বাঁচানো গেল না পাহাড় থেকে উদ্ধার হওয়া গলাকাটা সেই শিশুকে

AI-classifiedconfidence 90%

Why this classification

This is a single, concrete incident from March 2026 in which a seven-year-old girl was found with her throat slashed in the Sitakunda hills and later died in hospital. Doctors reported signs of sexual violence, so it qualifies as a violent attack and murder.

Reported by:SamakalJugantorCorroborated · 2 sources
01/03/26•Sitakunda Botanical Garden & Eco Park, near Shahasradhara waterfall (সীতাকুণ্ড বোটানিক্যাল গার্ডেন ও ইকোপার্ক, সহস্রধারা ঝরনার কাছে)

Killed

1

Injured

0

Summary

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ইকোপার্কের পাহাড়ি এলাকায় রবিবার (১ মার্চ ২০২৬) গলাকাটা ও রক্তাক্ত অবস্থায় সাত বছরের শিশু ইরাকে উদ্ধার করা হয়, পরে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার (৩ মার্চ ২০২৬) ভোরে তার মৃত্যু হয় এবং প্রাথমিকভাবে যৌন সহিংসতার আলামত পাওয়ার কথা জানানো হয়েছে।

AI analysis

Category

Gender-Based Violence

Confidence

90% · severity 9

Perpetrator side

Unknown

Victim side

Locals

Other actors

ওসি মো. মহিনুল ইসলাম (Sitakunda Model Thana, acting OC)রোকেয়া বেগম (victim's mother, complainant)ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন (hospital director, Chattogram Medical College Hospital)Excavator operator (unnamed witness)

Tags

RapeMurder

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 01/03/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Samakal · 03/03/26open original ↗

বাঁচানো গেল না পাহাড় থেকে উদ্ধার হওয়া গলাকাটা সেই শিশুকে

বাঁচানো গেল না পাহাড় থেকে উদ্ধার হওয়া গলাকাটা সেই শিশুকে সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৩ মার্চ ২০২৬ | ১৫:৫৪ চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে জান্নাতুল নাইমা ইকোপার্ক পাহাড় থেকে উদ্ধার হওয়া গলাকাটা সাত বছরের শিশু ইরাকে বাঁচানো গেল না। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার ভোর ৫টার দিকে তার মৃত্যু হয়। শিশুটির পরিবার জানিয়েছে, গলাকাটা অবস্থায় উদ্ধারের পর দুইদিন ধরে তদন্ত চললেও এখনও কোনো স্পষ্ট সূত্র মেলেনি। ঘটনার নির্মমতায় এলাকায় গভীর শোক ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয়রা দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন জামায়াত নেতৃবৃন্দও। তবে হাসপাতালে শিশুটির চাচা জানান, মারা যাওয়ার কয়েক ঘণ্টা পূর্বে ইরা ইশরায় বলেছিল ধর্ষণের আলামতের কথা। এর আগে, রোববার দুপুরে শিশুটিকে সীতাকুণ্ড বোটানিক্যাল গার্ডেন ও ইকোপার্কের দুর্গম পাহাড়ি এলাকা থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। শিশুটির বড় বোন জান্নাতুল নিশা ইশপা মুঠোফোনে সমকালকে জানান, মঙ্গলবার ভোরের দিকে ইরার শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি হলে চিকিৎসকরা তাকে আইসিইউতে স্থানান্তর করেন। অস্ত্রোপচারসহ প্রয়োজনীয় সব চিকিৎসা দেওয়া হলেও ভোর ৫টার দিকে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, শিশুটির গলায় শ্বাসনালি কাটা ও হাতে গভীর ক্ষত ছিল। গলার গুরুতর আঘাতে তার শ্বাসনালি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ঘটনার পর থেকেই সে কথা বলতে পারছিল না। এর আগে হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন জানিয়েছিলেন, শিশুটির গলায় অস্ত্রোপচার করা হয়েছে এবং তাকে ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকরা প্রাথমিকভাবে যৌন সহিংসতার আলামত পাওয়ার কথা উল্লেখ করেন এবং প্রয়োজনীয় ফরেনসিক পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন। প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, রোববার দুপুরের দিকে ইকোপার্কের প্রায় পাঁচ কিলোমিটার গভীরে সড়ক সংস্কার কাজ চলছিল। এ সময় এক স্কেভেটর চালক দেখতে পান, পুরো শরীরে রক্তমাখা একটি শিশু জঙ্গল থেকে টলমল পায়ে রাস্তার দিকে আসছে। শ্রমিকরা দ্রুত এগিয়ে গিয়ে তার গলার ক্ষত কাপড় দিয়ে চেপে ধরে রক্তক্ষরণ বন্ধের চেষ্টা করেন। পরে তাকে একটি ট্রাকে করে প্রথমে সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। উদ্ধারস্থল সহস্রধারা ঝরনা এলাকা থেকে প্রায় ৫০০ মিটার উত্তরে পাহাড়ি নির্জন পথ বলে জানা গেছে। শিশুটি ইশারায় বোঝানোর চেষ্টা করেছিল যে এমন নিষ্ঠুর আচরণ করেছে তাকে দেখলে সে চিনতে পারবে। সীতাকুণ্ড মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহিনুল ইসলাম জানান, শিশুটির বাড়ি কুমিরা ইউনিয়নের মছজিদদা (মাস্টারপাড়া) এলাকায়। তার বাসা থেকে ঘটনাস্থলের দূরত্ব প্রায় ১০-১২ কিলোমিটার। এত কম বয়সী একটি শিশু কীভাবে একা ইকোপার্কের এত গভীরে পৌঁছাল, তাকে কেউ তুলে নিয়ে গেছে কিনা, কিংবা পূর্বপরিকল্পিতভাবে এই নৃশংস হামলা চালানো হয়েছে কিনা এসব বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনাটি অত্যন্ত নৃশংস ও উদ্বেগজনক বলে মন্তব্য করে সম্ভাব্য সব দিক বিবেচনায় নিয়ে তদন্ত চলছে। আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ, স্থানীয়দের জিজ্ঞাসাবাদ এবং প্রযুক্তিগত তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে জড়িতদের শনাক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানান ওসি। পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, শিশুটির মা রোকেয়া বেগম রোববার রাতেই বাদী হয়ে সীতাকুণ্ড মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। এদিকে সোমবার রাতে হাসপাতালে শিশুকন্যাটিকে দেখতে গিয়ে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা জামায়াতের ইসলামীর সাংগঠনিক সম্পাদক ও সংগঠনের এমপি প্রার্থী আনোয়ার সিদ্দিক চৌধুরী অপরাধীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্ঠান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

Source 2: Jugantor · 05/03/26open original ↗

আদালতে স্বীকারোক্তি ঘাতকের

শিশুকে শ্বাসনালি কেটে হত্যা আদালতে স্বীকারোক্তি ঘাতকের Advertisement চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রকাশ: ০৫ মার্চ ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ৮ বছরের শিশু জান্নাতুল নাঈমা ইরাকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় দোষ স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে ঘাতক বাবু শেখ। শিশুটির বাবার সঙ্গে বিরোধ ও ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে গলায় আঘাত করা হয় বলে জবানবন্দিতে উল্লেখ করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে চট্টগ্রামের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম সায়মা আফরিনের আদালতে এ জবানবন্দি দেয় ঘাতক। সীতাকুণ্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহিনুল ইসলাম জানান, শিশুর গলায় ছুরিকাঘাতে শ্বাসনালি কেটে ফেলাসহ পুরো ঘটনার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে বাবু শেখ। এ ঘটনায় একমাত্র আসামি সে। জবানবন্দি শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। রোববার সীতাকুণ্ড পৌর সদরের ইকোপার্কের একটি দুর্গম পাহাড়ি এলাকা থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়েছিল। তাকে সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করানো হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং ওই দিনই শিশুটির গলায় জরুরি অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়। মঙ্গলবার ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, শিশুটির পরিবার ও বাবু শেখের পরিবার প্রতিবেশী। পাশাপাশি থাকার কারণে তাদের মধ্যে প্রায় বিরোধ লেগে থাকত। কোনো একটা বিষয়কে কেন্দ্র করে শিশুটিকে হত্যার পরিকল্পনা করে বাবু শেখ। এরপর রোববার শিশুটিকে চকলেটের লোভ দেখিয়ে চন্দ্রনাথ পাহাড়ে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করে। শিশুটি চিৎকার করলে ছুরি দিয়ে গলা কেটে হত্যার চেষ্টা করে।