রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে মতিঝিল ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে ভাঙচুর

AI-classifiedconfidence 94%

Why this classification

The article describes a group of about 100 locals gathering at Motijheel Islamic Bank Hospital, beating staff and causing injuries while demanding 10 lakh taka; this meets the definition of a physical attack and is recent, so it is classified as a violence incident.

Reported by:Dhaka PostProthom AloCorroborated · 2 sources
03/10/26•Motijheel Islamic Bank Hospital

Killed

0

Injured

10

Summary

মতিজিল ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে ১৩ বছর বয়সী কিশোরীর মৃত্যুর পর রোগীর আত্মীয়রা ১০ লাখ টাকা দাবি করে ভিড় নিয়ে স্টাফের ওপর হামলা করে, ফলে ১০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী আহত হয়।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

94% · severity 6

Perpetrator side

Locals

Other actors

আবুল কালাম আজাদশাহরিয়ার সবুজতৌফিক মেজবাহ

Affected infrastructure

Hospital

Tags

ExtortionVandalism

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 10

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 03/10/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Dhaka Post · 04/10/26open original ↗

রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে মতিঝিল ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে ভাঙচুর

রাজধানীর মতিঝিল ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে ১৩ বছর বয়সী এক কিশোরীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। স্বজনদের অভিযোগ, অ্যাপেনডিক্স ফেটে যাওয়ার পর হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও সময়মতো অস্ত্রোপচার না করায় মাহিমার মৃত্যু হয়েছে। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, হাসপাতালে আনার সময়ই ওই রোগীর অবস্থা গুরুতর ছিল। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গত শুক্রবার (২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় প্রচণ্ড পেটব্যথা নিয়ে মাহিমাকে মতিঝিল ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে নেওয়া হয়। জরুরি বিভাগে চিকিৎসকের পরামর্শে আলট্রাসনোগ্রাফি করা হলে তার অ্যাপেনডিক্স ফেটে যাওয়ার বিষয়টি ধরা পড়ে। পরে অস্ত্রোপচারের প্রস্তুতি নেওয়া হলেও অপারেশন থিয়েটারে নেওয়ার আগেই শনিবার সকালে তার মৃত্যু হয়। হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ বলেন, রোগীর মৃত্যুর পর স্বজনরা বিষয়টি বুঝতে পেরে লাশ নিয়ে গাজীপুরে চলে যান এবং রাতে দাফন সম্পন্ন করেন। পরে রাত ১০টার দিকে শাহজাহানপুর ৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের পরিচয় দিয়ে শাহরিয়ার সবুজ নামে এক ব্যক্তি হাসপাতালে এসে ভুল চিকিৎসার অভিযোগ তুলে ১০ লাখ টাকা দাবি করেন। তিনি বলেন, ‘আমরা তাদের জানিয়েছি, ভুল চিকিৎসা হয়ে থাকলে তারা আইনি প্রক্রিয়ায় যেতে পারেন। এভাবে কাউকে টাকা দেওয়া হবে না। আজ দুপুরে এ বিষয়ে আলোচনায় বসার কথা থাকলেও তারা আসেননি। বিকেলে প্রায় ১০০ লোক নিয়ে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে অবস্থান নেন। তারা চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের ভয়ভীতি দেখাতে থাকেন।’ আবুল কালাম আজাদ আরও বলেন, ‘আমি তাদের গেট থেকে কিছুটা দূরে অবস্থান নিতে বললে তারা আমার কলার ধরে মারধর শুরু করেন। পরে দ্বিতীয় তলায় লেবার রুমে উঠে ভাঙচুর চালান। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত হাসপাতালের ১০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আহত হন। তবে টাকা দাবির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শাহরিয়ার সবুজ। তিনি বলেন, মাহিমা তার চাচাতো বোন। অ্যাপেনডিক্স ফেটে যাওয়ার পর প্রথমে তাকে প্যান প্যাসিফিক হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। পরে রোগীর অবস্থা গুরুতর হওয়ায় দ্রুত ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে নেওয়া হয়। শাহরিয়ার সবুজ বলেন, ‘শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকরা অপারেশনের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। কিন্তু রাতে অপারেশন না করায় পরদিন সকালে আমার বোন মারা যায়। আমরা ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাইতে গেলে হাসপাতালের লোকজন আমাদের ওপর হামলা করে।’ ১০ লাখ টাকা দাবির অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমি কোনো টাকা চাইনি, বরং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ টাকা দিয়ে বিষয়টি মিটমাট করতে চেয়েছে। আমরা তাতে রাজি হইনি। আমরা বলেছি, কোটি টাকা দিলেও আমরা রাজি হবো না। তারা যদি বলে আমরা টাকা চেয়েছি, তাহলে এর প্রমাণ দিক।’ ঘটনাস্থলে থাকা অন্য এক রোগীর স্বজন তৌফিক মেজবাহ বলেন, আমি আমার বোনকে নিয়ে গত শুক্রবার থেকে এই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছি। আমাদের পাশেই ঘটনাটি ঘটেছে। অ্যাপেনডিক্সের সমস্যা নিয়ে আসা রোগী মারা যাওয়ার পর তার বাবা-মা লাশ নিয়ে চলে যান। পরে রাতে একদল লোক এসে টাকা দাবি করে। তিনি আরও বলেন, আজ সন্ধ্যার পর আবার তারা হাসপাতালে এসে প্রথমে ৮ থেকে ১০ জনকে মারধর করে রক্তাক্ত করে এবং ভাঙচুর চালায়। পরে পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে উঠলে হাসপাতালের স্টাফরা তাদের ধাওয়া দেন। এমএল/এএমকে

Source 2: Prothom Alo · 05/10/26open original ↗

ভিডিও ভাইরাল নির্দয়ভাবে শিশুটিকে পেটানোর ঘটনাটি ঢাকার মিরপুরের, শনিবার বিকেলের

রাজধানীর মিরপুর ১ নম্বরের শাহ আলী শপিং কমপ্লেক্সের সামনে এক শিশুকে পেটানোর দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছবি: ফেসবুকে প্রকাশিত ভিডিও থেকে নেওয়া মানুষের ভিড়ের মধ্যে একটি মেয়েশিশুর এক হাত ধরে কোমরের বেল্ট দিয়ে একের পর এক আঘাত করছেন এক ব্যক্তি। পাশ দিয়ে ছুটে চলছে যানবাহন। আশপাশে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষজন দেখছেন নীরবে। একপর্যায়ে কয়েকজন কিশোর শিশুটিকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে তাকে টেনে মার্কেটের দিকে নিয়ে যান ওই ব্যক্তি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ১৫ সেকেন্ডের ভিডিওতে ধরা পড়ে নির্দয় এই দৃশ্য। পুলিশ বলছে, ঘটনাটি ঢাকার মিরপুরের। গত শনিবার মিরপুর ১ নম্বরের শাহ আলী শপিং কমপ্লেক্সের সামনে এ ঘটনা ঘটে। শিশুটিকে পেটানো ব্যক্তিকে শনাক্ত করেছে পুলিশ। তাঁর নাম মো. রিপন মণ্ডল (৩৬)। তিনি মিরপুর শাহ আলী শপিং কমপ্লেক্সের নিরাপত্তাকর্মী। বর্তমানে পুলিশের পাহারায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, মার্কেটের সামনের রাস্তায় মানুষের ভিড়ের মধ্যে নেভি ব্লু শার্ট ও কালো রঙের ফুলপ্যান্ট পরা ব্যক্তি এক হাত দিয়ে শিশুটির একটি হাত ধরে আছেন। অন্য হাতে থাকা বেল্ট দিয়ে নির্দয়ভাবে শিশুটিকে পেটাচ্ছেন তিনি। এই ভিডিও নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে। শিশুকে মারধরের ঘটনায় দায়ী ব্যক্তিকে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন অনেকে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে দারুসসালাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. দুলাল হোসেন আজ সোমবার বিকেলে প্রথম আলোকে বলেন, ভিডিওটি নজরে আসার পর পুলিশ খোঁজ নিয়ে জানতে পারে, ঘটনাটি শনিবার বিকেলের। শিশুটিকে পেটানো ব্যক্তি রিপন মণ্ডল জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। পরে পুলিশ সেখানে গিয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। জিজ্ঞাসাবাদে রিপন মণ্ডল পুলিশ কর্মকর্তাদের কাছে দাবি করেন, শিশুটি মার্কেটের একটি দোকান থেকে মুঠোফোন চুরি করেছে। এ জন্য তিনি তাকে পিটিয়েছেন। গতকাল রোববার বিকেলে তিনি হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হলে হাসপাতালে ভর্তি হন। পুলিশ কর্মকর্তা দুলাল হোসেন বলেন, রিপন মণ্ডলের কথা সত্য কি না, তা যাচাই করে দেখা হচ্ছে। তাঁকে হাসপাতালে পুলিশ পাহারায় রাখা হয়েছে। রিপন মণ্ডল সুস্থ হয়ে উঠলে তাঁর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান ওসি দুলাল হোসেন। একই সঙ্গে ভুক্তভোগী শিশুটিরও সন্ধান করছে পুলিশ। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন অপরাধ থেকে আরও পড়ুন শিশুভাইরাল ভিডিওপুলিশমিরপুরশিশু নির্যাতনঅপরাধহাসপাতালভাইরাল