপি ও যুবদলের স্থানীয় নেতাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে যারা আওয়ামী লীগ সমর্থিত ব্যক্তির জমি দখলের উদ্দেশ্যে হামলা ও ভাঙচুর চালিয়েছে। রাজনৈতিক পরিচয় ও দলীয় সংশ্লিষ্টতা স্পষ্ট থাকায় এটি রাজনৈতিক সহিংসতা।

Reported by:JugantorSamakalDhaka PostProthom AloCorroborated · 4 sources
26/09/26•Chand Udyan Housing, Mohammadpur

Killed

0

Injured

0

Summary

২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে মোহাম্মদপুরের চাঁদ উদ্যান হাউজিং এলাকায় জমি দখলকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও যুবদলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। ১৫০-২০০ জনের একটি দল টিনের বেড়া ভেঙে অফিসে ভাঙচুর চালায় এবং মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

95% · severity 4

Perpetrator side

BNP

Victim side

Awami League

Other actors

Shahidul Alam Prince (Jubo Dal President, Charfashion)Rezaul Karim Khandaker (BNP President, South Aicha)Alam Hossain (Awami League supporter)

Affected infrastructure

OfficeTin fence

Tags

Party ClashLand Dispute

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: BNP

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Awami League

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 26/09/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (4 sources)

Source 1: Prothom Alo · 12/04/26open original ↗

মোহাম্মদপুরে কিশোর গ্যাং এলেক্স গ্রুপের প্রধানকে হত্যা

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে কিশোর গ্যাংয়ের বিরোধের জেরে এলেক্স ইমন নামে একজনকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। তিনি ‘এলেক্স গ্রুপ’–এর প্রধান ছিলেন।আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ‘এলেক্স গ্রুপ’ ও ‘আরমান শাহরুখ গ্রুপ’–এর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আরমান শাহরুখ গ্রুপের তিন সদস্য মো. সাইফ, তুহিন ও মো. রাব্বী কাজীকে চাপাতিসহ আটক করেছে। মোহাম্মদপুরে কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে।

Source 2: Samakal · 27/09/26open original ↗

মোহাম্মদপুরে জমি দখলকে কেন্দ্র করে হামলা-ভাঙচুর

মোহাম্মদপুরে জমি দখলকে কেন্দ্র করে হামলা-ভাঙচুর সংগৃহীত ছবি সমকাল প্রতিবেদক প্রকাশ: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ১৯:৪০ রাজধানীর মোহাম্মদপুরের চাঁদ উদ্যান হাউজিং এলাকায় জমি দখলকে কেন্দ্র করে একটি কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। আজ শনিবার বেলা ১১টা নাগাদ এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার সিসি ক্যামেরার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। তাতে দেখা যায়, হামলাকারীরা কার্যালয়ের একটি কক্ষের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। অফিসে থাকা বিভিন্ন মালপত্রও নিয়ে যাচ্ছে তারা। দেড় শতাধিক মানুষ এ হামলায় অংশ নেয়। পরে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ। পুলিশ জানায়, চাঁদ উদ্যান এলাকায় দুটি বস্তি ছিল এবং আনুমানিক ১৭ কাঠা জমি নিয়ে একাধিক পক্ষের বিরোধ রয়েছে। ‘রোজ ভিলা’ নামের আবাসিক ভবনসংলগ্ন ১৭ কাঠা জমি মো. আলম নামের এক ব্যক্তির দখলে রয়েছে। সেখানে আধাপাকা ভবন করা আলমের একটি কার্যালয় করা আছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর আলম এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যান। জমিটি নিজেদের দাবি করে জনি ও রেজাউলের নেতৃত্বে দেড় শতাধিক মানুষ আজ বেলা ১১টার দিকে সেখানে প্রবেশ করে আগের দেওয়া টিনের বেড়া ভেঙে ফেলে। তারা ভেতরে প্রবেশ করে আলমের অফিসে ভাঙচুর চালায় এবং সীমানায় নতুন করে টিনের বেড়া দিয়ে জমিটি দখলের চেষ্টা করে। জমির মালিকানা নিয়ে উভয় পক্ষই পুলিশের কাছে নিজ নিজ কাগজপত্র থাকার দাবি করেছে। মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল হালিম সমকালকে বলেন, ১৭ কাঠা জমি দখলে নেওয়ার চেষ্টা করায় বিরোধের সৃষ্টি হয়। এ বিরোধের জেরেই হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে পুলিশ পাঠানো হয়। আজ সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি জানিয়ে ওসি আরও বলেন, লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর মামলা করা হবে। - বিষয় : - মোহাম্মদপুর - ভাঙচুর

Source 3: Dhaka Post · 27/09/26open original ↗

ডিবির হাতে ভাষানটেক যুবলীগ নেতা অনিক গ্রেপ্তার

রাজধানীর ভাষানটেক থানা যুবলীগের সহ-সভাপতি শাহ আলম অনিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ক্যান্টনমেন্ট এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ডিবি সূত্র জানায়, মিরপুরের শীর্ষ সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত শাহাদাতের সঙ্গে শাহ আলম অনিকের ঘনিষ্ঠতা রয়েছে। অনিক শাহাদাত ও ইব্রাহিমের হয়ে এজেন্ট হিসেবে কাজ করতেন বলেও তদন্তে তথ্য পাওয়া গেছে। তার বিরুদ্ধে আন্ডারগ্রাউন্ড কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার যে অভিযোগ রয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে তার সত্যতা পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে ডিবি। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের প্রধান (অতিরিক্ত কমিশনার) শফিকুর রহমান বলেন, আমরা কিছু সময় আগে তাকে আটক করে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছি। তার বিরুদ্ধে অনেক ধরনের অভিযোগ রয়েছে। আমরা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছি। শাহ আলম অনিকের বাবার নাম আবু সাঈদ। তার গ্রামের বাড়ি নরসিংদীতে। তিনি রাজধানীর মিরপুরের পর্বত সেনপাড়া এলাকায় বসবাস করতেন। ডিবি সূত্রের দাবি, শনিবার রাতে ইসিবি চত্বরের কাছে নিউ গিনি কনডোমিনিয়াম সিটিতে কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মোহাম্মদ মুক্তাদিরের ব্রাউনফিশ স্টুডিওতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় অনিক সরাসরি জড়িত ছিলেন। তবে এ ঘটনায় তার সম্পৃক্ততার বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। স্থানীয় সূত্রগুলো জানায়, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন নিখিল ও মিরপুরের স্থানীয় সংসদ সদস্য ইলিয়াস মোল্লার ক্যাডার হিসেবে এলাকায় পরিচিত ছিলেন অনিক। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে মিরপুর, ভাষানটেক, কাফরুল, পল্লবী ও ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে তার সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে। তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডসহ একাধিক অভিযোগে মামলা রয়েছে বলেও সূত্র জানিয়েছে। এ ছাড়া ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনে অনিক সামনের সারিতে ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বিদেশে অবস্থানরত আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে তার নিয়মিত যোগাযোগ ছিল বলেও সূত্রের দাবি। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর নিষিদ্ধ দলের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড পরিচালনা ও সংগঠিত করার সঙ্গেও তার সম্পৃক্ততার অভিযোগ ওঠে। এর আগে শুক্রবার রাতে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার হন কেন্দ্রীয় যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিলের ছোট ভাই মোতাহার হোসেন খান সুফল। সূত্রের দাবি, সুফল ও অনিক একসঙ্গে ঢাকায় অস্থিরতা তৈরির বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিলেন। এসএএ/জেআই

Source 4: Jugantor · 27/09/26open original ↗

মোহাম্মদপুরে ১৭ কাঠা জমি নিয়ে হামলা-ভাঙচুর, লুটপাটের অভিযোগ

মোহাম্মদপুরে ১৭ কাঠা জমি নিয়ে হামলা-ভাঙচুর, লুটপাটের অভিযোগ Advertisement যুগান্তর প্রতিবেদন ও হাজারীবাগ প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫৭ এএম রাজধানীর মোহাম্মদপুরের চাঁদ উদ্যান বেরিবাঁধসংলগ্ন চাঁদ উদ্যান হাউজিং এলাকায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টা থেকে ১০টার মধ্যে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে মোহাম্মদপুর থানার একটি টহল দল ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হালিম বলেন, শনিবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে ১০টার মধ্যে ঘটনাটি ঘটে। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে যায়। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, ওই এলাকায় দুটি বস্তি ছিল এবং আনুমানিক ১৭ কাঠা জমি নিয়ে একাধিক পক্ষের বিরোধ রয়েছে। একটি পক্ষ হামলা ও ভাঙচুর হওয়া জমিটি নিজেদের বলে দাবি করছে। ওসি আরও বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে আলম নামের এক প্রবাসী দেশের বাইরে রয়েছেন। জমিটি তার দখলে ছিল। সেখানে থাকা দুটি বস্তির একটি তিনি আগেই দখলমুক্ত করেন। এরপর জমিটি খালি ছিল। অন্যপক্ষ খালি জমিটি দখলে নেওয়ার চেষ্টা করায় বিরোধের সৃষ্টি হয়। এ বিরোধের জেরেই হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। তবে কারা হামলা ও ভাঙচুর চালিয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত নয়। একাধিক পক্ষেরই ওই এলাকায় জমি রয়েছে। জমি বা দখলসংক্রান্ত বিষয়ে পুলিশ পদক্ষেপ নিতে পারে না। তবে আইনশৃঙ্খলার অবনতি হলে পুলিশ ব্যবস্থা নেবে। এ বিষয়ে তেজগাঁও জোনের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) জুয়েল রানা জানান, দীর্ঘদিন ধরে জনৈক আলম ওই জমির দখলে ছিলেন। ঘটনার সময় জনি ও রেজাউলের নেতৃত্বে আনুমানিক ১৫০ থেকে ২০০ জন লোক বেআইনিভাবে জমিতে প্রবেশ করে টিনের বেড়া ভেঙে ফেলে। পরে তারা ভেতরে প্রবেশ করে অফিসে ভাঙচুর চালায় এবং সীমানায় নতুন করে টিনের বেড়া দিয়ে জমিটি দখলের চেষ্টা করে। ওই জমির মালিকানা নিয়ে উভয়পক্ষই নিজ নিজ কাগজপত্র রয়েছে বলে দাবি করছে। এদিকে স্থানীয় ও গোয়েন্দা সূত্রে জানা যায়, চাঁদ উদ্যান হাউজিংয়ের চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ সমর্থিত আলম হোসেনের একটি জমি দখল করতে ভোলা জেলা চরফ্যাশন উপজেলার যুবদলের সভাপতি শহিদুল আলম প্রিন্স এবং ভোলা দক্ষিণ আইচা থানা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম খন্দকার আসেন। তাদের সঙ্গে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মী এবং ভাড়াটে সন্ত্রাসীরা ছিলেন বলে সূত্রের দাবি। সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ক্রয়সূত্রে ওই জমিটির মালিক কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সভাপতি মালিক সাঈদ ইকবাল মাহমুদ টিটু, মো. শহিদুল আলম প্রিন্স, কাজী মনজুর হোসেন ও রেজাউল করিম খন্দকার। দীর্ঘদিন ধরে জমিটি তাদের বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি। এ কারণে তারা জমি দখলে নিতে আসেন বলে সূত্র জানায়। এ সময় জমির একপাশে থাকা আলম হোসেনের দোতলা অফিসের ভেতরে থাকা সব মালামাল বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মী ও ভাড়াটে সন্ত্রাসীরা লুট করে নিয়ে যায় বলে স্থানীয় ও গোয়েন্দা সূত্রে অভিযোগ করা হয়েছে। পরে মোহাম্মদপুর থানার একটি টহল দল ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পুলিশের পক্ষ থেকে বিরোধের সমাধানের লক্ষ্যে উভয়পক্ষকে তাদের বৈধ কাগজপত্র নিয়ে থানায় আসার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।