জঙ্গল সলিমপুরে ক্যাম্পের পানি পান করে ৩ পুলিশ সদস্য অসুস্থ

AI-classifiedconfidence 94%

Why this classification

The report describes a valid recent attack on police members, but it does not involve political parties or a political clash, so it is not classified as political violence.

Reported by:Dhaka PostSamakalJugantorCorroborated · 3 sources
26/07/26•Alingar, Jangal Salimpur

Killed

0

Injured

3

Summary

সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরের আলিনগর এলাকায় পুলিশ ক্যাম্পের পানিতে বিষাক্ত পদার্থ মিশ্রিত হওয়ায় তিনজন পুলিশ সদস্য গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। প্রাথমিক তদন্তে এটি সন্ত্রাসী চক্রের পরিকল্পনা বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।

AI analysis

Category

Terrorism / Extremist Attacks

Confidence

94% · severity 5

Perpetrator side

Unknown

Victim side

Law Enforcement

Other actors

ওসি মোহাম্মদ মহিনুল ইসলাম

Affected infrastructure

Police camp water supply

Tags

Extremist ViolenceMilitant Operation

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 3

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Law Enforcement

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 26/07/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (3 sources)

Source 1: Samakal · 26/05/26open original ↗

রাস্তা কেটে যৌথ বাহিনীর ক্যাম্পে হামলা, গোলাগুলি

জঙ্গল সলিমপুর রাস্তা কেটে যৌথ বাহিনীর ক্যাম্পে হামলা, গোলাগুলি সাঁড়াশি অভিযানে সন্দেহভাজন ৪৫ জন আটক চট্টগ্রাম ব্যুরো ও সীতাকুণ্ড প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৬ মে ২০২৬ | ০৯:৩৫ | আপডেট: ২৬ মে ২০২৬ | ০৯:৪৩ | প্রিন্ট সংস্করণ চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরে গত রোববার গভীর রাতে ব্যাপক হামলা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, সন্ত্রাসীরা যৌথ বাহিনীর একটি ক্যাম্প (চৌকি) লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এরপর ক্যাম্পের দেয়ালসহ বিভিন্ন অবকাঠামো ভাঙচুর করে তারা। তার আগে অন্তত চার জায়গায় এক্সক্যাভেটর (খননযন্ত্র) দিয়ে রাস্তা কেটে দেওয়া হয়, যাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযান পরিচালনা করতে না পারে। র্যাব জানিয়েছে, রাস্তা কেটে দেওয়াসহ নানা প্রতিবন্ধকতার মধ্যেও ভোর ৪টার দিকে ঘটনাস্থলে সাঁড়াশি অভিযান চালিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। অভিযানে বেশ কয়েকজন সন্ত্রাসীকে আটক করা হয়েছে। র্যাব বলছে, এ হামলার সঙ্গে সন্ত্রাসী ‘ইয়াছিন বাহিনী’র সদস্যরা জড়িত। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানায়, রাত ১টার দিকে উঁচু দুই পাহাড়ের দুই দিক থেকে জঙ্গল সলিমপুরের আলীনগর স্কুলে যৌথ বাহিনীর অস্থায়ী ক্যাম্প লক্ষ্য করে প্রথমে গুলি ছোড়ে সন্ত্রাসীদের একটি দল। তার আগে ক্যাম্পটির দুই পাশের পাহাড়ে টিনের ঘর বানায় সন্ত্রাসীরা। সেই ঘর থেকে গুলি ছোড়া হয়। একটি দল গুলি ছুড়ে যৌথ বাহিনীকে ব্যস্ত রাখে। তখন আরেকটি দল পেলোডার দিয়ে ক্যাম্পের জন্য নির্মিত নতুন অবকাঠামো ভেঙে দেয়। টিনের চালাও ভেঙে ফেলা হয়। সন্ত্রাসীদের সবচেয়ে বড় কৌশল ছিল দ্রুততম সময়ে যৌথ বাহিনীকে আলীনগর পৌঁছতে না দেওয়া। সে অনুযায়ী বায়েজিদ লিংক রোড-আলীনগর সড়কের চারটি জায়গায় এক্সক্যাভেটর দিয়ে বড় গর্ত করা হয়। ফলে যৌথ বাহিনী গাড়ি নিয়ে জঙ্গল সলিমপুরের দুই কিলোমিটার ভেতরে যেতে পারলেও দ্রুত আলীনগর পর্যন্ত যেতে পারেনি। যৌথ বাহিনীকে প্রায় চার-পাঁচ কিলোমিটার পথ হেঁটে ঘটনাস্থলে যেতে হয়েছে। র্যাব-৭ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হাফিজুর রহমান বলেন, ‘জঙ্গল সলিমপুরে যৌথ বাহিনীর ক্যাম্পে ২০০ থেকে ৩০০ সন্ত্রাসী হামলা চালায়। সন্ত্রাসীরা এলএমজি, একে-৪৭, রাইফেল ও দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার করে গুলি করেছে। যৌথ বাহিনীও পাল্টা গুলি করে আত্মরক্ষার্থে প্রতিরোধ করেছে। আমরা ঘটনাস্থল থেকে ৪০-৪৫ জন সন্দেহভাজনকে আটক করেছি। যাচাই-বাছাই শেষে অপরাধে সম্পৃক্তদের গ্রেপ্তার দেখানো হবে। নিরীহ ব্যক্তিদের মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হবে।’ এক প্রশ্নের জবাবে হাফিজুর রহমান বলেন, ‘সন্ত্রাসী ইয়াছিন বাহিনী এ ঘটনা ঘটিয়েছে। ঘন ঘন জায়গা বদল করায় আমরা তাকে গ্রেপ্তার করতে পারছি না।’ চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম বলেন, ‘জঙ্গল সলিমপুর ঘিরে কোটি কোটি টাকার সাম্রাজ্য ছিল। এটা হাতছাড়া হওয়ায় সন্ত্রাসীরা একটু ঝাঁকুনি দেবে, নড়াচড়া করবে এটা স্বাভাবিক। পুলিশের এখানে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ছাড়া পিছু হটার সুযোগ নেই। ইয়াছিন বা রোকন যারাই জড়িত থাকুক সবাইকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে। সন্ত্রাসীরা গুলি করার পর আত্মরক্ষার্থে প্রতিরোধ হিসেবে ১০৪ রাউন্ড গুলি ছোড়া হয়েছে। পুলিশের কেউ আহত হয়নি।’ চট্টগ্রাম নগরের বায়েজিদ লিংক রোড থেকে পাহাড়ি পথ ধরে জঙ্গল সলিমপুর ও আলীনগর এলাকায় যেতে হয়। এখানে তিন দশক ধরে প্রায় সাড়ে তিন হাজার একর খাসজমি ইয়াছিন ও তার বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে ছিল। ইয়াছিনের লোকদের অনুমতি ছাড়া এখানে কেউ ঢুকতে পারত না। এখানে রাস্তা, স্কুল, ক্লিনিক সবকিছুই নিয়ন্ত্রণ করত ইয়াছিন। গত ৯ মার্চ যৌথ অভিযানে ইয়াছিন ও তার বাহিনী পালিয়ে যায়। তবে পুরোনো নিয়ন্ত্রণ ফিরে পেতে মরিয়া হয়ে ওঠে ইয়াছিন ও তার বাহিনী। সরেজমিন জঙ্গল সলিমপুর দিয়ে ঢুকে আঁকাবাঁকা পাহাড়ি পথ পেরিয়ে দুই কিলোমিটার সামনে এগোতেই একটি কালভার্টের পাশের জায়গায় সড়ক কাটা পাওয়া যায়। কালভার্টের পাশে এমনভাবে কাটা হয়েছে যে, রাতে হওয়া বৃষ্টির পানি অপসারণের পরও কিছুটা জমে আছে। এখানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কয়েকশ গাড়ি সড়কে রাখা। সেখান থেকে প্রায় এক কিলোমিটার যাওয়ার পর সড়কে আরেকটা বড় গর্ত পাওয়া যায়। এভাবে প্রায় সাড়ে চার কিলোমিটার দূরত্বের পথে পরপর চার জায়গায় সড়কে গর্ত পাওয়া যায়। আলীনগরে নতুন টিনশেড ক্যাম্পে গিয়ে দেখা যায়, দেয়াল ভাঙা। টিনের চালা দুমড়েমুচড়ে গেছে। আগামী ৩১ মে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জঙ্গল সলিমপুর পরিদর্শন করে নতুন ক্যাম্পটি উদ্বোধন করার কথা ছিল। নির্মাণাধীন ক্যাম্পের রাজমিস্ত্রি রাজীব বলেন, ‘সারাদিন কাজ করে রোববার রাত ১টার দিকে নির্মাণ শেডে ঘুমাতে যাই। চোখে একটু একটু ঘুম এসেছে। এ সময় হঠাৎ একের পর এক গুলির শব্দ শুনে বের হয়ে দেখি, ক্যাম্পের পুলিশ সদস্যরা আলীনগর স্কুলের দিকে দৌড়ে যাচ্ছে। স্কুল থেকেও পুলিশ গুলি করছে। এমন সময় পূর্ব দিক থেকে একটি ট্রাক ও সেটির পেছনে কয়েকশ লোক অস্ত্র ও লাঠিসোটা নিয়ে এসে ক্যাম্পে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে। পরে এক্সক্যাভেটর এনে ক্যাম্প তছনছ করা হয়। ভয়ে আমরা কয়েকজন নালায় আশ্রয় নিই।’ আলীনগর বাজারের মা স্টোরের স্বত্বাধিকারী রফিক উদ্দিন বলেন, ‘রাতে গোলাগুলির আওয়াজে ভয়ে ঘুমাতে পারিনি। আমার দোকান থেকে ক্যাম্পের দূরত্ব আধা কিলোমিটারের কম। আমি দোকানের পেছনেই থাকি। কোন সময় গুলি এসে লাগে সেই আতঙ্কে ছিলাম।’ আলীনগর ঝর্ণা পাড়ার বাসিন্দা রাজিয়া বেগম বলেন, ‘এখানে ১৩ বছর ধরে বসবাস করছি। কয়েক মাস ধরে যা শুরু হয়েছে তাতে স্বামী-সন্তান নিয়ে ভয়েই আছি। এক দিকে ইয়াছিন বাহিনী, অন্য দিকে পুলিশ। কয়েক দিন পরপরই ঝামেলা হচ্ছে। আমরা চাই, এখানে শান্তি ফিরে আসুক।’ সীতাকুণ্ড মডেল থানার ওসি মো. মহিনুল ইসলাম বলেন, সন্ত্রাসীদের ব্যবহৃত যানবাহন ও সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে আছে দুটি এক্সক্যাভেটর, একটি পেলোডার, চারটি ডাম্পট্রাক, একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও দুটি মোটরসাইকেল। গত ১৯ জানুয়ারি জঙ্গল সলিমপুরে সন্ত্রাসীদের হামলায় র্যাবের ডিএডি মোতালেব হোসেন খুন হয়েছিলেন। গত ৯ মার্চ ভোরে সীতাকুণ্ড মডেল থানাধীন জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় তৎকালীন চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি ও বর্তমানে র্যাবের মহাপরিচালক মো. আহসান হাবীব পলাশের নেতৃত্বে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড দমন ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে তিনটি হেলিকপ্টার নিয়ে অভিযান পরিচালনা করা হয়। সে অভিযানে অংশ নেন সেনাবাহিনীর ৪৮৭ জন, জেলা পুলিশের ১৪৬ জন, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) ৮০০ জনসহ মোট তিন হাজার ১৮৩ জন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য। তখন ইয়াছিন ও তার দলবল এলাকা থেকে পালিয়ে যায়। অভিযান শেষে সলিমপুর ও আলীনগরে দুটি অস্থায়ী পুলিশ ও র্যাবের নেতৃত্বে যৌথ বাহিনীর ক্যাম্প স্থাপন করা হয়। একটি সলিমপুরের প্রবেশমুখে এবং অন্যটি আলীনগর এলাকায়। আলীনগর স্কুলে বর্তমানে যৌথ বাহিনীর সদস্য অবস্থান করছেন। তার পাশেই নতুন ক্যাম্প তৈরি করা হচ্ছিল। নতুন ক্যাম্পের ভবনসহ অবকাঠামোগত প্রায় ৯০ ভাগ কাজই শেষ হয়। বাকি ১০ ভাগ কাজ শেষের পথে ছিল।    - বিষয় : - গোলাগুলি - চট্টগ্রাম - জঙ্গল সলিমপুর - যৌথ বাহিনী

Source 2: Dhaka Post · 26/07/26open original ↗

জঙ্গল সলিমপুরে ক্যাম্পের পানি পান করে ৩ পুলিশ সদস্য অসুস্থ

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে আলোচিত জঙ্গল সলিমপুরের আলিনগর এলাকায় পুলিশ ক্যাম্পের খাওয়ার পানি পান করে তিন পুলিশ সদস্য গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। বর্তমানে তারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। রোবার (২৬ জুলাই) সকালে ডিউটিরত অবস্থায় এই ঘটনা ঘটে। ওই পানির নমুনা সংগ্রহ করে এরইমধ্যে পরীক্ষার জন্য ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ক্যাম্পের পাশের একটি ঘর থেকে নিয়মিত খাওয়ার পানি সংগ্রহ করতেন পুলিশ সদস্যরা। রোববার সকালে ওই পানি পানের কিছুক্ষণ পরই কয়েকজন সদস্য অসুস্থ বোধ করতে শুরু করেন। পরে পানি পরীক্ষা করে দেখা যায়, পানিগুলোর রং সাদা এবং তাতে উৎকট গন্ধ রয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে সহকর্মীরা অসুস্থ পুলিশ সদস্যদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের ধারণা, জঙ্গল সলিমপুরের একটি চিহ্নিত সন্ত্রাসী চক্র আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে এলাকা থেকে সরিয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে পানির মধ্যে কিছু ‘মিশিয়ে’ নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড ঘটিয়ে থাকতে পারে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সীতাকুণ্ড মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহিনুল ইসলাম জানান, ‘বিষাক্ত পানি পান করে আমাদের তিনজন পুলিশ সদস্য অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, যে মহলটি বারবার চাইছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এখান থেকে চলে যাক, এটি তাদেরই একটি হীন চক্রান্ত হতে পারে।’ তিনি আরও জানান, ‘এ ঘটনায় গভীর তদন্ত চলছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান।’ জেডএস

Source 3: Jugantor · 04/03/26open original ↗

সীতাকুণ্ডে নারীকে হত্যার পর ঝুলিয়ে রাখার অভিযোগ

সীতাকুণ্ডে নারীকে হত্যার পর ঝুলিয়ে রাখার অভিযোগ চরভদ্রাসন ও শাজাহানপুরে দুই লাশ উদ্ধার Advertisement যুগান্তর ডেস্ক প্রকাশ: ০৪ মার্চ ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ সীতাকুণ্ডে সরকারি পুনর্বাসনের ঘর থেকে সোমবার রাতে জেরিন নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। স্বজনদের দাবি তাকে হত্যার পর ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। এছাড়া চরভদ্রাসনে গৃহবধূ ও শাজাহানপুরে চালকের লাশ উদ্ধার হয়েছে। যুগান্তর ব্যুরো ও প্রতিনিধিরা জানান : চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে পৌর সদরে ইকোপার্কের পাশে সরকারি পুনর্বাসনের ঘর থেকে সোমবার রাতে জেরিন আক্তার জেরিন নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি ওই পুনর্বাসনকেন্দ্রের বাসিন্দা ফারুকের স্ত্রী। স্বজনরা জানান, ফারুক মাদকাসক্ত হয়ে ঘরে ফিরে জেরিনকে মারধর করতেন। সোমবার রাতে স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে খবর পেয়ে জেরিনের বাড়িতে আসেন তারা। পরে পুলিশের সহায়তায় জেরিনের লাশ উদ্ধার করেন। স্বজনদের ধারণা, নেশাগ্রস্ত অবস্থায় ফারুক জেরিনকে শ্বাসরোধে হত্যার পর ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলিয়ে দিয়েছে। ওসি (তদন্ত) মো. আলমগীর হোসেন বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য লাশ চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে সদর ইউনিয়নের খালাসী ডাঙ্গী গ্রাম থেকে মঙ্গলবার ভোরে রুনা আক্তার নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার হয়েছে। তিনি ওই গ্রামের রুবেল শেখের স্ত্রী। স্বামীর সঙ্গে অভিমান করে ওই গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছে বলে জানা গেছে। স্বামী রুবেল শেখ জানান, সেহরি খাওয়া শেষে তিনি প্রাকৃতিক ডাকে বাইরে যান। ঘরে ফিরে স্ত্রীকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। এ সময় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। বগুড়ার শাজাহানপুরে আমরুল ইউনিয়নের নগরহাট পূর্বপাড়া গ্রামে মঙ্গলবার বাড়ির পাশের গাছ থেকে মশিউর রহমান বাবু নামে এক চালকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গাছে তার ঝুলন্ত লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয় স্থানীয়রা। ওসি তৌহিদুল ইসলাম জানান, পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ব্যাপারে থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।